ঢাকা : মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • পণ্য মজুদ আছে, রমজানে পণ্যের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী          বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার          অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব ব্যবস্থা নিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী          বনাঞ্চলের গাছ কাটার ওপর ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা          দেশের সব ইউনিয়নে হাইস্পিড ইন্টারনেট থাকবে
printer
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর, ২০১৪ ১২:১২:১২আপডেট : ২৭ নভেম্বর, ২০১৪ ১২:৪০:২২
আগামীর বাংলাদেশ
এ কে নাহিদ

 
অনেক ত্যাগ-তিতীক্ষা ও চড়াই-উৎতড়াই মধ্য দিয়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা এবং বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন সার্বভৌম ভূখন্ড ও লাল-সবুজের পতাকা। আমাদের এ পতাকা রক্তে রঞ্জিত। তারপরও এ পতাকা হাতে নিয়ে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। আমরা স্ব-নির্ভর জাতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। স্বপ্ন দেখছি ২০২১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ ও মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার। কিন্তু এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে রয়েছে বেশ কিছু সমস্যা। আমরা আশাবাদী, এ সামান্য কিছু সমস্যা কাটিয়ে উঠে ঐক্যের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হলে এ দেশ অবশ্যই এ নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে। পাশাপাশি এ দেশ স্ব-নির্ভর জাতি হিসেবে মাথা তুলে  দাঁড়াবে এবং মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবার নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করবে। আর এ নিয়েই টাইমওয়াচ প্রচ্ছদ প্রতিবেদন।আগামীর বাংলাদেশ


বাংলাদেশ : যাত্রা শুরুর প্রেক্ষাপট
আবহমান কাল ধরেই দু:খিনী বাংলার এই জনপদের মানুষ ছিলো স্বাধীন চেতনায় সদা জাগ্রত। তারপরও ইতিহাসের দীর্ঘ সময় এই অঞ্চল ছিলো বহি:শক্তির কাছে পদনত। এ দেশের মানুষ বিভিন্ন বহি:শক্তির বিরুদ্ধে বার বার সংগ্রাম করেছে এবং বুকের তাজা রক্ত দিয়েছে। কিন্তু বার বার স্বাধীনতা সোনার হরিণের মতোই থেকে গেছে। সবশেষে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষার প্রশ্ন্ েবাঙালি জাতির চেতনা বোধ চুড়ান্তভাবে জাগ্রত হয়। ভাষায় জন্যে বুকের তাজা রক্ত দেন এ দেশের দামাল ছেলেরা এবং অসংখ্য নারী-পুরুষ। এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভাষার জন্য এই ধরনের কাহিনী পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। তারপর দীর্ঘ সংগ্রাম এবং সশস্র যুদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায় ‘৫২র রক্ত গড়ার রাজপথে। বলার অপো রাখেনা, এই রক্তের সেচ দিয়েই স্বাধীনতার বীজতলা তৈরি হয়। এক্ষেত্রে ‘৫২, ‘৫৬, ‘৬৬, ‘৬৯, ‘৭০ সালের নির্বাচন সর্বোপরি ‘৭১ সালের সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় এই দু:খিনী বাংলার স্বাধীনতা। বিশ্বের মানচিত্রে স্থান পায় স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা।আগামীর বাংলাদেশ
১৯৭১ থেকে বর্তমানে অবস্থান
৯ মাসের সশস্ত্র যুদ্ধ এবং ৩০ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা উদ্দেশ্য ছিলো- অর্থনৈতিক মুক্তি কেবল মাত্র একটি নিজস্ব ভূ-খন্ড ও জাতীয় পতাকা নয়। স্বাধীনতা-উত্তর প্রায় ৪৪ বছর পেরিয়ে আজও আমাদের মোটা ভাত মোটা কাপড়ের স্বপ্ন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়নি; যা অত্যন্ত লজ্জার কথা। অথচ ভিয়েতমান বছরের পর যুদ্ধ করে দেশকে তামা করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ভিয়েতনাম আজ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেছে। তাহলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কী কেবল ৯ মাসের যুদ্ধের ফসল; যা এক মৌসূমের আবাদে গড়ে তোলে আনা হয়েছে; মোটেই তা-নয় । পাকিস্তানের ২২ পরিবার দেশের অর্থনীতিকে কুক্ষিগত করে রেখেছে; এটিই ছিলো বাঙালি জাতির ওই সময়ের অন্যতম ক্ষোভ। আজ ২২ পরিবার থেকে ২২শ’ পরিবারের হাতে দেশের অর্থনীতি জিম্মি হয়ে  পড়েছে; যা মোটেই কাম্য নয়। তবে আশার কথা, স্বাধীনতা যুদ্ধের ধ্বংস স্তুপ থেকে বাংলাদেশ আজ অনেক দূর অগ্রসর হয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে। শিশু ও মা-মৃত্যুর হার যেমন কমেছে তেমনি গড় আয়ূ বৃদ্ধি পেয়েছে। নারী শিক্ষা, কর্মজীবি ও স্ব-নির্ভর নারী বেড়েছে। নারী এখন চার দেয়ালে বন্দি নেই। গ্রামীণ অর্থনীতিতেও যথেষ্ট উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বিরাজমান। পাশাপাশি তথ্য-প্রযুক্তিতে দেশ অনেক অগ্রসর হয়েছে। বর্তমান সবরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে। কৃষিভিত্তিক এই দেশে আধুনিক নগরভিত্তিক কৃষি  শিল্প এবং বাণিজ্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিল্পোন্নয়নের যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। বেসরকারি খাতে অসংখ্য শিল্পদ্যোক্তার সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি আর্থিক খাত বিশেষ করে ব্যাংক-বীমা-পুঁজি বাজারসহ অনেক কিছুতেই উন্নয়নের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহতায়ালা প্রদত্ত অনেক প্রাকৃতিক সম্পদও আমাদের রয়েছে; যা অর্থনীতিকে গতিশীল করার অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে। আর সবচেয়ে বড় যে সম্পদ এ দেশে রয়েছে; তাহলো প্রায় ১৮ কোটির বিশাল জনগোষ্ঠী। এ জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করে দেশের অর্থনীতির চিত্র পাল্টে দেয়া সম্ভব। তৈরি পোশাক শিল্প এ দেশের নারীদের ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং অর্থনীতির চাকা গতিশীল রাখছে। প্রবাসী আয়ও আমাদের জন্যে আর্শিবাদ স্বরূপ। এ দেশ খাদ্যে স্বয়ং-সম্পূর্ণতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ২১ শতাংশ। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতির মধ্যেও প্রবৃদ্ধিতে তেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।আগামীর বাংলাদেশ
এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে দ্রুত এগিয়ে চলছে দেশ। গার্মেন্টস শিল্প দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়ন করেছে। পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তাও বেড়েছে। বিদেশের শ্রম বাজারেও রয়েছে বাংলাদেশের অসংখ্য শ্রমশক্তি এবং তাদের প্রেরিত রেমিট্যন্স জাতীয় অর্থনীতির চাকা রাখছে গতিশীল।  ক্ষুদ্র-মাঝারী শিল্পের উত্তরোত্তর বিকাশ ঘটছে। চায়নার মতো বাংলাদেশের ধোলাইখাল-জিনজিরার নকল পণ্য উৎপাদন অর্থনীতিতে রাখছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। কৃষিভিত্তিক শিল্পও দ্রুত গতিতে বিকশিত হয়েছে। এছাড়া শিল্পোন্নয়নের ক্ষেত্রে প্লাস্টিক, লেদার, টেক্সটাইল, পাট, বস্ত্র, ওষুধ, ইঞ্জিনিয়ারী, লবণ, রিয়েল এস্টেট, মোটরসাইকেল, জাহাজ নির্মাণ, পর্যটনসহ বিভিন্ন শিল্প এই দেশে গড়ে উঠেছে। এই সকল শিল্প দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখছে। আমাদের রয়েছে সুসংগঠিত পুঁজিবাজার। স্বাধীনতা পরবর্তী এই দেশে শুধুমাত্র কৃষিনির্ভর অর্থনীতি পরিচালিত হয়েছে। বর্তমানে কৃষি তথা গ্রামীণ অর্থনীতির পাশাপাশি বৃহৎ শিল্পও গড়ে উঠেছে; যা জাতীয় অর্থনীতির চাকাকে সক্রিয় রাখছে। বর্তমানে দেশে তথ্য-প্রযুক্তিরও জয়- জয়কার।  অর্থাৎ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের যথেষ্ট উপাদান ও উপকরণ এই দেশে রয়েছে; এখন শুধুই প্রয়োজন এর সঠিক ব্যবহার সুনিশ্চিত করা।
এগিয়ে চলার পথে অন্তরায়
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনেক ক্ষেত্র বিকশিত হয়েছে এবং বিকাশমান। অর্থনৈতিক উন্নয়নের এই সকল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অতি সহজেই এই দেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা অসম্ভবের কিছু নয়। এ ক্ষেত্রে শুধুই প্রয়োজন ঐক্য। আমাদের মধ্য স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি হয়েছিল । আমরা ওই ঐক্য যদি আবার গড়ে তুলতে পারি; তাহলে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় এবং সমৃদ্ধ দেশ গড়া অবশ্যই সম্ভব। আমাদের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি করে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ডলারে উন্নতি করার জন্যে শুধুই প্রয়োজন ঐক্য ।  কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বিগত বছরগুলোতে এই দেশের ক্ষমতাসীন দল এবং ব্যক্তিগণ রাজনৈতিক সংকীর্ণতার কারণে অর্থনীতিকে কোনঠাসা করে রেখেছে; যা অত্যন্ত লজ্জার এবং ঘৃনার ।  এই দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একে অপরের দোষারোপের মধ্য দিয়ে কাটিয়ে দেয়া হয় দীর্ঘ সময় এবং অকার্যকর থাকে সংসদ; যা আদৌ ঠিক নয়। আরেকটি বিষয় লক্ষণীয় যে, দেশের উন্নয়নের ফসল মুষ্ঠিমেয় কিছু মানুষের মধ্যে ভাগাভাগি হয়। এক্ষেত্রে দেশের সিংহভাগ মানুষই বঞ্চিত হয়। এ প্রবঞ্চনার শিকার হওয়ার কারণ হিসেবে সম্পদের সুষম বন্টনকেই দায়ী করছেন বিশেজ্ঞমহল। আগামীর বাংলাদেশ
বর্তমানে দেশে গুণগত মান সম্পন্ন রাজনীতি ও দক্ষ নেতৃত্বের অভাব রয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে লক্ষণীয় যে, দেশের উন্ন্য়নের অনেক নীতি-কৌশল ব্যক্তিস্বার্থ কিংবা দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হয় । পাশাপাশি অনেক উন্নয়ন নীতি-কৌশল ব্যক্তি কিংবা দলীয় সংর্কীণতায় বন্ধ অথবা স্থগিত করা হয়; যা ঠিক নয়। এই সংস্কৃতি থেকে আমাদেরকে অবশ্যই বেড়িয়ে আসা উচিত। এই দেশের উন্নযনের সামগ্রিক সম্ভাবনাকে দলীয় কিংবা ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে থেকে ঐক্যের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা উচিত। তাহলে আমাদের লক্ষ্য এবং স্বপ্ন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ভিশন- ২০২১ বাস্তবায়ন করা অবশ্যই সম্ভব। যদি স্বাধীনতা সংগ্রামের সৈনিকদের স্বপ্নের বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের জাতীর জন্ম হতে পারে; তাহলে আমাদের আজকের এই স্বপ্নও বাস্তবায়িত হবে। তাই আমাদের সকলের মধ্যে যদি সমন্বয় করা যায়; তাহলে ২০২১ সালের স্বাধীনতার ৫০ বছরের সূবর্ণ জয়ন্তীতে এই দেশ অবশ্যই স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নত হয়ে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। এক্ষেত্রে ঐক্যের বন্ধন যদি অটটু থাকে তাহলে স্বাধীনতার ৫০ বছরের আগেও এই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে পারে। তবে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে দু’টি জিনিস অবশ্যই একান্ত প্রয়োজন। প্রথমত: জাতি হিসেবে আমাদের লক্ষ্যের ব্যাপারে ঐক্যমতে পৌঁছানো । আর এই ঐক্যমতে পৌঁছাতে হলে প্রধান দু’টি রাজনৈতিক দলকে মৌলিক অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে একাত্মতা ঘোষণা করতে হবে। দ্বিতীয়ত: উন্নয়ন অর্থনীতির জন্যে যা কিছু প্রয়োজন তা দু’দলকেই  ঐক্যের মধ্য থেকে বাস্তবায়ন করতে হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এবং এগিয়ে চলার পথে এর কোনো বিকল্প নেই।
আগামীর বাংলাদেশ উন্নয়নে করণীয়
১. জাতীয় উন্নয়নের জন্যে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য
২. ব্যক্তি কিংবা রাজনৈতিক সংকীর্ণতা নয়; মানুষ ও দেশকে ভালোবাসতে হবে
৩. কর্ম-বাক্যে সৎ ও নিষ্ঠাবান হতে হবে
৪. জনসংখ্যাকে আপদ মনে না করে জনসম্পদে পরিণত করতে হবে
৫. যে কোনো ধরনের উন্নয়ন নীতি-কৌশল হিংসা-বিদ্ধেসের উর্ধ্বে থেকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে
৬. সম্ভাবনাময় শিল্প খাত উন্নয়নে সঠিক নীতি-কৌশল  গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে
৭. জাতীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করতে হবে
৮. সম্পদের সুষম বন্টন করতে হবে
৯. বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে
১০. বিশ্ব দরবারে দেশকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে
১১. উপযুক্ত জীবন যাত্রার মান এবং সমগ্র জনগণের আস্থাভাজন গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে
১২. সুসংগঠিত পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে হবে
১৩. কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে অধিক চাঙ্গা রাখতে হবে। সর্বোপরি প্রয়োজন  ঐক্যের বন্ধন ও দক্ষ নেতৃত্ব। তাহলেই ২০২১ সালের মধ্যে এ দেশ অবশ্যই সমৃদ্ধ এবং মধ্যম আয়ের দেশ পরিণত হবে । উন্নয়নে অর্থনীতি ও টাইমওয়াচের সাথে এ দেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে চলুক- এ প্রত্যাশা আমাদের।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
বিশেষ প্রতিবেদন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd