ঢাকা : সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • পণ্য মজুদ আছে, রমজানে পণ্যের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী          বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার          অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব ব্যবস্থা নিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী          বনাঞ্চলের গাছ কাটার ওপর ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা          দেশের সব ইউনিয়নে হাইস্পিড ইন্টারনেট থাকবে
printer
প্রকাশ : ১৬ জুন, ২০১৫ ১৬:৪০:৫০
সাপাহার পশু হাসপাতালে নেই পশুর চিকিৎসা
সাপাহার (নওগাঁ) সংবাদদাতা


 


নওগাঁর সাপাহার উপজেলার প্রাণী সম্পদ বিভাগ (পশু হাসপাতাল) এ গবাদি পশুর চিকিৎসা সেবা ভেঙ্গে পড়েছে। চিকিৎসা সেবার বদলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চিকিৎসা ব্যবস্থা চলার অভিযোগ উঠেছে। এক কৃষকের একটি গরুর বাচ্চা বিনা চিকিৎসায় গত সোমবার বিকেলে হাসপাতাল চত্ত্বরে মারা গেছে।
ভুক্তভোগী কৃষক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার উপজেলার শীতলডাঙ্গা গ্রামের মোসাহাক এর পুত্র বানী ইসরাইলের ছয় মাস বয়সের একটি গরুর বাচ্চা হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তড়ি ঘড়ি করে সে বাচ্চাটিকে নিয়ে বিকেল ৫টা ২০মিনিটে সাপাহার উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ (পশু হাসপাতালে) নিয়ে আসেন। হাসপাতাল চত্ত্বরে ঢুকে তিনি তার গরুর বাচ্চাটিকে বাঁচানোর প্রাণপন চেষ্টায় চিকিৎসকদের খুঁজতে থাকেন। এ সময় তার ডাকা ডাকিতে ভিতর থেকে একজন লোক বেরিয়ে এসে দরজা না খুলেই বলেন যে ডাক্তার কলে বেরিয়ে গেছেন ডাক্তার এলে চিকিৎসা করা হবে। তার গরুর বাচ্চার অবস্থা ভাল নয় বাচ্চাটিকে একটু দেখেন বলে বিনীত অনুরোধ করলেও তিনি হাসপাতালের দরজা খোলেননি বরং গরুর মালিকের কোন কথা না শুনেই তিনি পুনরায় ভিতরে চলে যান। ততক্ষনে কৃষকে গরুর বাচ্চাটি হাসপাতাল চত্ত্বরে মারা যায়। মনের দুঃখে কৃষক মৃত গরুর বাচ্চাটি হাসপাতাল চত্ত্বরে রেখেই চলে যান। ঘটনা দেখে একাধিক কৃষক অভিযোগ করে বলেন, এখানে কোন কৃষক তার গবাদি পশুর চিকিৎসা করতে এলে চিকিৎসকগন কৃষকদের সাথে সব সময় রুঢ় ব্যাবহার করেন। তারা গবাদি পশুর মালিকদের সাথে ভাল ভাবে কথা বার্তা বলেন না। সরকারী ভাবে ঔষধ সরবারাহ নেই বলে পশুর মালিকের হাতে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ পত্র এবং ইনজেকশান দিয়ে টাকার ফিরিস্তি ধরিয়ে দেয়া হয়। একটি পশুর অনেক মূল্য সামান্য টাকা কেন দেবেন না বলে ধমকের সুরে বলা হয়। বাহির থেকে কোন কল এলে হাসপাতালে চিকিৎসা ফেলে রেখেই ডাক্তার গন তড়ি ঘড়ি করে কলে বেরিয়ে যান। সব মিলিয়ে সাপাহার পশু হাসপাতালে এখন গবাদি পশুর চিকিৎসা সেবা একেবারে ভেঙ্গে পড়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের উপ প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. আতোয়ার হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি কৃষকের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কৃষক গন যখনই তাদের গবাদি পশু হাসপাতালে নিয়ে আসেন আমরা তখনই চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি। সোমবার বিকেলে মৃত গরুর বিষয়ে তার সাথে কথা হলে এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। তবে সময়টি যেহেতু ছুটির পর তখন চিকিৎসকগণ হাসপাতালে না থাকাটাই স্বাভাবিক বলেও তিনি জানান।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
বিশেষ প্রতিবেদন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd