ঢাকা : রোববার, ২১ অক্টোবর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা           কারও মুখের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী          ২২তম অধিবেশন চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          দেশের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ২৮ জুন, ২০১৫ ১৫:২৬:০৩
যশোরের নাভারন-সাতক্ষিরা মহসড়কের বেহাল দশা
এম এ রহিম, বেনাপোল


 


চলে গেছে গত ঈদের এক বছর। আসছে আরও একটি ঈদ। এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেতু ও যোগাযোগ মন্ত্রীর আশ্বাস বাস্তবায়ন হয়নি আজও। বাংলাদেশ ও ভারতের সাথে আমদানি রফতানি বানিজ্যে পণ্য পরিবহনে ভোমরা শুল্ক ষ্টেশনের গরুত্ব অপরিসীম। যশোরের নাভারন সাতক্ষিরা ভায়া ঢাকা মহাসড়কটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। বড় বড় গর্ত সহ খানা খন্দে পরিণত হয়েছে ১০ কিলোমিটার সড়ক। বাড়ছে জনদূর্ভোগ প্রতিনীয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা বিকল হচ্ছে পরিবহন। রাস্তাটির ইট, খোয়া ও পাথর ও পিচ উঠে বড় বড় গর্ত সহ জরাজীর্ণ হয়ে ব্যাবহার অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। বাস ট্রাক নসিমন করিমন ও প্রাইভেট সহ যাত্রীবাহি বাস চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। মহাসড়কে পরিবহন চলাচলে সময় লাগছে বেশী। বিকল হচ্ছে যানবাহন। বর্ষার সময়ে কাঁদা-ও শুষ্ক মৌশমে ধুলাবালিতে এলাকার পরিবেশ হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত। দীর্ঘদিনেও সড়ক ও জনপথ বিভাগ এলজিডি কর্তৃপক্ষের নজর পড়েনি রাস্তাটিতে। এদিকে বাংলাদেশ সরকারের সেতু ও যোগাযোগ মন্ত্রীর ঈদ পূর্বূবর্তী সকল রাস্তা মেরামতের নির্দেশ বাস্তবায়ন হয়নি। রাস্তার দৃশ্য দেখে পথচারিরা সহ পরিবহন ড্রাইভাররা হতবাক হচ্চেন। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার ন্যায় মহাসড়কে আংশিক গর্তে ইট দিয়ে রাস্তার দায়সারা গোছের কাজ করছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগ। পরো সড়কটি থাকছে জরাজীর্ন।
ঢাকা ভায়া-যশোর-নাভারন-ভায়া সাতক্ষিরা-ভোমড়া মহাসড় একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারও বাস ট্রাক পরিবহন চলাচল করে। আমদানি রফতানি বানিজ্য সড়কটির গুরুত্ব রয়েূছে অনেক। ঢাকা থেকে নাভারন পর্যন্ত সড়কের দূরত্ব ২৪৬ কিলোমিটার। যশোর ভায়া নাভারন মোড় থেকে সাতক্ষিরা সদর পর্যন্ত ৪৩ কিলোমিটার সড়কটি ভয়াবহ অবস্থায় রুপ নিযেছে। সড়কটি মেঠোপথে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি ব্যাবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বাস ট্রাক ও পরিবহন ব্যাবসায়িরা। সড়ক ও জনপথ বিভাগ রাস্তাটি মেরামতে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।  সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে গত এক বছরে সড়ক দূর্ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
শার্শা উপজেলা নির্বাহি অফিসার এটিএম শরিফুল আলম বলেন, রাস্তা মেরামতে আমাদের কাছে কোন নির্দেশনা আসেনি। বিষয়টি এলজিইডির। তবে কোন রাস্তা খারাপ থাকলে বিষয়টি ঊর্ধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেতে পারে। আগামী অর্থ বছরে রাস্তাটি কার্পেটিং করা হতে পারে বলে জানান তিনি-। ঈদের মধ্যে সংস্কার করা হবে সড়কটি।
শার্শা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া আফরোজ বলেন, রাস্তাটি যান ও মানুষ চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। ঘটছে দূর্ঘটনা। গত এক বছরে এ সড়কে ১০ জনের মতো মানুষ মারা গেছে। বিষয়টি উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।  
উলাশি গ্রামের কলেজ পড়–য়া ছাত্রী রুমি আক্তার বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিযে চলাচল করতে হয়। প্রায়ই ঘটে দূর্ঘটনা। মারা যায় মানুষ। সড়কের সংস্কার হয়নি আজও। একই কথা বলেন স্থানীয় পথচারি আনোয়ারা খাতুন,তিনি বলেন গত দু বছরে এই ভাঙা চোরা সড়কে বাসের চাপায় মারা গেছে ১০/১২জন। রাস্তার কোন ্উন্নয়ন হয়নি।
ট্রাক চালক মসিন উদ্দন বলেন, বাস ট্রাকের ষ্টারিং ধরো রাখা মুশকিল। খারাপ সড়কের কারনে গাড়ি যায় বিকল হয়ে সময় লাগে বেশী। একই কথা বলেন বাস চালক ইদ্রিস আলী। তিনি বলেন সেতু মন্ত্রীর নির্দেশনা নাভারন সাতক্ষিরা সড়কে বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে সড়ক দূর্ঘটনা বেড়েই চলেছে।
সড়কটিতে চলাচলকারি বাস ট্রাক ও নসিমন চালক সহ পথচারিরা বলেন, রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ ফলে সময় ও তেল খরচ হয় বেশী গাড়ী চলাচলে পড়তে হয় দুর্ভোগে ঘটে দূর্ঘটনা ম্রাা যায় মানুষ। বিকল হয়ে পড়ে ইজ্ঞিন। রাস্তাটি কার্পেটিং কর্রা জন্য মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চালকরা সহ পথচারিরা।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
বিশেষ প্রতিবেদন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd