ঢাকা : রোববার, ২১ অক্টোবর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা           কারও মুখের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী          ২২তম অধিবেশন চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          দেশের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ০২ আগস্ট, ২০১৫ ১১:৩৫:০৮আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০১৫ ১১:৩৫:২০
বাংলার ঐতিহ্য নক্সীকাঁথা
নওগাঁ সংবাদদাতা

 
নিপুন সুক্ষ্ম হাতের সুঁচ সুতার সেলাইয়ে ধীরে ধীরে উঠে আসছে ইতিহাস ঐতিহ্যের। লাল, নীল, হলুদ, সবুজ, কালো , সাদা বাহারী রঙের সুতো আর কাপড়ে যেনো জীবন্ত হয়ে ধরা দিচ্ছে নক্সিকাঁথা। একবারে গ্রামের মেয়েরা সেসব কাজের প্রশিক্ষণ পেয়ে দক্ষ হয়ে উঠছে। গত ২৪ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত একটানা চলে নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার ঐহিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের যাদুঘরে ওই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

দেশের  পাহাড়পুর, মহাস্থানগড়, বাগেরহাট, কান্তজিউ মান্দির এই ৪টি প্রত্ন এলাকার প্রায় ১২ জন কারুশিল্পী ৪ জন প্রশিক্ষকের অধিনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। সাউথ এশিয়া ট্যুরিজম ইনফাষ্টট্রাকচারাল ডেভেলোপমেন্ট প্রজেক্ট শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে ঐতিহ্য অন্বেষণের এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রানালয় অধিনস্থ ও এশীয়া উন্নয়ন ব্যাংক।
পরিচালক ঐতিহ্য অন্বেষন ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিওলোজি বিভাগের প্রফেসর সুফি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সুরক্ষায় স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অংশ গ্রহণ অর্থবহ করতে হলে বাংলার ঐতিহ্য নক্সীকাঁথা
ইতিহাস ঐতিহ্য সচেতনতার পাশাপাশি তাদের অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা অবসম্ভাবি। বিশ্ব ঐতিহ্য পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ, মহাস্থানগড়, কান্তজিউ মন্দির বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করে। ওই স্থানগুলো থেকে গবেষণার মাধ্যমে নির্বাচিত তাৎপর্যপূর্ণ মটিফ নিয়ে বাংলার ঐতিহ্যবাহী সূচী শিল্পের নকশিকাঁথা, দেয়ালচাদর, হাতব্যাগ সোফাকভার, প্রভৃতি তৈরী করা হচ্ছে। এ পণ্যগুলো দেশী পর্যটকদের আকাংখিত স্যূভেনির চাহিদা পূরনসহ আমাদের ঐতিহ্য দেশ-বিদেশে প্রচার লাভ করবে।
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার এলাকার নাজমা খাতুন ও বাগেরহাট ষাট গম্বুজ মসজিদ এলাকার প্রশিক্ষনার্থী কামরুন নাহার পলি জানান, তাঁরা প্রশিক্ষণ পেয়ে যেমন দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য বিষয়ে জানতে পেরেছেন, তেমনি ভাবে এই নকশিকাঁথায় বিভিন্ন রেপলিকা তৈরী করে আর্থিক ভাবে সাবলম্বি হতে পারবেন।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
বিশেষ প্রতিবেদন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd