ঢাকা : বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • রোহিঙ্গা ইস্যুতে ট্রাম্পের কাছে সহায়তা চাওয়ার কোনো মানে নেই : হাসিনা          দু-এক দিনের মধ্যে চালের দাম কমবে : বাণিজ্যমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের প্রতি আন্তরিকতার কমতি নেই : ওবায়দুল কাদের          রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ত্যাগ করলে অবৈধ বলে গণ্য হবেন : আইজিপি          রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ নৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে : রুশনারা আলী
printer
প্রকাশ : ১২ আগস্ট, ২০১৫ ১৬:৪৪:২৪আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০১৫ ১৫:৫৮:৫৪
উন্নয়নমূলক কাজ করে জনগণের দৌঁড় গোড়ায় যেতে চাই : এম এ হামিদ খান
আলহাজ অ্যাডভোকেট এম এ হামিদ খান, কাউন্সিলর (ওয়ার্ড নং- ২১), ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন


 

আলহাজ অ্যাডভোকেট এম এ হামিদ খান ১৯৫৭ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মো. কাজিম খান ও মাতা আজিমুন্নেসা। তিনি ১৯৭৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি, এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করে ১৯৮০ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারি চাকরি করেন এবং ওই সময় দু’বার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মিনিস্টেরিয়াল সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন। ২০০২ সাল থেকে তিনি আইন পেশায় নিয়োজিত থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত হন। বর্তমানে তিনি ২১ নং ওয়ার্ডের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের সময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনরে নবনির্বাচিত কাউন্সিলর (ওয়ার্ড নং-২১)। সম্প্রতি টাইমওয়াচ প্রতিনিধির কাছে তিনি তার ওয়ার্ডের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার উপর একটি সাক্ষাৎকার প্রদান করেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন টাইমওয়াচ বিশেষ প্রতিনিধি
টাইমওয়াচ : প্রথমেই আপনার কাছে জানতে চাইবো- কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর আপনার অনুভূতি কি?
আলহাজ অ্যাডভোকেট এম হামিদ খান : আমার ২১ নং ওয়ার্ডে ব্যতিক্রমধর্মী একটি নির্বাচন হয়েছে। বিদ্রোহী এবং বিরোধীদলের মোট ১০জন প্রতিদ্বন্দ্বীর সাথে পাল্লা দিয়ে বহু নাটকের পরে আমি বিজয় লাভ করেছি। ফলে আমার অনুভূতি অত্যন্ত আনন্দের। তাই আমি আমার এলাকায় ব্যতিক্রমী কাজ করে জনগণের দৌঁড় গোড়ায় যেতে চাই।
টাইমওয়াচ : আপনার ওয়ার্ডে বর্তমানে কি কি সমস্যা রয়েছে এবং সমস্যা সমাধান বিষয়ে আপনার অভিমত কী?
আলহাজ অ্যাডভোকেট এম হামিদ খান : আমার ওয়ার্ডে বর্তমানে একটি অবৈধ কমিউনিটি সেন্টার, অনুন্নত রাস্তা-ঘাট এবং কিছু কিছু জায়গায় অবৈধ দোকানপাট রয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু স্পটে মাদকদ্রব্য বেচাকেনা হয়। আমি প্রথমেই হাতিরপুল কাঁচা বাজার এবং সাকুরা মার্কেট বহুতল নির্মাণউন্নয়নমূলক কাজ করে জনগণের দৌঁড় গোড়ায় যেতে চাই : এম এ হামিদ খান
করতে চাই। পাশাপাশি বাংলামোটর পান্থকুঞ্জ পার্কে যে বস্তি রয়েছে তা অপসারণ এবং ডিজিটাল পাবলিক টয়লেট স্থাপন করতে চাই। টিএসসি মোড়েও পাবলিক টয়লেট স্থাপন আবশ্যক। নালির পাড় রাস্তা ও বাংলা মোটর লিংক রোডে অবৈধ দখলদার রয়েছে। এসব উচ্ছেদ করতে হবে। কমিউনিটি সেন্টার স্থাপনের ব্যাপারে ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল হতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়েছে। ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তা-ঘাটের ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট অপসারণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বাংলামোটর পান্থকুঞ্জ পার্ক সংলগ্ন ডিজিটাল পাবলিক টয়লেট এবং টিএসসি মোড়ে পার্ক সংলগ্ন এরিয়াতেও ডিজিটাল পাবলিক টয়লট স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এছাড়াও শাহবাগ মোড়ে দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশিত ফুটওভার ব্রীজ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। ওয়ার্ডে শতভাগ বাতি জ্বালানো হয়েছে। প্রতিটি এরিয়ায় সপ্তাহে দু’বার মশা নিধন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
টাইমওয়াচ : আপনার ওয়ার্ড উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছে কি ধরনের সহায়তা প্রত্যাশা করেন?
আলহাজ অ্যাডভোকেট এম হামিদ খাঁন : সন্ত্রাস, মাদক এবং অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করার জন্য সরকারের কাছে প্রশাসনিক সহায়তা প্রত্যাশা করছি। ২১ নং ওয়ার্ডকে আমি সার্বিক দিক দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ করে একটি মডেল ওয়ার্ডে পরিণত করতে চাই। এজন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আমি সরকারের সার্বিক সহযোগিতা ও জনগণের সহযোগিতা কামনা করছি।উন্নয়নমূলক কাজ করে জনগণের দৌঁড় গোড়ায় যেতে চাই : এম এ হামিদ খান
টাইমওয়াচ : আপনার ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা জানতে চাইছি।
আলহাজ অ্যাডভোকেট এম হামিদ খান : আমি আগেই বলেছি, যাবতীয় নাগরিক সেবার মাধ্যমে জনগণের দোর গোড়ায় পৌঁছাতে চাই এবং প্রতিটি এলাকায় একটি করে কমিটি গঠন করে উন্নয়ন, নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আমার ওয়ার্ডকে আগামী জুলাই মাসের মধ্যে ওয়াইফাই জোন ঘোষণা করতে চাই। পাশাপাশি আমার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করছি এবং এলাকার কিছু বেকার নেশাগ্রস্থ যুবকদের চিহ্নিত করে সাধ্য মতো কর্মসংস্থানসহ সুচিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করতে চাই। যাতে করে তারা সামাজিক সম্মানের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করতে পারে। চলাচলের জন্য রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন ও যানজটের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ গ্রহণ এবং সত্যিকার অর্থে জনগণের সেবা করে আস্থা অর্জন করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সাক্ষাৎকার পাতার আরো খবর

Developed by orangebd