ঢাকা : রোববার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • মেক্সিকোতে ভূমিকম্প : নিহত ২৪৮          রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ঐক্য হয়ে গেছে, নতুন ঐক্যের দরকার নেই : নাসিম          ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল মধ্যম আয়ের দেশ হবে বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ব্যাপার ঐক্যবদ্ধ হতে ওআইসি’র প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান          দু-এক দিনের মধ্যে চালের দাম কমবে : বাণিজ্যমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের প্রতি আন্তরিকতার কমতি নেই : ওবায়দুল কাদের          রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ত্যাগ করলে অবৈধ বলে গণ্য হবেন : আইজিপি          রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ নৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে : রুশনারা আলী
printer
প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর, ২০১৫ ১৭:৩৭:৫৪আপডেট : ১৫ অক্টোবর, ২০১৫ ১৭:৪২:৩৫
২০২১ নয় ২০১৯ সালের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গরূপে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠবে
বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

 
আবদুস সোবহান গোলাপ; ১৯৫৬ সালের ১১ অক্টোবর মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার রমজানপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলহাজ মো. তৈয়ব আলী মিয়া এবং স্নেহময়ী মাতা মরহুমা আলহাজ আনারন নেছা। আবদুস সোবহান ১৯৭২ সালে টরকী বন্দর ভিক্টোরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৭৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানে বিএসএস অনার্স, ১৯৭৮ সালে সমাজবিজ্ঞানে এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৪ সালে নরওয়ে ট্রন্ডহেইম ইউনিভার্সিটি থেকে নরওয়েজিয়ান ভাষার উপর ডিপ্লোমা, ১৯৮৫ সালে ভাষাতত্ত্ব এর উপর ডিপ্লোমা এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন ও নিউ ইয়র্ক সিটি ইউনিভার্সিটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে জেরনটোলজিতে এমএস, যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

ড. সোবহান ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। ১৯৭৩-৭৪ সালে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নির্বাহী সদস্য; ১৯৭৮-৮০ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক; ১৯৭৯-৮০ সালে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাস্টার দা সূর্যসেন হল ছাত্র সংসদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ১৯৮১-৮৩ সালে সহ-সভাপতি (ভিপি) মাস্টার দা সূর্যসেন হল ছাত্র সংসদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; সভাপতি মাস্টার দা সূর্যসেন হল ছাত্রলীগ ও নির্বাহী সদস্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯-২০০০ নিউ ইয়র্ক মেট্রোপলিটন সিটি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক; ২০০২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক; ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব; ২০০৯-২০১৩ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী; সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ (১৯তম জাতীয় কাউন্সিল ২৯ ডিসেম্বর ২০১২), দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদ ডিসেম্বর-২০১৩; বিশেষ সহকারী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। জানুয়ারি-২০১৪ থেকে অদ্যাবধি সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ৭ মার্চ ১৯৭১-এর রেসকোর্সের ঐতিহাসিক জনসভায় স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সদস্য হিসাবে ধানমণ্ডি ৩২ থেকে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকালে তেজগাঁও এয়ারপোর্ট থেকে রেসকোর্সের সমাবেশে যোগদান, ১৯৮১ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকালে এয়ারপোর্ট ও মানিক মিয়া এভিনিউর জনসভায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে দলীয় ও রাষ্ট্রীয়ভাবে বহুবার দেশ বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। রাজপথে আওয়ামী লীগের লড়াকু সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আবদুস সোবহান জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে গণমানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সম্প্রতি এই বিজ্ঞ রাজনীতিবিদের মুখোমুখি হলে তিনি টাইমওয়াচকে ডিজিটাল বাংলাদেশ এর উপর একটি তাৎপর্যপূর্ণ সাক্ষাৎকার প্রদান করেন। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে সম্পাদনা করেছেন চিফ রিপোর্টার কাজল আরিফ
টাইমওয়াচ : বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা; এর বাস্তবায়ন কতটুকু হয়েছে বলে আপনি মনে করেন?
ড. আবদুস সোবহান গোলাপ : বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে জাতির সামনে একটি নতুন চিন্তাধারা ও একটি আধুনিক দর্শন উপস্থাপন করেছিলেন ভিশন-২০২১ অর্থাৎ আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ কার্যকরী ব্যবহারের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, আধুনিক, সমৃদ্ধশালী ও মধ্যম ২০২১ নয় ২০১৯ সালের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গরূপে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠবে
আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। যে বাংলাদেশে জনগণের গণতন্ত্র ও অধিকার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করবে, যে বাংলাদেশ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অঙ্গীকারসমূহ যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন প্রভৃতি সেবাসমূহ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিবে। সর্বোপরি বাংলাদেশ একটি সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন বর্তমান সরকারের নানামুখী উদ্যোগের অন্যতম। ডিজিটাল সেন্টার হলো ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ডে স্থাপিত তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবাসমৃদ্ধ একটি আধুনিক কেন্দ্র। তৃণমূল মানুষের কাছে কম খরচে, কম সময়ে সব ধরনের তথ্য ও সেবা পৌঁছে দিয়ে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে দেশে সকল ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপন করা হয় এসব সেবাকেন্দ্র। প্রথমে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র (ইউআইএসসি) নামে পরিচিত হলেও বর্তমানে এসব কেন্দ্র ডিজিটাল সেন্টার নামেই পরিচিত। দেশে বর্তমানে সর্বমোট ৫২৭৫টি ডিজিটাল সেন্টার রয়েছে। এর মাধ্যমে সারা দেশের মানুষকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমানে দেশের সকল ইউনিয়নে (৪৫৪৩টি), সকল পৌরসভায় (৩২১টি) এবং সকল সিটি কর্পোরেশনের (১১) ৪৬০টি ওয়ার্ডে স্থাপিত ডিজিটাল সেন্টারগুলো গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি-বেসরকারি ও বাণিজ্যিক তথ্য ও সেবা প্রাপ্তির এক অনন্য কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এসব তথ্য ও সেবাকেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১২ কোটি সেবা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৭ কোটি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন। আর এসব সেবা প্রদান করে উদ্যোক্তারা এ পর্যন্ত ১৪০ কোটি টাকার বেশি উপার্জন করেছেন। গ্রামে বসেই জমির পর্চার আবেদন, মোবাইল ব্যাংকিং, জীবন বীমা, পল্লী বিদ্যুতের বিল পরিশোধ, সরকারি ফরম, পাবলিক পরীক্ষার ২০২১ নয় ২০১৯ সালের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গরূপে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠবে
ফলাফল, অনলাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, অনলাইন জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, বিভিন্ন ধরনের সনদ, প্রশিক্ষণ, ই-মেইল, ইন্টারনেটসহ ২০০টির বেশি সরকারি বেসরকারি ও বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেবা পাওয়া যাচ্ছে। ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাগণ নিজেদের মতো করে রোজগারের নানা পথ যেমন বের করছেন সেই সাথে তৃণমূল মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছেন। সেবা প্রদান করে এসব সেন্টারের উদ্যোক্তাদের মাসিক আয় ৭০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য তরুণ-তরুণীরা তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের প্রস্তুত করছে। আর এভাবেই বদলে যাচ্ছে
বাংলাদেশের গ্রাম, বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বদলে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াটি ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে এদেশের মানুষের কাছে।
টাইমওয়াচ : একজন বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনি কী মনে করেন ২০২১ সালের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে ডিজিটালাইজড বাংলাদেশ আমরা পাবো?
ড. আবদুস সোবহান গোলাপ : বর্তমান সরকারের উন্নয়নের যে ধারা অব্যাহত রয়েছে দেশের প্রতিটি সেক্টরে এবং প্রগতির চাকা যেভাবে সম্মুখ দিকে ঘূর্ণমান রয়েছে তাতে মনে হয় ২০২১ নয় ২০১৯ সালের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গরূপে ডিজিটাল বংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
টাইমওয়াচ : গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার ব্যাপক কাজ করেছে বলা হয়। আপনার এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন কতটুকু সম্পন্ন হয়েছে?
ড.আবদুস সোবহান গোলাপ : শুধু আমার এলাকাতেই নয়- সারা দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার ব্যাপক কাজ করেছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ডে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করার ফলে সাধারণ নাগরিকগণ এখন সহজে, কম খরচে ও ঝামেলাহীনভাবে প্রায় ২০০ ধরনের সরকারি ও বেসরকারি সেবা পাচ্ছে। এসব সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের সাথে পার্টনারশীপ বাঅংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ছয় বছরে এসব ডিজিটাল সেন্টার থেকে প্রায় ১২ কোটি সেবা প্রদান করা হয়েছে। আর সেবা প্রদান করে সেন্টারের উদ্যোক্তাদের মোট আয় ১৪০ কোটি টাকার ওপরে হয়েছে। স্থানীয় সরকার কাঠামোর বিভিন্ন স্তরে ডিজিটাল সেন্টারগুলো গড়ে উঠেছে সরকারি-বেসরকারি (সরকার-উদ্যোক্তা-জনগণ) অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে। স্থানীয় পর্যায়ের দু’জন উদ্যোক্তা বাধ্যতামূলকভাবে একজন নারী এবং একজন পুরুষ ডিজিটাল সেন্টার পরিচালনা করে। ডিজিটাল সেন্টার পরিচালনার জন্য ২০২১ নয় ২০১৯ সালের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গরূপে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠবে
প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আংশিক উপকরণ সরবরাহ করা হয়। পরবর্তীতে উদ্যোক্তারা নিজ নিজ সামর্থ্য এবং স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহ করে। উদ্যোক্তাগণ ডিজিটাল সেন্টারে চাকরি করেন না। তারা ডিজিটাল সেন্টারে বিনিয়োগ করে থাকেন। কাজেই এখান থেকে যা উপার্জন হয় তার পুরোটাই উদ্যোক্তাদের। দেশব্যাপী ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন, উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ, নতুন নতুন সেবা চালু, ট্রাবল শুটিং সহায়তা, সোলার প্যানেল সরবরাহ, জীবন ও জীবিকাভিত্তিক কনটেন্ট সরবরাহের ক্ষেত্রে ইউএনডিপি’র কারিগরি সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের নেতৃত্বে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের সফল বাস্তবায়ন মাঠ প্রশাসনের অবদান অনস্বীকার্য। জেলা প্রশাসক থেকে শুরু করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (আইসিটি), বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সহকারী প্রোগ্রামারগণ নিজ নিজ জায়গা থেকে ডিজিটাল সেন্টার বাস্তবায়নের সহায়তা প্রদান ও তদারকি করেছেন এবং করছেন। মাঠ প্রশাসন এমন সহযোগিতা না করলে হয়তো সারাদেশে ডিজিটাল সেন্টার সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হতো না। ডিজিটাল সেন্টারে নিয়মিত সেবার পাশাপাশি নতুন নতুন সেবা যুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। গ্রামের রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্কুল কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ সরকারি বিভিন্ন সেক্টরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
সর্বোপরি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সঠিক নেতৃত্ব ছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো না; যার ৭০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে।
টাইমওয়াচ : রাজনীতি নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
ড. আবদুস সোবহান গোলাপ : ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বলা খুব কঠিন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-২০২১ ও ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে তাঁর একজন নির্ভীক কর্মী হিসেবে সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাব।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সাক্ষাৎকার পাতার আরো খবর

Developed by orangebd