ঢাকা : শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২০

সংবাদ শিরোনাম :

  • একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ প্রকৌশলীর বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি          রাজধানীর ৬৪ স্থানে বাস স্টপেজ নির্মাণ হবে : কাদের          ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৩ কোটি যুবকের কর্মসংস্থানের হবে : অর্থমন্ত্রী          দ্বীপ ও চরাঞ্চলে পৌঁছাচ্ছে ইন্টারনেট           সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : স্পিকার          রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর          বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই : হাছান মাহমুদ
printer
প্রকাশ : ০৫ মার্চ, ২০১৬ ১৪:১৫:৩২
চিকিৎসা নিশ্চিতে বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির প্রসার প্রয়োজন
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 


সার্বজনীন চিকিৎসা নিশ্চিতে বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির প্রসারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে একমত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ এবং স্বাস্থ্যসেবার পেশাজীবীরা।
৫ মার্চ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত চতুর্থ আন্তর্জাতিক আইয়ুনস সম্মেলনে এ মত প্রকাশ করেন তারা।
এ বছর সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতি ও সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা’।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ সম্মেলন যৌথভাবে আয়োজন করেছে আয়ুর্বেদ অ্যান্ড নেচারোপ্যাথি অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (আইয়ুনস), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ, পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন অফ বাংলাদেশ এবং হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ।
সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা বলেন, বিশ্ব এখন ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে। কারণ এই পদ্ধতিগুলো রোগের চিকিৎসায় ও প্রতিরোধে যেমন কার্যকরী, তেমনি এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। বিকল্প ওষুধের ব্যয় মূলধারা বা অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের তুলনায় কম। এটি প্রসারের মাধ্যমে ২০৩২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের লক্ষে পৌঁছানো সহজ হবে।বিকল্প ধারার চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করারও পরামর্শ দেন তারা।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (মালয়েশিয়া ক্যাম্পাস) ড.ক্রিস্টোফি উইয়ার্ট।
আইয়ুনস (আয়ুর্বেদ অ্যান্ড নেচারোপ্যাথি অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. সমীর কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব অধ্যাপক এম ইকবাল আর্সলান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তানভির আহমেদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর এবিএম ফারুকি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সিতেশ সি বাচার, হোমিও অ্যান্ড ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের পরিচালক এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর ডা. মনোয়ারা সুলতানা এবং হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ডা. হাকিম মোহাম্মদ ইউসুফ হারুন ভূঁইয়া।
 

printer
সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্য ও জীবন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd