ঢাকা : মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • পণ্য মজুদ আছে, রমজানে পণ্যের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী          বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার          অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব ব্যবস্থা নিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী          বনাঞ্চলের গাছ কাটার ওপর ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা          দেশের সব ইউনিয়নে হাইস্পিড ইন্টারনেট থাকবে
printer
প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:২২:২৪
তজুমদ্দিনে চলাচল পথ বিচ্ছিন্ন
তজুমদ্দিন (ভোলা) সংবাদদাতা


 

ভোলার তজুমদ্দিনে ঘটে যাওয়া ঘূর্নিঝড় রোয়ানু ও উজানের চাপে এলাকার বসত বিটা সহ বিধ্বস্ত হয় বেঁড়িবাধঁ। তখন থেকে শুরু করে এখনো জনসাধারন ভোঙ্গান্তি পোহাতে কোন অংশে কম করছেন না বলে জানান এলাকাবাসী। সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগে তজুমদ্দিন সদর উপজেলার  সম্মুখীন হতে সুইজ গেট (মাছ পাইকারি কেন্দ্র) যাওয়ার চলাচল পথ ও চৌহমুনি লঞ্চঘাটের নিকটবর্তী এলাকা যোগাযোগ ব্যবস্থা বর্তমানে খালে রুপান্তরিত হয়ে দুর্ভোগের আলোক চিএ। যার ফলে নিত্য প্রয়োজনীয়ে লোকদের ছুটে যেতে হয় এপাড় ওপাড়ে। স্থানীয়দের পাশাপাশি জেলে বেপারীরা ছুটে যায় মাছ পাইকারী কেন্দ্রে। প্রতিদিন কয়েক হাজারো মানুষের চলাচল পথ আজ জোয়ার-ভাটা প্লাবিত খাল। এই যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে নৌকা যোগে পাড়ি দিতে হচ্ছে সকলের। চৌহমুনি এলাকার নৌকা পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে চিকিৎসার জন্য আসা জোসনা, জাকিয়া তুলে ধরেন তাদের ভোঙ্গান্তীর কথা। তারা জানান, যতটুকু জীবন অতিবাহিত হয়েছে কখন নৌকায় উঠিনি, জীবনের এই প্রথম নৌকায় তাও ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্য বাধ্য হয়ে নৌকা দিয়ে পাড় হলাম। নৌকায় উঠে অনেকক্ষণ সময় ধরে যাএীর জন্য অপেক্ষার পর নৌকা ছাড়ে, অন্যদিকে নৌকায় প্রথম উঠার কার খুব ভয় হয়েছিল। মনে হচ্ছিল নৌকা ডুবে যাচ্ছে, এখন আবার মনের মাঝে ভীতি সৃষ্টি হচ্ছে কিভাবে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফিরতে নৌকায় উঠবো। আবার, সেই নৌকা পাড়াপাড় কেন্দ্রে হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন বলে জানান পথচারীরা।
 
 
প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, মূল জায়গায় নৌকা থাকার পরেও সেখান থেকে অল্প কতটুকু অগ্রসর হয়ে কিছু ব্যাভিচারি মাঝিরা নৌকা নিয়ে দাঁড়িয়ে যাএীকে ওপাড়ে নেওয়ার উদ্দশ্যে ডাকতে থাকে। অতঃপর ওপাড়ে নিয়ে দ্বিগুণ ভাড়া হাসিল করেন মাঝিরা। অনেকে মাঝিদের কুমন্ত্রনা না বুঝে নৌকায় উঠে ব্যবিচারি মাঝিদের সাথে ভাড়া নিয়ে ঝগড়া বারাবারি করেও দ্বিগুণ টাকা দিতে বাধ্য বলে অভিযোগ তুলেন অনেকে।
 
 
অন্যদিকে, তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে সুইজ গেট যেতে বর্তমানে নৌকা পাড়াপাড়ের ব্যবস্থার চিএ। স্থানীয়, পথচারীদের পাশাপাশি যেখান দিয়ে পুরো উপজেলার বেশিসংখ্যক জেলেরা ব্যবসার খাতিরে নৌকা পাড়ি দিয়ে ভিড় জমাতে বাধ্য মাছ পাইকারি কেন্দ্রে যেতে। অনেক সময় কিছু যাএী থাকলেও পরিপূর্ণ যাএীর জন্য বসে থাকে বলে অভিযোগ জেলেদের। তারা বলেন, সঠিক সময় পাইকারি কেন্দ্রস্থল পৌঁছতে ও সঠিক সময় বাজারে মাছ নিয়ে হাজির হতে পারছেনা বলে কঠিন হিমসীম অন্তগামী মাঝে জেলেরা। এই দুর্ভোগের নিকটবর্তী এলাকার জনসাধারণ, পথচারী, জেলেরা পথ চেয়ে দিন গুনছে কবে তাদের দূর্ভোগ এই নৌকা পাড়ি থেকে মুক্তি পাবে।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
বিশেষ প্রতিবেদন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd