ঢাকা : শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর, ২০১৬ ১২:৩৮:০১
বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ১৪ নভেম্বর
টাইমওয়াচ ডেস্ক


 


প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর ডায়াবেটিস বিষয়ে জনগণের সচেতনতা ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করতে ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস দিবস উদযাপিত হয়ে আসছে।
প্রতি বছরই বিশেষ কর্মকাণ্ডকে মাথায় রেখে দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় নির্বাচন করা হয় এবং বছরব্যাপী বিশ্বজুড়ে এ মূলনীতিকে সামনে রেখে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
দিবসটি উদযাপনের মূল উদ্দেশ্য হলো ডায়াবেটিসের বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন, জনগণকে যতবেশি করে সম্ভব এর সাথে যুক্ত করা, রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারকদের বলিষ্ঠ ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে উৎসাহিত করা, আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করা এবং সর্বোপরি যাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি, যাদের ডায়াবেটিস হয়ে গেছে বা যারা ডায়াবেটিসের চিকিৎসা পাচ্ছেন, তাদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিদ্যমান কর্মকাণ্ডে গতি আনা দিবসটির বিশেষ লক্ষ্য থাকে।
এবছর আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো- ডায়াবেটিসের উপর নজর রাখুন। এতে যে বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হলো- (১) ডায়াবেটিসের লক্ষণ নেই এমন প্রাপ্তবয়স্ক লোককেও ডায়াবেটিস আছে কিনা তা পরীক্ষা করে জেনে নেওয়া। যাতে ডায়াবেটিসের জটিলতা দেখা দেবার আগে তাকে সঠিক চিকিৎসার আওতায় আনা যায়। একই সাথে ডায়াবেটিসের লক্ষণবিহীন সকল মানুষকে সচেতন করা। (২) যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদেরকে সঠিক ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা, তাদের ইতোমধ্যেই ডায়াবেটিস সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিয়েছে কিনা তা দেখা, চিকিৎসা সংক্রান্ত পদক্ষেপ সঠিকভাবে নেওয়া হয়েছে কিনা, তা নজরে রাখা।
আইডিএফ এর হিসেব মতে, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে মোট ৭১ লক্ষ শনাক্তকৃত ডায়াবেটিসের রোগী ছিল এবং আরও প্রায় ৭১ লক্ষ (মোট প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ) মানুষ ডায়াবেটিস নিয়ে বসবাস করছিল, যারা এখনও পর্যন্ত শনাক্ত হয়নি।
ঐ সময় সারা পৃথিবীতে মোট ৪১ কোটি ৫০ লক্ষ শনাক্তকৃত ডায়াবেটিসের রোগী ছিল। তারা আরও আশঙ্কা করছে যে, ২০৪০ সালে পৃথিবীতে মোট ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ডায়াবেটিসের রোগী থাকবে। ২০১৫ সালে ডায়াবেটিসের রোগীর মোট সংখ্যা অনুসারে সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশ দশম অবস্থানে ছিল। কিন্তু ২০৪০ সালে গিয়ে মোট রোগীর সংখ্যা অনুসারে বাংলাদেশের অবস্থান হবে নবম। এখানে একটা জিনিস খুবই লক্ষ্যণীয় যে, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট উদ্যোগী এবং বিভিন্ন মাত্রায় সফল। কিন্তু বাংলাদেশ উল্টো অবস্থানে আছে। বাংলাদেশের ডায়াবেটিস রোগীরা আরও বেশি খারাপ অবস্থায় জীবনযাপন করছে। এযাবৎ প্রকাশিত দু’টি গবেষণালব্ধ প্রবন্ধে দেখা গেছে, বাংলাদেশের বিশ শতাংশের কম ডায়াবেটিসের রোগী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সফল হয়। এটিই বর্তমান বিশ্বের যে কোন দেশের ডায়াবেটিস রোগীদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মাত্রার তুলনায় খারাপ অবস্থা। ডায়াবেটিসের দীর্ঘকালীন জটিলতাগুলোতেও বাংলাদেশী ডায়াবেটিসের রোগীরা বেশি ভুগছে। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক পরিস্থিতি হলো, এখানে অতি অল্প বয়সে মানুষ (ছেলে-মেয়েরা) টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্য ও জীবন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd