ঢাকা : শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • পবিত্র আশুরা ১০ সেপ্টেম্বর          ডিএসসিসির ৩,৬৩১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা          রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর          সংলাপের জন্য ভারতকে ৫ শর্ত দিল পাকিস্তান          এরশাদের শূন্য আসনে ভোট ৫ অক্টোবর          বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই : হাছান মাহমুদ
printer
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর, ২০১৬ ২২:৩৫:০৭
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার আহ্বান খালেদা জিয়ার
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 


মিয়ানমারের মুসলিম রোহিঙ্গাদের সম্ভব মতো দেশে আশ্রয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
২৭ নভেম্বর রোববার রাতে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ আহ্বান জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে খালেদা জিয়া বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পরিচালিত হত্যাযজ্ঞ ও বর্বরতা সব সময়ই নিকট প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশকে স্পর্শ করেছে। ঘনবসতিপূর্ণ এবং লোকসংখ্যা অনুপাতে বাসযোগ্য জমির ক্রমসংকোচনের এ দেশে অনেক রোহিঙ্গা শরণার্থী আগে থেকেই আশ্রয় নিয়ে আছে। এতে আমাদের সামাজিক অনেক সমস্যা ভোগ করতে হচ্ছে। তা সত্ত্বেও গণহত্যার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জনকারী জাতি হিসেবে জীবন রক্ষায় আশ্রয় প্রার্থী রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে যত দূর সম্ভব আশ্রয় দেয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
এসময় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে প্রতিবেশী অন্যান্য দেশ এবং মুসলিম বিশ্বের প্রতিও অভিন্ন আহ্বান জানান খালেদা।
তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, কেবল শরণার্থীদের আশ্রয় ও সাহায্য দেয়ার মধ্যেই কোনো সমাধান নেই। রোহিঙ্গারা যাতে স্থায়ীভাবে দেশে ফিরে নিরাপত্তা ও পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিয়ে বসবাস করতে পারে তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বলিষ্ঠ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে। এ প্রসঙ্গে বিশ্ব সমাজকেও অবিলম্বে সক্রিয় হওয়া এবং এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।
বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, সংখ্যালঘু একটি জাতিগোষ্ঠীর ওপর এমন পৈশাচিক নির্মূল অভিযানে প্রতিটি বিবেকবান মানুষ স্তম্ভিত। বর্তমানে ‘রাখাইন’ নামে পরিবর্তীত এককালের স্বাধীন ও গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যমণ্ডিত আরাকান অঞ্চলে পরিচালিত এই গণহত্যা অভিযানে সরকারি বাহিনীর ছত্রচ্ছায়ায় ভিন্ন সম্প্রদায়ের দাঙ্গাবাজরাও অংশ নিচ্ছে। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে বাড়িঘর ধ্বংস করে তাদের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে।  
গভীর পরিতাপ ও দুঃখ প্রকাশ করে খালেদা জিয়া বলেন, কোনো সামরিক জান্তা নয়, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী এবং গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অং সান সু চির নেতৃত্বে পরিচালিত মিয়ানমারের প্রশাসনই এ অমানবিক সন্ত্রাসী কার্যকলাপের হোতা। যিনি নিজে দীর্ঘকাল নির্যাতিত হয়েছেন তিনি কী করে এমন পৈশাচিক তাণ্ডবকে অনুমোদন করছেন ভেবে আমরা স্তম্ভিত হচ্ছি। অনতিবিলম্বে এই জেনোসাইড বন্ধের জন্য আমি মিয়ানমার সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের এই জেনোসাইডের বিরুদ্ধে আমি আমার প্রিয় দেশবাসীসহ সারা বিশ্বের বিবেকবান মানুষকে সোচ্চার এবং নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠেীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
রাজনীতি পাতার আরো খবর

Developed by orangebd