ঢাকা : শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • পবিত্র আশুরা ১০ সেপ্টেম্বর          ডিএসসিসির ৩,৬৩১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা          রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর          সংলাপের জন্য ভারতকে ৫ শর্ত দিল পাকিস্তান          এরশাদের শূন্য আসনে ভোট ৫ অক্টোবর          বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই : হাছান মাহমুদ
printer
প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৩:১৫:২২
প্রতারণার শাস্তি ভয়াবহ
টাইমওয়াচ ডেস্ক


 

ধোঁকা ও প্রতারণা একটি জঘন্য অপরাধ। প্রতারণা একটি সামাজিক ব্যাধিও। মানুষ জীবনের নানা ক্ষেত্রেই একজন অপরজনের দ্বারা প্রতারিত হচ্ছে। এর মাত্রা দিন দিন যেন বেড়েই চলছে।
 
 
ইসলামে কোনো ধোঁকা ও প্রতারণার স্থান নেই। কোনো মুসলমান ধোঁকা দিতে পারে না। ধোঁকা মুনাফেকদের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ তায়ালা প্রতারণার জন্য কঠিন শাস্তির কথা বলেছেন। রাসুলের যুগে মুনাফেকরা মুখে বলত আমরা আল্লাহকে, আল্লাহর নবীকে এবং এই কোরানকে মানি, কিন্তু তারা বাস্তবে তা মানত না।
 
 
এ পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ বলেন, ‘তারা যদি তোমাকে ধোঁকা দিতে চায়, তবে আল্লাহই তোমার জন্য যথেষ্ট। তিনিই নিজে সাহায্য করে তোমাকে শক্তিশালী করেছেন।
 
 
রাসুল (সা.) ধোঁকা ও প্রতারণাকারী সম্পর্কে কঠোর বাক্য উচ্চারণ করেছেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ধোঁকাবাজ ও প্রতারণাকারী জাহান্নামে যাবে। মুসলমানদের পারস্পরিক লেনদেন, চালচলন, আচার-ব্যবহার, জীবনাচরণ প্রভৃতি সম্পর্কে ইসলামের সুস্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। কোনো ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রতারণার মাধ্যমে যে জীবিকা উপার্জন করা হয়, তা সম্পূর্ণরূপে হারাম। এ নীতিমালা লঙ্ঘন করে ইসলামে প্রতারণার আশ্রয় নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। হারাম রুজি খেয়ে ইবাদত করলে তা কবুল হয় না। যে ধরনের ক্রয়-বিক্রয় বা লেনদেনে ধোঁকা দেয়া হয় বা একপক্ষ অন্যপক্ষের ক্ষতি করে, এমন প্রতারণামূলক ক্রয়-বিক্রয় ইসলামে নিষিদ্ধ।
 
 
যে লোক প্রতারণা করে, তাকে কেউ বিশ্বাস ও ভক্তি-শ্রদ্ধা করে না। সবার কাছে সে উপেক্ষিত ও ঘৃণিত ব্যক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ফলে প্রতারক ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা দারুণভাবে ক্ষুণ্ণ হয় এবং সে সমাজে সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব হয়ে যায়। যারা প্রতারণামূলক অপরাধে জড়িয়ে পড়বে, তারা ইসলামী আদর্শের বিরোধী পক্ষ। কোনো প্রকৃত মুসলমান প্রতারণার আশ্রয় নিতে পারে না।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
ধর্মতত্ত্ব পাতার আরো খবর

Developed by orangebd