ঢাকা : রোববার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • মেক্সিকোতে শক্তিশালী ভূমিকম্প          এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ এপ্রিল          শিক্ষকদের হাতেই রয়েছে জাতির ভবিষ্যত : প্রধানমন্ত্রী          তিন হাজার বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে          পাবলিক পরীক্ষায় অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী           সালেই বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে : মেনন
printer
প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি, ২০১৭ ১২:০১:১৭
সাহিত্যিক ফাহমিদা আমিন সাহিত্যাকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র
মো. কামাল উদ্দিন


 


বিশিষ্ট লেখিকা বাংলাদেশের রম্য সাহিত্যের অন্যতম রম্য লেখক সফল নারী অসংখ্য সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সংগঠনের অভিভাবক নারী লেখকদের অহংকার  সাহিত্যিক ফাহমিদা আমিন সাহিত্যের আকাশে নক্ষত্র ছিলেন। তিনি কান্নারত মানুষকে হাসাতেন। আজকে সেই সাহিত্যিক নিজেই হাসতে হাসতে বাংলাদেশের সাহিত্য প্রেমীদেরকে কাঁদিয়ে চিরতরের জন্য চলে গেলেন। আমাদের সাহিত্য অঙ্গনে এ ধরনের মহুসি নারী আমরা আর পাবো না। তিনি আমাদের  কাছ থেকে চিরতরে বিদায় নিলেও তার সৃষ্টিকৃত সাহিত্যির  মাধ্যমে  আমরা তাকে কাছে পাবো। লেখিকা ফাহমিদা আমিন তিনি শুধু একজন লেখিকা নন, তিনি একজন মনেপ্রাণে মুসলমান যেমন ছিলেন তেমনি ছিলেন অসম্প্রদায়িক এবং খাঁটি বাঙ্গালি। তেমনি সফল গৃহিনী, সফল মা, সফল সমাজসেবীকা, সফল আদর্শ নারী ছিলেন। তার সাথে আমার সাহিত্যের সম্পর্কটা অনেক আগে থেকেই। উনার লেখা যেখানেই দেখতাম আমি সেখান থেকেই লোপে নিতাম। তার লেখার কথার গভিরতা যেমন ছিল তেমনি লেখার  মধ্যে  তথ্য-উপাত্ত থাকতো অনেক বেশি। তার লেখার সাহিত্যরস ভোগ করে নাই চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশে পাঠকের সংখ্যা খুবই কম। উনি মানুষকে হাসাতে যেমন পারতেন, তেমনি বিবেগতাড়িত লেখার মাধ্যমে মানুষকে আবেগ আপ্লুত করতেন। উনার সরাসরি সান্নিধ্যে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল বিগত ২০০২ সালে ২৮ শে জুন। শৈলী প্রকাশনা কর্তৃক আয়োজিত লেখকের মানসগঠনমূলক কর্মশালার অংশগ্রহণপূর্বক চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমীর মিলনায়তনে লেখক স্বীকৃতি সনদ গ্রহণকালে। ঐসময় বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক আলী ইমামসহ সুনামধন্য সাহিত্যিকগণ উপস্থিত ছিলেন। সে থেকেই উনাকে আমি অনুসরণ করতাম। বিশেষ করে চট্টগ্রাম একাডেমীর কর্মকা-ে, বইমেলা, সাহিত্য আসরসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উনাকে খুব কাছে থেকে অবলোকন করতাম। আমার সুভাগ্য হয়েছিল সেই সাহিত্য নক্ষত্র  ফাহমিদা আমিনকে  শৈলী প্রকাশন থেকে প্রকাশিত আমার লেখা  “নারী কথা” ও “টক্টক্ কথা” প্রবন্ধ গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে আনতে পেরে তিনি আমার প্রতিটি লেখা পর্যালোচনা করেছিলেন। লেখা লিখি যাওয়ার উৎসাহিত যেমন করেছিলেন তেমনি পরমর্শ ও দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন লেখতে হলে পড়তে হবে। একজন লেখক সাধারণ পাঠকের চেয়ে বেশি পড়তে হয়। এছাড়াও উনার সাহিত্য ভান্ডারের প্রতিটি শব্দ আমার জন্য শিক্ষানীয় ছিলো। আজ উনি আমাদের কাছ থেকে চলে গেলেও তার প্রতি শ্রদ্ধা, আন্তরিকতা, ভালোবাসা আজীবন থাকবে। আমি তার বিদায়ী আত্মার মাহফেরাত কামনার পাশাপাশি তার স্মৃতির প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
মুক্ত কলম পাতার আরো খবর

Developed by orangebd