ঢাকা : শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি, ২০১৭ ১৬:২৮:২৪
পুলিশ সেবায় গণমূখী হলে জনগণ উপকৃত হবে
মাহমুদুল হক আনসারী


 


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন শৃংখলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে আইনশংখলা বাহিনীর অংশ পুলিশ সেকটর। পুলিশ এদশের জনগণের একটি অংশ, তারাও এদশের নাগরিক, দেশের শিক্ষা, দিক্ষা, আলো বাতাস সাংস্কৃতিতে তৈরী হয়ে দেশ সেবায় আত্ম নিয়োগ করছে, পুলিশ জনগনের নিকট আলো, বাতাসের মত নিত্যদিনের সঙ্গী, মানুষ ও সমাজের মধ্যে থেকে পুলিশের জন্ম ও দায়িত্ব। পুলিশ ছাড়া আইন শংখলা রক্ষা করা একটি স্বাধীন দেশের পক্ষে সম্ভবনা। সরকার, সমাজ ও দেশকে শৃংখলায় রাখতে হলে অবশ্যই সু-শৃংখল গনমূখী পুুলিশ বাহিনী দরকার। স্বাধীনতার ৪৫ বছরে পুলিশ বাহিনীর অব্যহতভাবে উন্নয়ন অগ্রগতি কম হয়নি। বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী নামে, কর্মে দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে সুনাম অর্জন করছে, পুলিশ নামক বাহিনীকে জনগন এখনো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভয় করলেও এ ভয় পর্যায়ক্রমে নেেেম আসছে, সঠিক তথ্য  তত্ত্ব না থাকলে এ বাহিনী অন্যায় ভাবে নিরীহ জনগণকে হয়রানী করছেনা। দায়িত্বের কারনে রাষ্ট্রের শৃংখলা রক্ষায় পুলিশ দিনরাত সেবা দিয়ে যাচ্ছে, বেশ কিছু সংখ্যক পুলিশ কর্মকর্তার সাথে আলাপ আলোচনায় দেখা যায় তাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য চিন্তা, জনগণের প্রতি ভালবাসার ঘাটতি দেখা যায় না। মানুষ ও সমাজকে তাঁরা সঠিকভাবে সেবা দিতে চায়, কর্মসূচী বাস্তবায়নে এ বাহিনীর কতিপয় লোভী সদস্য তাদের উপর অর্পিত রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে সঠিক আমানত ঠিক মত রক্ষা করছে না। লোভে পড়ে তারা কোন কোন ক্ষেত্রে নিরীহ জনগণকে নানাভাবে হয়রানী করে এমন তথ্যও আমরা পাই। এটা শুধু মাত্র পুলিশ বাহিনীর ক্ষেত্রে বলে কথা নয় এ অভিযোগ প্রশাসনের সব ক্ষেত্রেই দেখা যায়। প্রশাসনের অন্য সেকটর সমূহ পর্দায় কাজ করে আর পুলিশ বাহিনী জনগনের প্রতিটি রন্দ্রে রন্দ্রে কাজ করে বলে তাদের কিছু অনিয়ম সহজেই  মানুষের চোঁখে পড়ে। তাই তাদের সমালোচনা দুর্নামটাও বেশী। প্রশাসনে এমন কোন সেকটর নেই যেখানে জন ভোগান্তি হচ্ছে না। সে তুলনায় পুুলিশ বাহিনীর সেবার সাথে দু-একটি অভিযোগ জনভোগান্তি থাকাটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে ২০১৭ সালের পুলিশ সপ্তাহে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় কন্ঠে এ বাহিনীর উদ্দেশ্য যা বলেছেন তাঁর বক্তব্য সব কিছুই স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পুলিশকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জঙ্গী, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য অহেতুকভাবে মানুষকে হয়রানী বন্ধ করতে হবে। সেকেলে চিন্তা চেতনা পরিহার করে  উন্নত সমাজের সাথে তাল মিলিয়ে জনগনের নিরাপত্তা বিধানে আরো সক্রিয় হতে হবে। শান্তিপূর্ণ, শান্তিময়, আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠায় যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এ বাহিনীকে অব্যহতভাবে এগিয়ে যেতে হবে। মানুষ যখন সমাজে নানাভাবে জুলুম, নির্যাতন, অন্যায়ভাবে আঘাত পেতে থাকে তখন আইন শৃংখলা বাহিনীর শরনাপন্ন হয়। তখন নিরীহ মানুষের আশ্রয়স্থল পুলিশ বাহিনী, এ বাহিনী তাই জনগনের কাছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং আশার স্থল। স্বাধীন দেশের স্বাধীন পেশার অধিকারী পুলিশ বাহিনী এ দেশের গৌরব এবং নির্যাতিত মানুষের বন্ধু, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ বাহিনীর সম্ভব্য সকল দাবী দাওয়া পূরণের আশ^াসের বানী শুনিয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী বাহিনী স্বাধীনতার পর বিগত সব সরকারের শাসন আমলের মধ্যে বর্তমান সরকারের সময় সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে। তারা রাষ্ট্রেকেও তাদের নিষ্ঠা ও দক্ষতা দিয়ে সেবা দিচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীকে অন্য প্রশাসনিক দপ্তরের মত ভাবলে পরিচালনা করলে হবেনা। দিবরাত ২৪ ঘন্টা যে বাহিনী জনগনের নিরাপত্তায় ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে, সেবা প্রদানে নিয়োজিত আছেন তারাই হলেন পুলিশ বাহিনী। সমাজে নানাভাবে এ বাহিনী নিয়ে বক্তব্য মন্তব্য থাকলেও এর সাথে কোন কোন ক্ষেত্রে সমাজের সচেতন মহল একমত পোষন করেন না। ঝড়, বৃষ্টি, রোদ, অন্ধকার, আলো, ঠান্ডা, গরমে এ বাহিনীই জনগণের পাশে থাকে। জনগণের আপদে-বিপদে কল্যানে দুর্দিনে এ বাহিনী এগিয়ে আসতে দেখা যায়। একটা কথা সমাজে বেশী প্রচলিত ও শুনতে পাওয়া যায়। পুুলিশ শুধু নিরীহ মানুষকে হয়রানী করছে এ বাক্য স্লোক অনেক দিনের পূরনো শব্দ। এখন এমন আচরন যত্র তত্র শুনা যায় না। কতিপয় স্থানে জায়গায় দু-একটি চোখে পড়লেও তার জন্য কতিপয় পুলিশ সদস্যই দায়ী। গোঠাবাহিনীর সুনাম তাদের সাথে একমত না। অনেকের অনেকমত থাকতে পারে। তবে পুলিশ ও আইন শৃংখলা বাহিনী নিয়ে যারা সমাজে বিভাজন ও শৃংখলা ভঙ্গ করতে চায়। আমি তাদেরও সমালোচনা করছি, করব। বর্তমানে যেভাবে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, শিশু-নারী প্রতি সহিংসতা, মাদক, চোরা চালান অসৎ মানুষের চিন্তাচেতনা বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে পুলিশ প্রশাসনের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছে। এ বাহিনী সঠিক সময়ে সঠিকভাবে এগিয়ে না আসলে সমাজে সেই জাহেলী যোগকেও হার মানাতো। শান্তিপ্রিয় মানুষের ভরসার স্থল আইন শৃংখলা বাহিনী। কী পরিমাণ সমাজে খারাপ অসৎ লোকের চিন্তা চেতনা তা চোখে না দেখলে বলা যাবে না। সেই দিন অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারী ২০১৭ ইং বিকেল ৫:৫৫ মিনিট তখন ঘড়ির কাটায়। এক নারকীয় ঘটনা চোখের সামনেই, আন্দরকিল্লা, সিটি কর্পোরেশন সম্মুখ, চেরাগী পাহাড় মোড়, জামালখান, মুমিন রোড, তখন এক আতংকের স্থানে পরিনত, মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে এ এলাকায় যারা যাচ্ছিল তখন তারা হত বিহ্বল হয়ে দিক বিদিকভাবে ছুটাছুটি করতে দেখা যাচ্ছে। ২০-২৫ জনের ১৫-২০ বছরের কিছু উচ্ছিৃংখল ছাত্র-যুবক, ছুরি, কিরিচ, লাঠি-সোটা নিয়ে মুমিন রোড, চেরাগীতে দু-পাশে দোকান, অফিস, হকার ফেরীওয়ালাদের ভাংচুর করতে করতে এক আতংকজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করল। আমি তখন দৈনিক নয় বাংলা পত্রিকা অফিসে যাওয়ার জন্য আন্দরকিল্লা থেকে ঐ দিকে যাচ্ছিলাম। ভাংচুর দেখে আর নয়া বাংলা অফিসে যাওয়া হল না। তখন মাগরিবের আযান হচ্ছিল। নামাজ পড়ার জন্য মদম মোবারক মসজিদে ঢুকলাম। ওযু করে নামাজ শেষ করলাম, তখন দেখি এলাকা লোক শূন্য। ভয়ে কেউ ঐ উচ্ছৃংখল যুবকদের সামনে প্রতিরোধে কেউ এগিয়ে আসেনি। সকলেই নিজ নিজ নিরাপদ স্থানে অবস্থান নিয়ে তাদের উচ্ছৃংখলতা অবলোপন করতে দেখা গেছে। প্রায় ২০ মিনিট পর আইনশৃংখলা বাহিনীর লোক আসল চেরাগী মোড়ে। তখন সন্ত্রাসী উচ্ছৃংখল যুবকরা ভাংচুর যা করার তা শেষ করে চলে গেল। যদি পুলিশ বাহিনী আসতে আরো দেরী করত তাহলে এলাকায় জান মালের আরো ক্ষতি করত তারা। এভাবে একটি কু-চক্রী মহল উৎপেতে আছে নাগরিক শৃংখলা ভঙ্গ করে সমাজ রাষ্ট্রকে অস্থির করার জন্য। রাষ্ট্রের আইন শৃংখলা বাহিনী সেটা অবগত আছে। রাষ্ট্রের এ বাহিনী রাষ্ট্র ও সরকারকে নিরাপত্তা দিতে সর্বোচ্চভাবে সর্তক আছে বলে জনগন মনে করে। তাই অতীতে যে কোন ধরনের আইন শৃংখলা বিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সাহসিকতার সাথে মোকাবিলা করে তাদের পরিকল্পনা ধ্বংস করে দিয়েছে, চট্টগ্রাম সহ সারা দেশে নানাভাবে আইন শৃংখলার অবনতি ঘটিয়ে সরকার ও রাষ্ট্রকে অস্থির করতে যারাই তৎপর তাদের ব্যাপারে এ বাহিনী খুবই সতর্ক তাই তাদের কু-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হচ্ছে না। মহান এ পেশায় নিয়োজিত থেকে রাষ্ট্র জনগনকে আইন শৃংখলার সেবা দিয়ে এ বাহিনী নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তবে তাদের সেবার মান বাড়াতে হবে। তাদের নিকট গেলেই যেন অর্থের প্রস্তাব না দেয়া হয়। সব জায়গায় অর্থ চাওয়াটা ভালভাবে কেউ দেখে না। নাগরিক সেবার জন্য গঠিত এ স্পর্ট সমূহ যেন জন ভোগান্তির কেন্দ্র না হয়। মিডিয়াসহ নানা জনের নিকট শুনতে পাওয়া যায়, সেবা কেন্দ্র সমূহে অহেতুক ও অন্যায়ভাবে সাধারণ মানুষদের হয়রানী করা হয়। অন্যায়ভাবে মামলায় নাম দিয়ে নিরীহ মানুষদের হয়রানী, মামলা গ্রহণ, তদন্ত, রিপোর্ট, ইত্যাদি কমকান্ডের আরো সেবা বৃদ্ধি করা দরকার। রাস্তা ঘাটে তল্লাশীর সময় কিছু কিছু সময় ও স্থানে অহেতুক কিছু আচার ব্যবহার নিজেদেরকেও ভাবিয়ে তুলে। সচেতন মানুষ এসব আচরণ দেখে অনেক সময় এ বাহিনীর প্রতি বিরুপ মন্তব্য করতে দেখা যায়। সামান্য অর্থের লোভে যখন যা দরকার তখন যা তা করা থেকে বিরত থাকাটা ও জনগন চায়। সম্পূর্ণভাবে জনগনের টেক্সের টাকায় লালিত এ বাহিনীকে আরো জন মানববান্ধব শৃংখলাপূর্ণ হতে হবে। স্বাধীনতার পর হতে অদ্যাবধি যারাই দেশে শাসন করেছে প্রত্যেকেই এ বাহিনীর সুবিধা অসুবিধা পূরণ করেছে। বর্তমান সরকার তাদের দাবী পূরনে আরো সক্রিয়। সুতরাং রাষ্ট্র ও জনগন তাদের থেকে আইনানুগভাবে যা চায় তাই করা উচিৎ বলে জনগণ মনে করে এ বাহিনীর অর্জন লিখে শেষ করা যাবে না। এটা তাদের দায়িত্ব। ধন্যবাদ আলোচনা সমালোচনা থাকবেই। এটা না থাকলে সমাজ রাষ্ট্র অন্ধ হয়ে যাবে। যাদের চোখ আছে তারা বলবে দেখাবে তাদের পরামর্শ আন্তরিকভাবে নিতে পারবে সকলেই উপকৃত হবে। বাঁকা চোখে দেখার মত কিছুই নেই। পুলিশ ও মানুষ, মানুষ থেকেই পুলিশ তারা সব মানুষের মত সব দিক চিন্তা গবেষণা বুদ্ধি করেই চলে। জনগন চায় তারা তাদের এ সেবামূলক কর্মকান্ডকে আরো বেগবান করে শান্তিপ্রিয় মানুষদের সেবা দেবে। অসৎ-খারাপ, সন্ত্রাসী-জঙ্গী, মাদকবিরোধী অভিযান আরো জোরদার করবে। পুলিশ যেন ক্ষমতাবান, অর্থের পুজারী, খারাপ মানুষদের রক্ষক না হয়। পুলিশের অব্যহত আন্তরিকতা ভালোবাসা, ত্যাগ, নিষ্ঠা ও আনুগত্য আরো বৃদ্ধি করতে হবে। স্বাধীন দেশ, স্বাধীন দেশের মানুষদের সুখ-দুঃখের সাথী হচ্ছে এ বাহিনী। মানুষ মন খুলে ব্যবসা বানিজ্য চাকুরী, কর্মকান্ড, পেশা সঠিকভাবে বাঁধাহীনভাবে পালন করতে এ বাহিনীর সহযোগিতা সদা দরকার। পানি, বাতাস, লবণ ছাড়া মানুষ যেমনি ভাবে চলতে পারে না আইন শৃংখলা বাহিনী ছাড়াও মানুষ চলতে পারে না। যে যতই এ বাহিনীর সমালোচনা করুক না কেন, এ বাহিনী ছাড়া সমাজ, রাষ্ট্র, মানুষ অচল তাই পুলিশ তথা জনগনের সাথে সু-সম্পর্কে থাকতে হবে। সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, নৈরাজ্য ঠেকাতে পুলিশ জনগনের সু-সম্পর্কের বিকল্প নেই। অর্থকে সবকিছুর মাপকাঠি হিসেবে নিলে সে সমাজ আদর্শিক সমাজ হিসেবে স্থায়িত্ব হতে পারে না। জনগন পুলিশ  সকলকেই  আইনকে শ্রদ্ধা করেই রাষ্ট্র ও জন সেবায় কাজ করতে হবে। সমাজে বলা হয় পুলিশের কাছে জনগন জিম্মি, এ কথা কেন শুনতে হবে? পুলিশ বা আইন শৃংখলা বাহিনীর নিকট জনগন জিম্মি হবে কেন? পুলিশের  নিকট জনগন মুক্তি শান্তি পাওয়ার জন্যইতো যাবে। পরিত্রান, শান্তি, ভালোবাসার জন্যই পুলিশের নিকট জনগন শরনাপন্ন হবে। সেখানে জিম্মি হবে কেন? এ ধরনের বক্তব্য কাজ হতে জাতি মুক্তি চায়। এ প্রকারের আচার আচরণ থাকলেও পুলিশকে তা সুধরাতে হবে। সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রের কর্মচারী জনগনের সেবক এ মন মানসিকতার ভিত্তিতেই কাজ করলে রাষ্ট্র জনগন এ বাহিনী থেকে আরো সেবার মান বাড়বে। পুলিশ যেমন স্বাধীন দেশের জনগন ও একইভাবে এ অধিকার পাওয়া জনগনের দাবী। স্বাধীনতার সুফল সকলের সমানভাবে পাওয়ার অধিকার রাখে। সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করে তাদের উপর অন্যায়ভাবে হয়রানী কোন অবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়। পুলিশের দায়িত্ব পালনে আরো আন্তরিক, আরো নিবেদিত, আরো সক্রিয় হওয়া জনগনের দাবী। রাষ্ট্র ও জনগনের এ সেবামূলক দায়িত্ব পালনে অবৈধ অর্থ লেনদেন বন্ধ করতে হবে। অর্থের লেনদেনের ফলে সঠিক ও ন্যায় বিচার হতে ভোক্তাভোগী অসহায় মানুষ সঠিক বিচার হতে বঞ্চিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর বক্ত্যের মাঝে সবকিছুই পাওয়া যায়। যদি গভীরভাবে তাঁর বক্তব্য অনুধাবন করে সর্ব প্রশ্ন ও উত্তর এখানে সকলের জন্য মিলবে। আমাদের উচিৎ হেব সব জায়গায় সব ক্ষেত্রে সেবার মন মানসিকতা নিয়ে চলা। সেবার মন না থাকলে কখনো সরকারী চাকুরীতে আসা উচিৎ নয়। সরকারী চাকুরীজীবী জনগনের গোলাম। জনগকে তার ন্যায্য অধিকার দেয়া তার নৈতিক দায়িত্ব সেটা না করা, না দেয়া অপরাধ, সেখানে অন্যায় আবদার ও লেনদেন আরো মারাত্মক অপরাধের সামিল। মন ও মানসিকতায় এ আচরণ সমূহ পরিহার করতে হবে। তবে রাষ্ট্র সমাজ, দেশ, মাটি, আরো সমৃদ্ধি উন্নতি অর্জন করবে। উপর থেকে নিচে পর্যন্ত সব কর্মকর্তার মাঝে সোবার মন মানসে ঐক্য শৃংখলার বিশ^াসকে আরো দৃঢ় করতে হবে। বিশ^াসকে পাকাপোক্ত করতে হবে। কোন দল, রাজনীতির চিন্তা চেতনায় না থেকে স্বাধীনতার পক্ষে, মাতৃভূমি, মা মাটির দরদে আপন আপন দায়িত্ব পালন করলে দেশ আরো সমৃদ্ধি, আরো উন্নতি অগ্রগতিতে এগিয়ে যাবে। সাথে জনগন, সরকারী কর্মকর্তা, কর্মচারী সকলেই এগিয়ে যাবে। দেশের নাম, সুনাম, প্রশংসা বৃদ্ধি পাবে। রাজনীতি, অর্থনীতি, শিল্প কারখানা আরো এগিয়ে চলবে। দেশের সার্বিক উন্নতি অগ্রগতি আইন শৃংখলা বাহিনীর যথাযথ ভূমিকা ছাড়া সফল হবে না। অফিস, আদালত, মিল, ইন্ডাস্ট্রিতে এ বাহিনীর ভূমিকা আছে। একটি মহল চায় দেশের শিল্পকারখানা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ধ্বংস করে দেশকেআবার সেই পাকিস্তানী শাসনের দিকে নিয়ে যেতে মানুষ তখন যেভাবে অনাহারে ধুকে ধুকে মরছিল একইভাবে আবার এ জাতিকে একটি মহল পিছনে নিয়ে যেতে চায়। ঐ ষড়যন্ত্র থেকে আমাদের বাহিনী ও সচেতন মহলকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। কোন অবস্থায় দেশকে পিছনের দিকে নিয়ে যেতে দেয়া যাবে না। দেশ যেভাবে নানাভাবে সমৃদ্ধিতে এগুচ্ছে এভাবে এগুবার জন্য আইন  শৃংখলা বাহিনীর সাথে শান্তিপ্রিয় জনগনকে সসম্পৃক্ত করে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকবে হবে। এ জায়গায় সকলকেই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পুলিশ, প্রশাসন, জনগন সম্মিলিতভাবে দেশের সার্বিক উন্নতি অগ্রগতিতে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকায় রাখতে হবে। অন্যথায় উন্নয়ন বিরোধী কু-চক্রী মহল তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সফল হবে। পুলিশ জনগন সম্পর্ক আরো জোরদার করতে হবে। পুলিশী ভয় ভীতি থেকে জনগনকে মুক্ত করে জনগনের পুলিশে পরিণত করতে পারলেই এ বাহিনীর গৌরব আরো বাড়বে।
লেখক : মাহবুবুল হক আনসারীসংগঠক, গবেষক, কলামিস্ট। ই-মেইল : mh.hoqueansari@gmail.com

printer
সর্বশেষ সংবাদ
মুক্ত কলম পাতার আরো খবর

Developed by orangebd