ঢাকা : শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১২:১২:০০আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১২:২১:৪৫
নদী ও জলাভূমি রক্ষা করতেই হবে
ম ইনামুল হক

 

বাংলাদেশ পানিতে ভাসা দেশ। সাগর থেকে জাগা দেশ। অবিরাম বৃষ্টিপাতের দেশ। উজান থেকে নদীতে বয়ে আসা পলিমাটির দেশ। উত্তরের সুউচ্চ হিমালয় পর্বতমালা থেকে দক্ষিণের সাগরপাড়ের বনভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত বিশ্বের উর্বরতম দেশ। সুজলা-সুফলা এ বাংলা তাই বিশ্বের ঘনবসতিতম দেশ। এর সমতল পলিমাটির বুক চিরে বেয়ে চলছে অজস্র নদ-নদী। এর পর খাল-বিল আছে শত শত। এটিই ছিল বাংলার রূপ। সহস্র সহস্র বছর ধরে বাঙালির জীবন-সমাজ-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য ও অর্থনীতিতে নদীই প্রধান ভূমিকা পালন করে গেছে। বাঙালির জীবন কেটেছে নদীর জলে স্নান করে-সাঁতার কেটে, বাঙালির গ্রামগঞ্জগুলো গড়ে উঠেছে নদীর পাড়ে পাড়ে। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের রসদ বয়ে নিয়ে এসেছে নদী, নদী তার যাতায়াতের পথ। বাঙালির ব্যবসা-বাণিজ্য চলেছে নদীকে নির্ভর করে। তাই বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্য নদী। তবে সে নদীর একূল ভাঙে ওকূল গড়ে, তাই তার নাম কীর্তিনাশা।
বাংলার প্রধান নদী গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র এবং হিমালয় থেকে উৎপন্ন তাদের উপনদীগুলোর উত্পত্তি হিমবাহ গলিত ঝর্ণা থেকে। গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদী ভাটির পথে যেতে যেতে পাহাড় ও সমতল থেকে আসা উপনদীগুলোর সঙ্গে মিলিত হয়ে ফুলেফেঁপে বড় হয়েছে। মধ্যভারত থেকে উত্পন্ন গঙ্গা নদীর উপনদী এবং লুসাই পাহাড় থেকে উত্পন্ন ব্রহ্মপুত্র নদের উপনদীগুলোর উত্পত্তি পাহাড়ের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা ঝর্ণা থেকে। বাংলাদেশের স্বাধীন নদী যেগুলো লুসাই পাহাড় থেকে উত্পন্ন, তারাও বেরিয়ে এসেছে পাহাড়ি ঝর্ণা থেকে। বাংলাদেশ ও ভারতের সমতলে উত্পন্ন নদীগুলোর উত্পত্তি প্রাকৃতিক জলাভূমি থেকে। এগুলোকে আমাদের দেশে বিল বলা হয়। এই বিল বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র আছে। যেহেতু বাংলার সমতল বড় নদীগুলোর পলিতে গঠিত, সেহেতু এ বিলগুলোর পাশেই বা চতুর্দিকেই বড় নদীগুলোর শাখা নদী আছে। বন্যার সময় উজান থেকে বয়ে আনা পলি নদীতীরের পাড় উপচে মাঠের দিকে যায় বিধায় শাখা নদীগুলোর পাড় মাঠ থেকে উঁচু। এ নিচু মাঠগুলোতেই বিলগুলোর অবস্থান। ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ধরে বাংলাদেশের বিশাল এলাকা বিদ্যমান ‘ডাউকি-চ্যুতি’র কারণে ক্রমশ দেবে যাচ্ছে। তাই ওই এলাকা বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে নিচু। ওই এলাকা পাহাড় থেকে আসা দুই নদীর মাঝে যেখানে অনেকগুলো বিল আছে, সেই স্থানগুলোকে ‘হাওড়’ নামে চিহ্নিত করা হয়। বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে বড় নদীগুলোর অনেক পরিত্যক্ত বাঁক আছে। ওই বাঁকের জলাভূমিকে বাঁওড় বলা হয়।
বিশ্বে প্রাকৃতিক সম্পদ বলতে পানিই সবচেয়ে আদি ও অফুরান। কারণ প্রতি বছর প্রাকৃতিক চক্রে পানি সাগর থেকে বাষ্পীভূত হয়ে বৃষ্টির আকারে ভূমিতে পতিত হয় এবং নদীতে প্রবাহিত হয়ে আবার সাগরে যায়। এর ওপরই নির্ভর করে এক একটি এলাকায় গড়ে উঠেছে জীব পরিবেশ। কিন্তু ক্রমবর্ধমান মানুষের সংখ্যা বিশ্বের জীব পরিবেশের ভারসাম্যকে নষ্ট করে দিয়েছে। মানুষ অন্যান্য পশুপাখির আহার আত্মসাত্ করে নিজেরাই বেড়ে চলছে। মানুষ এর পরও যা করছে, তাহলো নিজেদের ক্রমবর্ধমান ভোগ-লিপ্সার জন্য কৃত্রিমভাবে খাদ্য ও ভোগসামগ্রী উত্পাদন করছে ও তার জন্য সুপেয় পানির বার্ষিক জোগানে হস্তক্ষেপ করছে। মানুষ ড্যাম নির্মাণ করে নদীর পানি আটকাচ্ছে, ব্যারেজ নির্মাণ করে সেচ প্রকল্পে ও শহরে নিয়ে যাচ্ছে, নদীর পানি তুলে নিয়ে শিল্পে ব্যবহার করে বিষাক্ত তরল বর্জ্য ফিরিয়ে দিচ্ছে। ফলে দিকে দিকে নদীগুলো শুকিয়ে ও দূষিত হয়ে সুপেয় পানির অভাব সৃষ্টি হচ্ছে।নদী ও জলাভূমি রক্ষা করতেই হবে
বাঙালির জীবন মাছে-ভাতে। এই মাছ ও ভাত উভয়ই আনে নদী। বাংলার জমিতে ধান, গাছে ফল, নদীতে মাছ। বাঙালি জন্মে তাই জ্ঞান হওয়ামাত্র সবার আগে যাকে চেনে, সে তার নদী। এই নদী তার বাড়ির অনতিদূরে, একটি সীমানা, তার চলাচলে পড়ে। সাঁকো বা নৌকায় পার হতে হয়। এই সেই নদী, যাকে নিয়ে সে গল্প শোনে বুড়োদের মুখে। কী ছিল তার রূপ, কী ছিল তার স্রোত। কোনো এক অতীতে, বর্ষাকালে। এখন বর্ষাকালে পানি থাকলেও শীতকালে প্রায় পুরোটাই ধানক্ষেত। নদীর পেটের মধ্যে সামান্য এক ধারঘেঁষে স্রোত চলে, নৌকা চলে। অনেকের বাড়ির কাছেই এমন নদী আছে, যেখানে বছরব্যাপী নৌকা চলত, এখন কেবল বর্ষাকালেই চলে। বাংলার আদি রূপ ছিল নদীময়, জলময়, আর বনময়। বাংলার সেই আদি রূপ আর নেই। বাংলার আগের যতসব নদ-নদী, খাল-বিল তাদের অনেকগুলোই এখন মৃত। যত না প্রাকৃতিক কারণে, মানুষের কারণেই বেশি, এসব মৃত। যেসব ধারা বা জলা এখনো অবশিষ্ট আছে, তাদের অনেকগুলো কেবল বর্ষাকালে জেগে ওঠে। সেখানে বৈশাখে নয়, বর্ষায় হাঁটুজল থাকে। বৈশাখে তারা একেবারেই মৃত।
বঙ্গীয় সমতলের অধিকাংশ নদ-নদী গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার উপনদী অথবা শাখা নদী। বাংলার উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর দিকে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের উপনদীগুলোর অবস্থান। বাংলার দক্ষিণ দিকে এই দুই নদীর শাখা নদীগুলোর অবস্থান। বাংলার উত্তর-পূর্ব অংশে মেঘনা নদীর উপনদীগুলোর অবস্থান। বাংলাদেশকে চারটি নদী অববাহিকায় ভাগ করা হয়, যথা— গঙ্গা অববাহিকা, ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা, মেঘনা অববাহিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব নদীগুলোর অববাহিকা। বাংলার সমভূমিতে কিছু স্বাধীন নদী পশ্চিমে ছোটনাগপুর থেকে উত্পন্ন হয়ে এবং পূর্বে লুসাই পাহাড় থেকে উত্পন্ন হয়ে সরাসরি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। বর্ষাকালীন বৃষ্টিপাত বন্ধ হলে নদীগুলোর প্রবাহ কমে যায় ও গ্রীষ্মকালে নদীগুলোর তলানি প্রবাহ থাকে। গঙ্গা নদীর বর্তমান তলানি প্রবাহ ২৭ হাজার কিউসেক, ব্রহ্মপুত্র নদের ১ লাখ ২০ হাজার কিউসেক, মেঘনা নদীর ১০ হাজার কিউসেক ও অন্যান্য নদীগুলোর তিন হাজার কিউসেক মাত্র। বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্র প্রায় ৭৫ শতাংশ তলানি প্রবাহের উত্স, যা অভ্যন্তরীণ প্রয়োজন ও মোহনার বাস্তুপরিবেশের জন্য অপরিহার্য।
বাংলাদেশের নদীগুলো হাজার হাজার বছর ধরে প্রবাহিত হচ্ছে। এ প্রবাহের ওপর আমাদের জনবসতি, কৃষি, অর্থনীতি ও যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। তাই সুপেয় পানি যেমন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য জন্মগত অধিকার, তেমনি নদীর প্রবাহ আমাদের ঐতিহাসিক অধিকার। কিন্তু এই অধিকার হরণ করা হয়েছে। প্রথমত. উজানে অবস্থিত আন্তর্জাতিক নদীগুলোর ওপর ব্যারেজ নির্মাণ করে পানি সরিয়ে নিয়ে সেচ প্রকল্প ও নৌপথ সচল রাখার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত. খরার সময় অভ্যন্তরীণ নদীগুলোর প্রবাহের ওপর মাটির বাঁধ দিয়ে পানি তুলে নিয়ে সেচকাজে লাগানো হচ্ছে। তৃতীয়ত. নদীর হাঁটুজল প্রবাহের উত্স বিল ও জলাশয়গুলোকে অতি নিষ্কাশন করে চাষের আওতায় আনা হয়েছে। চতুর্থত. সারা দেশে অগভীর নলকূপ বসিয়ে সেচের জন্য পানি অতি উত্তোলন করে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নামিয়ে ফেলা হয়েছে। পঞ্চমত. নদীগুলোর পাড়ের খাসজমি দখল করে ভরাট করে বাড়িঘর এবং অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। ষষ্ঠত. নদী-খাল ও জলাভূমিতে শিল্পবর্জ্য ও শহুরে কঠিন বর্জ্য ফেলে ভরাট ও চরমভাবে দূষিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের হাওড় অঞ্চলের নদীগুলোয় পাহাড় থেকে নেমে আসে প্রচুর বালি। এই বালি সারা দেশে নির্মাণকাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হলেও বিপুল পরিমাণ বালি নদী ও হাওড়গুলোর মধ্যে পড়ে অনেক হাওড় বুজিয়ে দিচ্ছে। নদীগুলোর উজানে মানবসৃষ্ট বাধার জন্য নদীর প্রবাহ কমে যাচ্ছে, নদীগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলে ষাটের দশকে দেয়া বেড়িবাঁধ স্বাভাবিক নদীপ্রবাহ নষ্ট করেছে। ফলে নদীমুখ ভরাট হয়ে কোনো কোনো ক্ষেত্রে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে। সারা দেশে অনেক নদীতে প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য বাঁধ, স্লুইসগেট নির্মাণ করা হয়েছে এবং রাস্তা তৈরি করে নদীপ্রবাহে বাধা দিয়ে নদী ভরাটের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের দেয়া ফারাক্কা ব্যারেজের কারণে পদ্মা নদী বর্ষা শেষে হঠাত্ প্রবাহ কমে বালিতে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পদ্মা নদী ভরাট হওয়ার কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলো মরে যাচ্ছে। এভাবে বাংলাদেশের নৌপথের একটি অংশ শীতকালে তলানি প্রবাহ না পেয়ে নাব্যতা হারাচ্ছে।
বাংলাদেশের ছোট নদীগুলো আরো যে বিশেষ দুটি কারণে মরে যাচ্ছে, তা হলো ভূগর্ভস্থ পানির অতি উত্তোলন ও ভূ-উপরিস্থ জলাভূমিগুলোর অতি নিষ্কাশন। ভূ-উপরিস্থ দূষিত পানি মাটির তলায় যেতে যেতে পরিশ্রুত হয়ে যায় ও মাটির গভীরে জীবাণুমুক্ত থাকে। তাই বিংশ শতাব্দীতেই অগভীর ও গভীর টিউবওয়েলের মাধ্যমে গ্রাম ও জনপদে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ শুরু হয়েছিল। পাকিস্তান আমলে ভূগর্ভস্থ পানি গভীর টিউবওয়েলের মাধ্যমে সেচ দেয়ার কাজে ব্যবহার শুরু হয়। কিন্তু এই উত্তোলন ক্রমশ বৃদ্ধি পেলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যেতে থাকে এবং ভূ-উপরিস্থ নদী ও জলাভূমির পানি ভাটিতে যাওয়ার পরিবর্তে মাটির গভীরে যেতে থাকে। ফলে জলাভূমি ও ছোট নদীগুলো ক্রমশ শুকাতে থাকে ও বড় নদীগুলোর প্রবাহ কমতে থাকে। ঢাকা শহরে ভূগর্ভস্থ পানির অতি উত্তোলন ভূ-উপরিস্থ দূষণকে টেনে নিয়ে অগভীর স্তরকে দূষিত করে দিয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সত্তরের দশকে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধির জোয়ার বয়ে যায়। সারা দেশের রাস্তার ধারের বরোপিটগুলো গমের মাধ্যমে কেটে ফেলার মহোত্সব হয়। এই সময় নদীর পানি লো লিফট পাম্পের সাহায্যে উত্তোলন করে সেচ দেয়া হয় এবং ফসল উত্পাদন বৃদ্ধি পায়। ফলে অচিরেই ছোট ছোট নদীর পানি অতি উত্তোলিত হয়ে শুকিয়ে যেতে থাকে। আশির দশকে নতুন নতুন খাল খনন কর্মসূচিতে ভাটা পড়লেও পুরনো খালগুলো সংস্কারের নামে জলাভূমিগুলো নিঃশেষ করে ফেলা হয়।
বাংলাদেশের জলাভূমিগুলো রক্ষার জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘হাওড় ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর’ আছে। তবে এই অধিদপ্তরের কাজের পরিধি অনেক সীমিত। সারা দেশে বিল ও জলাভূমি থাকলেও এ অধিদপ্তরের কর্মক্ষেত্র মাত্র কয়েকটি জেলায় শুরু হয়েছে। জনবল মাত্র ১০০ জনের কাছাকাছি। সারা দেশের বিল ও জলাভূমিগুলো রক্ষা করতে প্রতিটি জেলায় ও প্রতিটি উপজেলায় এর তদারকি থাকা দরকার। তাছাড়া এ অধিদপ্তরের নাম পরিবর্তন করে ‘হাওড় ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধিদপ্তর’ করা দরকার। আমাদের দেশে উন্নয়নের নামে উত্তরোত্তর নদী, বন ও জলাভূমি এ পর্যন্ত ধ্বংসই করা হয়েছে এবং হচ্ছে। ঢাকা মহানগরীর ভেতর ও আশপাশের অনেক জলাভূমি ভরাট করে বুজিয়ে দেয়া হয়েছে; যেগুলো এখনো আছে, সেগুলো ভরাট হওয়ার অপেক্ষায় এবং দূষণে পরিপূর্ণ। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালের আজকের জলভূমি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘দুর্যোগঝুঁকি প্রশমনে জলাভূমি’। আমরা স্বার্থসংশ্লিষ্ট সবার কাছ থেকে শুধু আলোচনাই নয়, বাস্তব ও কার্যকর পদক্ষেপ আশা করছি।
লেখক : প্রকৌশলী; সাবেক মহাপরিচালক, বাংলাদেশ পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা চেয়ারম্যান, জল পরিবেশ ইনস্টিটিউট

printer
সর্বশেষ সংবাদ
মুক্ত কলম পাতার আরো খবর

Developed by orangebd