ঢাকা : বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা           কারও মুখের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী          ২২তম অধিবেশন চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          দেশের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৯:১৮:০২
তিন দিনব্যাপী নাটোর জেলা ইজতেমা শুরু
নাটোর সংবাদদাতা


 


নাটোরে প্রথম বারের মত জেলা তাবলিগ জামাতের পক্ষ থেকে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্র“য়ারি) সকালে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে তাবলীগ জামাতের ইজতেমা শুরু হয়। তবে এর মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় জোহরের নামাজের পর। শনিবার (২৫ ফেব্র“য়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ইজতেমা। শহরের মল্লিকহাটী-তেবাড়িয়া এলাকায় নাটোর বাইপাস মহাসড়কের ধারে মারকাজ মসজিদ সংলগ্ন মাঠে এই ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বুধবার থেকেই ইজতেমা মাঠে আসতে শুরু করে মুসল্লিরা। ৫টি দেশের অতিথিসহ লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান এতে অংশ নিচ্ছে।
 
তাবলিগ জামাতের মুরুব্বি ও ইজতেমা পরিচালনা কমিটির সদস্য শরিয়ত উল্লাহ জানান, ইজতেমায় এলাকাভিত্তিক ৮টি খিত্তায় ভাগ করে ১২৬টি কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬০ হাজার মুসল্লির রাত্রি যাপনের ব্যবস্থাসহ প্রায় দুই লাখ মুসল্লিদের বয়ান শোনার জন্য বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।  
 
তিনি আরো জানান, ইজতেমায় মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, আলজেরিয়া ও সোমালিয়ার তাবলীগী মেহমান এসে পৌঁছেছেন। তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমায় বয়ান করবেন বাংলাদেশ মারকাস মসজিদের মুরব্বি মাওলানা ওমর ফারুক, মাওলানা ইউসুফ আলী, মাওলানা আব্দুল মতিন ও মাওলানা ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন।
নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, মুসল্লিদের স্বাস্থ্য সেবা ও চিকিৎসার জন্য একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে সার্বক্ষণিক একজন চিকিৎসক ও ৬ জন স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৬টি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া নেবুলাইজার ও ব্লাড সুগার পরীক্ষার ব্যবস্থাসহ ফ্রি ওষুধ সরবরাহ করা হবে। বিদেশী অতিথি সহ অন্যান্যদের জন্যে এই ক্যাম্প থেকে পানিও সরবরাহ করা হবে।
 
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নাটোর সার্কেল) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ইজতেমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৬ জন সহকারী পুলিশ সুপার, ২০ জন ইন্সপেক্টর, ১০৪ জন সাব-ইন্সপেক্টরসহ পুলিশের প্রায় সাড়ে ৪শ’ জনবল নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া বাইপাস জুড়ে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন স্থানে চেক পয়েন্ট স্থাপন, সাদা পোষাকে গোয়েন্দা নজরদারি, স্ট্রাইকিং ও রিজার্ভ ফোর্স কাজ করছে।
 
তিনি আরো জানান, পুলিশ ছাড়াও ইজতেমা ময়দানের মধ্যস্থানে র‌্যাবের একটি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া তাদের দুইটি টহল দল ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছে।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
ধর্মতত্ত্ব পাতার আরো খবর

Developed by orangebd