ঢাকা : শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • মেক্সিকোতে ভূমিকম্প : নিহত ২৪৮          রোহিঙ্গাদের ব্যাপার ঐক্যবদ্ধ হতে ওআইসি’র প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান          দু-এক দিনের মধ্যে চালের দাম কমবে : বাণিজ্যমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের প্রতি আন্তরিকতার কমতি নেই : ওবায়দুল কাদের          রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ত্যাগ করলে অবৈধ বলে গণ্য হবেন : আইজিপি          রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ নৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে : রুশনারা আলী
printer
প্রকাশ : ২১ মে, ২০১৭ ১৪:১৭:১৩
মাতৃত্বকালীন দাগের কারণ ও প্রতিকার
টাইমওয়াচ ডেস্ক


 

প্রেগনেন্সি সময়ে নারীদের তলপেটের ত্বকটি বেশ ঝুলে যায় এবং লম্বা লম্বা দাগ পড়ে যায়। সাধারণত গর্ভকালের পর অর্থাৎ সন্তান জন্মের পরে এই সমস্যাটি দেখা দেয়। অনেকের অবশ্য বেশী ওজন থেকেও এমন হয়। শরীরের ত্বকে জন্ম হয় ফাটা দাগের।
গর্ভধারণ কালে মায়েরা অনেক বেশি খাওয়া দাওয়া করেন, যার ফলে তাদের ওজন অনেক বেশি বেড়ে যায়। এছাড়া এ সময়ে ডাক্তাররা পরামর্শ দেন প্রতিদিন প্রায় ৩০০০ ক্যালরি গ্রহণ করার জন্য। অতিরিক্ত এই খাবারের কারণে ওজনটা বাড়েই। পাশাপাশি সন্তান পেটে ধারণের ফলে ত্বকের প্রসারণ ঘটে। যা গর্ভ পরবর্তী সময়ে তলপেটের ত্বক ঝুলে পড়া এবং ফাটা দাগের মাধ্যমে বোঝা যায়। তবে কিছু যত্নে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নিই এই সময়ে ঠিক কীভাবে তলপেটের যত্ন নেবেন।
 
দাগের কারণ : পেটের চামড়া চাপের কারণে ফেটে যায়। রিলাক্সিন, ইস্টেজেন ও করটিসল হরমোন বেড়ে গিয়ে মিউকোপলিসেকারাইড জমা করে। যা যোজক কলা থেকে পানি শোষণ করে। ফলে যখন টান পড়ে, তখনই ওই স্থানে দাগের সৃষ্টি হয়। কমবয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে মাতৃত্বকালীন দাগ খুব সহজেই পড়ে।
লক্ষণ : লাল রঙের ক্ষত দাগ।
জ্বালাপোড়া ও চুলকানি।
পিগমেন্টেশন কম হওয়া।
দাগের অংশটি গর্তের মত হয়ে যাওয়া।
লম্বালম্বিভাবে নাভির ওপরের অংশ থেকে নিচ পর্যন্ত দুই পাশেই দাগ হতে পারে।
প্রতিকার : সবচেয়ে ভাল কাজ করে মূলত অলিভ ওয়েল তেল। গর্ভকালীন অবস্থায় দুই বেলা অলিভ ওয়েল তেল লাগাতে পারেন। অ্যালোভেরা জেলও ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ট্রেটনইন ক্রিম, লোশন, ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্যাস্টর ওয়েলও ভাল কাজ করে। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বাজারে পাওয়া যায় এমন ক্রিমও ব্যবহার
চিকিৎসা : লেজার থেরাপি অনেকের ক্ষেত্রেই ভাল কাজ করে। তবে ভাল একজন ডার্মাটোলজিস্ট দেখাতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কিছু্ই করা যাবে না।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্য ও জীবন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd