ঢাকা : শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • মেক্সিকোতে ভূমিকম্প : নিহত ২৪৮          রোহিঙ্গাদের ব্যাপার ঐক্যবদ্ধ হতে ওআইসি’র প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান          দু-এক দিনের মধ্যে চালের দাম কমবে : বাণিজ্যমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের প্রতি আন্তরিকতার কমতি নেই : ওবায়দুল কাদের          রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ত্যাগ করলে অবৈধ বলে গণ্য হবেন : আইজিপি          রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ নৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে : রুশনারা আলী
printer
প্রকাশ : ১৭ জুলাই, ২০১৭ ১৮:১৩:৪৬
চীনা উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহবান
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, তথ্য- প্রযুক্তির এ সময়ে ই-কমার্সের মাধ্যমে বিশেষকরে জুয়েলারি, কাঠ ও মাটির তৈরি তৈজসপত্র, চিত্রকর্ম, ফ্যাশন বিষয়ক পণ্য সামগ্রী প্রভৃতি বাজারজাতকরণের সুযোগ রয়েছে এবং বাংলাদেশের উদ্যোমী এসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের এ সুযোগ গ্রহণ করে পণ্য রপ্তানিতে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তিনি চীনের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল সমূহে আরোও বেশি হারে বিনিয়োগ করার আহবান জানান।   
 
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার (আইটিসি) যৌথভাবে আয়োজিত  “ই-কমার্সের মাধ্যমে চীনে রপ্তানি বৃদ্ধি” বিষয়ক দুদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন ১৭ জুলাই ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান প্রশিক্ষন কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন। এ সময় একথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ নিযুক্ত চীন দূতাবাসের ইকোনোমিক ও কমার্শিয়াল কাউন্সিল লি গুয়াংজুন প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দুদিন এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
 
ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান প্রশিক্ষন কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের এসএমই উদ্যোক্তাদের চীনের বাজারে পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধিতেত সহায়তা করবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির ধারাকে আরোও বেগবান করার জন্য চীনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। তিনি জানান, গত ৫ বছরে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ১০০%।
 
বাংলাদেশ নিযুক্ত চীন দূতাবাসের ইকোনোমিক ও কমার্শিয়াল কাউন্সিল লি গুয়াংজুন বলেন, ই-কমার্সের মাধ্যমে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে চীন পৃথিবীর বৃহত্তম বাজার। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তারা ই-কমার্সের মাধ্যমে চীনের বাজারে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি করতে পারে। তিনি জানান, চীন সরকার এলডিসিভুক্ত দেশগুলো হতে চীনের বাজারে পণ্য রপ্তানির বিষয়টিকে উৎসাহিত করে থাকে এবং এ জন্য চীনে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ রয়েছে। তিনি আরোও জানান, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমান ছিল প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে বাংলাদেশ প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং প্রতিবছর চীনের বাজারে বাংলাদেশী পণ্য রপ্তানির পরিমাণ বাড়ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রধানত টেক্সটাইল, তৈরি পোষাক, সী-ফুড, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি হয়ে থাকে এবং বাংলাদেশকে রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরনের উপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ “এশিয়া-প্যাসিফিক ট্রেড এগ্রিমেন্ট (আপটা)”-এর আওতায় চীনে পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে থাকে। তবে চীন সরকার এলডিসিভুক্ত দেশগুলোতে হতে পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষে  সম্প্রতি “ডিউটি ফ্রি-ট্যারিফ ফ্রি এগ্রিমেন্ট” নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে এবং এলডিসিভুক্ত ৩৫টি দেশ তাদের পণ্য চীনে রপ্তানির ক্ষেত্রে এ চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়ে থাকে, যদিও বাংলাদেশ এখনও এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। তিনি বলেন, চীনের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে আরোও বেশি হারে বিনিয়োগে আগ্রহী।          
 
ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার (আইটিসি)’র প্রশিক্ষক মোহাম্মদ ইস ফিহ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষন প্রদান করেন। তিনি বলেন, চীনের বাজারে পণ্য রপ্তানির বিষয়টি খুবই প্রতিযোগিতামূলক এবং এক্ষেত্রে ই-কমার্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
 
ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম, এফসিএ, সহ-সভাপতি হোসেন এ সিকদার, প্রাক্তন সহ-সভাপতি এম আবু হোরায়রাহ এবং প্রাক্তন পরিচালক এ কে ডি খায়ের মোহাম্মদ খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
 
ডিসিসিআই’র মহাসচিব এএইচএম রেজাউল কবির সঞ্চালক হিসেবে প্রশিক্ষন কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
অর্থ-বাণিজ্য পাতার আরো খবর

Developed by orangebd