ঢাকা : বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • রোহিঙ্গা ইস্যুতে ট্রাম্পের কাছে সহায়তা চাওয়ার কোনো মানে নেই : হাসিনা          দু-এক দিনের মধ্যে চালের দাম কমবে : বাণিজ্যমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের প্রতি আন্তরিকতার কমতি নেই : ওবায়দুল কাদের          রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ত্যাগ করলে অবৈধ বলে গণ্য হবেন : আইজিপি          রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ নৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে : রুশনারা আলী
printer
প্রকাশ : ১৯ জুলাই, ২০১৭ ১১:৩৮:০১আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০১৭ ১১:৩৯:১৫
ময়মনসিংহ ১১ আসনে নেতাকর্মীদের দৌঁড় শুরু
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা


 


একাদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রায় দেড় বছর বাকি থাকলেও ময়মনসিংহের ১১টি আসনের প্রার্থিতা নিয়ে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং সংসদের বাইরে বিরোধী দল বিএনপি নেতাকর্মীদের মনোনয়ন পেতে শুরু হয়েছে দৌড়-ঝাঁপ।  
সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙা করতে তৎপর হয়ে উঠেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সংসদীয় আসন এলাকায় বইছে নির্বাচনী হাওয়া।
মনোনয়ন প্রত্যাশীরা সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ জেলায় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক কর্মকান্ড চোখে না পরলেও কিছুটা রয়েছে আর বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
দেশের অষ্টম বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু ময়মনসিংহ সদর। তাই সবার নজরও ময়মনসিংহ জেলা সদরের দিকেই। গত নির্বাচনে সদর আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হন সাবেক রাষ্ট্রপতি জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের স্ত্রী বেগম রওশন এরশাদ।
সে সময় আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। জোটের কারণে তাকে আসনটি ছেড়ে দিতে হয়। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনটি আওয়ামীলীগের দখলে রাখতে চায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
ময়মনসিংহ জেলার সংসদীয় এলাকায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে। নির্বাচনের আগে এ কোন্দল নিরসন করা না হলে নির্বাচনী মাঠে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে নামানো কঠিন হবে।
ময়মনসিংহে সংসদীয় আসন (১৪৬, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৫৯, ১৫২, ১৫৩, ১৫৪, ১৫৫ ও ১৫৬) ১১টি আসনে যারা আলোচনায় আছেন।
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিনের মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন তার পুত্র জুয়েল আরেং। তিনি আগামী নির্বাচনেও দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে নৌকার মনোনয়ন চাইবেন। এ ছাড়া হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক খানও মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। বিএনপি থেকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সে। এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা আফজাল এইচ খান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আজগর ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শিল্পপতি সালমান ওমর রুবেলও মনোনয়ন প্রত্যাশী। জাতীয় পার্টি থেকে জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি সোহরাব উদ্দিন ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হাসান পাপ্পু দলীয় মনোনয়ন পেতে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।
ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) : ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ফুলপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় এমপি নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের শরীফ আহমেদ। তিনি আগামী নির্বাচনেও দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে নৌকার মনোনয়ন চাইবেন। তবে সাবেক এমপি হায়াতুর রহমান খান বেলালও মনোনয়ন পেতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন। এ ছাড়াও প্রার্থী রয়েছেন ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ লিটন এবং তারাকান্দা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ময়মনসিংহ বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক।
বিএনপি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন, দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ার, তারাকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, ফুলপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল বাশার আকন্দ এবং জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জোবায়ের হোসেন শাকিলও প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয় পার্টি থেকে পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক জিয়াউদ্দিন মুরাদ ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নূর মোহাম্মদ নূরু মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।
ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) : এ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকিরের মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহমেদ। তিনি আগামী নির্বাচনেও দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে নৌকার মনোনয়ন চাইবেন। তবে এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক কৃষিবিদ সামিউল আলম লিটন। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ক্দ্রেীয় কমিটির সহ-সাধারন সম্পাদক নাজনীন আলম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শরীফ হাসান অনু এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মতিউর রহমান রয়েছেন প্রার্থী তালিকায়। বিএনপি থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম ইকবাল হোসাইন, উপজেলা চেয়ারম্যান আহাম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরণ, ড্যাব নেতা মো. আবদুস সেলিম মনোনয়ন পেতে মাঠে রয়েছেন। এ ছাড়া জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জামাল উদ্দিন দলীয় মনোনয়ন পেতে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।
ময়মনসিংহ-৪ (সদর) : এ আসনে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ধর্মমন্ত্রী আলহাজ অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এখনো শক্ত প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল হক খোকা, সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব এম এ আজিজ, শিল্পপতি আমিনুল হক শামীমও দলীয় মনোনয়নের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বিএনপিতে মনোনয়ন চাইরেবন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ  জেড এম জাহিদ হোসেন, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক এমপি দেলোয়ার হোসেন দুলু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহাব আকন্দ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম মো. ওয়ালিদ, শহর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী ও কাজী রানা দলীয় প্রতীকের প্রত্যাশা করছেন।
জাতীয় পার্টি থেকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ। জেলা জাসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম চুন্নু, ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি তপন সাহা চৌধুরী, কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) এমদাদুল হক মিল্লাত ও মনিরা বেগম অনু মনোনয়ন পেতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা মুফতি শরীফুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মুফতি মোশাররফ হোসেন, খেলাফত মজলিশের মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, খেলাফত আন্দোলনের আজিজুল হক ও জমিয়তে ইসলাম বাংলাদেশ থেকে মুফতি মাহবব উল্লাহও প্রার্থী হতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) : এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাবেক এমপি কে এম খালিদ বাবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাই আকন্দ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বদর উদ্দিন আহমেদ, সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর স্ত্রী সেলিমা সোবহান খসরু ও উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. তারেক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ  কে এম মোশাররফ হোসেন এ আসনে মনোনয়ন পাওয়ার জোর সম্ভাবনা আছে। তবে তিনি সদর আসনে নির্বাচন করলে তার ছোট ভাই জাকির হোসেন বাবলু নির্বাচন করতে পারেন। এ ছাড়া বিএনপি নেতা সাবেক এমপি আবু রেজা ফজলুল হক বাবলুও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় এমপি নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির সালাহউদ্দিন আহমেদ মুক্তি। তিনি আবারও প্রার্থী হওয়ার তৎপরতা চালাচ্ছেন। জেলা জাতীয় পার্টির নেতা ইঞ্জিনিয়ার এম এ বারী। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মতিউর রহমান আকন্দও লড়বেন এ আসন থেকে।  
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) : আওয়ামী লীগের এমপি মোসলেম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মালেক সরকার মালকি, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক, তপন সরকার আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রতীক পেতে তৎপরতা শুরু করেছেন। বিএনপি থেকে সাবেক এমপি শামসুদ্দিন আহমেদ। এ ছাড়া তার ভাতিজা আখতারুল আলম ফারুক দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। জাতীয় পার্টি থেকে এইচ এম এরশাদের উপদেষ্টা কে আর ইসলাম, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি নাজমুল আহসান লাঙ্গলের হাল ধরতে কেন্দ্রে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। ময়মনসিংহ মহানগর জাসদের সভাপতি এবং কাউন্সিলর সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টুও তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন এ আসনে প্রার্থী হতে। জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক জসিম উদ্দিন লড়বেন এ আসন থেকে।
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) : স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনটি এখন দলীয় কোন্দলে বিপর্যস্ত। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে গত নির্বাচনে লাঙ্গল কাঁধে নিয়ে এমপি হন এম এ হান্নান। যদিও তিনি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে কারাগারে রয়েছেন। তার অবর্তমানে এখান থেকে এমপি হতে চাইছেন জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আহমেদ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে নুরুল আলম পাঠান মিলন, সাবেক এমপি রেজা আলী, সাবেক এমপি হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মতিন সরকার ও পৌর মেয়র এ বি এম আনিছুজ্জামান। বিএনপি থেকে দলের সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) : এ আসনে আওয়ামী লীগের  সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন, দলের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি আবদুস সাত্তার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান সুমন, তারেকুল হাসান তারেক ও সাবেক অতিরিক্ত আইজি আবদুর রহিম। বিএনপি থেকে সাবেক এমপি শাহ নূরুল কবীর শাহীন ও উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি কামরুজ্জামান লিটনও এমপি প্রার্থী। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্তমান এমপি ফখরুল ইমাম।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) : এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান বর্তমান এমপি আনোয়ারুল আবেদীন তুহিন। এ ছাড়া সাবেক এমপি মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালাম, এ ডি এম সালাউদ্দিন হুমায়ুন, মোহমশাফিজুর রহমান খান ও শাহজাহান কবির সুমন মনোনয়ন পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরী ও সৌদি আরব পূর্ব অঞ্চল বিএনপির সভাপতি শিল্পপতি রফিকুল ইসলাম। জাতীয় পার্টি থেকে উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক তালহা এই আসন থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মনোনয়ন চাইবেন।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও-পাগলা) : এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বর্তমান এমপি ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল। এ ছাড়াও সাবেক এমপি ক্যাপ্টেন (অব.) গিয়াস উদ্দিন, স্থানীয় নেতা ব্যবসায়ী ওবায়দুল্লাহ আনোয়ার বুলবুলের নাম শোনা যাচ্ছে। বিএনপি থেকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবি সিদ্দিকুর রহমান, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাচ্চু ও মুশফিকুর রহমান দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। জাতীয় পার্টি থেকে ওলামা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কারী মো: হাবিবুল্লাহ বেলালী ও উপজেলা সভাপতি মজিবুর রহমান মনোনয়ন চাইবেন।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) : এ আসনের বর্তমান এমপি ডা. আমান উল্লাহ ছাড়াও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পিন্টু, আওয়ামী লীগ নেতা কাজিম উদ্দিন ধনু, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিরা সুলতানা মনি, ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন দলীয় প্রতীক পেতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপি থেকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয় পার্টি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী মেজর (অব.) আব্দুল হামিদ।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
রাজনীতি পাতার আরো খবর

Developed by orangebd