ঢাকা : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ২৩ জুলাই, ২০১৭ ১৭:১৪:২৪
টঙ্গীতে এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়ে ছাত্র-অভিভাবকরা হতাশা!
টঙ্গী সংবাদদাতা


 


টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের ৮টি কলেজের এবারের এইচ এসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের ভয়াবহ ফল বিপর্যয় ঘটেছে। উল্লেখযোগ্য হারে প্রত্যেকটি কলেজ থেকে ছাত্রছাত্রীর ফেলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কি কারণে এধরনের ভয়াবহ ফল বিপর্যয় ঘটলো তা ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক এমনকি শিক্ষকরাও তার কোন সদউত্তর দিতে পারছেন না। টঙ্গী পাইলট এন্ড গার্লস কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া জানান, এবারের এইচ এসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন পত্রে নতুন মানবন্টনের কারণে ছাত্রছাত্রীরা সময় অভাবে সকল প্রশ্নের উত্তর হয়তো যথাযথভাবে দিতে পারেনি। এটি একটি ফল বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। তবে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানার পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে ফল বিপর্যয়ের। টঙ্গীর স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী এন্ড কলেজ থেকে বিগত বছরগুলোতে যেখানে শতাধিক ছাত্রছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হতো, আর এ বছর ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ৭৮৬জন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দিয়ে মাত্র ৪২জন ছাত্রছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানে ৭২জন ছাত্রছাত্রী ফেল করেছে। যা এ প্রতিষ্ঠানের জন্য অকল্পনীয়। টঙ্গী পাইলট কলেজ থেকে ৩৬৫জন পরীক্ষা দিয়ে ২৫৯জন উত্তীর্ণ হলেও জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১জন। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ফেল করেছে ১০৬জন ছাত্রছাত্রী। টঙ্গী সরকারি কলেজ থেকে ১১৪৪জন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬১৪জন। সরকারি এ কলেজটিতে ৫৩০জন ছাত্রছাত্রী ফেল করেছে। সরকারি এ কলেজ থেকে কেউ জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেনি। সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজ থেকে ১২৪জন পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০১জন। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৪জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটিতে ফেলের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। সাহাজ উদ্দিন সরকার স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২৬০জন পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৪৮জন। ফেল করেছে ১১২জন ছাত্রছাত্রী। এর মধ্যে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি। টঙ্গীর সাতাইশ কলেজ থেকে ৭৩জন পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৫জন। ফেল করেছে ৩৮জন। টঙ্গী কমার্স কলেজ থেকে ৯১জন পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৯জন। ফেল করেছে ৪২জন। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের কলেজগুলোতে এ ধরনের ভয়াবহ ফল বিপর্যয়ের কারণে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মাঝে হতাশা নেমে এসেছে।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
শিক্ষা পাতার আরো খবর

Developed by orangebd