ঢাকা : বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা           কারও মুখের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী          ২২তম অধিবেশন চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          দেশের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ০১ আগস্ট, ২০১৭ ১০:৫১:০৯আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০১৭ ১৩:১৮:৩২
ভালোবাসায় নিগূঢ়তা
সুমনা মৃধা


 


রাতের নিশিথে মৃদু বাতাসের উন্মাদনায়
এলোকেশী আমি আর ছন্নছাড়া তুমি।
স্থিরচক্ষু তাকিয়ে থেকে
তোমার চোখের গভীর অতলে
হারানোর নেশায় মাতাল প্রায়।

আমি যখন রোমান্টিকতার ভাঁজে ভাঁজে খুঁজে ফিরছিলাম সুখ
তুমি তখন সুখ খুঁজছিলে নক্ষত্রের ভাঁজে ভাঁজে।
নক্ষত্রপাড়ায় হারিয়ে যাওয়ার
ফন্দি এঁটে যাচ্ছিলে সরবে।

তোমার নক্ষত্রে বিলীন হওয়ার বাসনাকে গলা টিপে হত্যা করে
অগ্নিমূর্তি আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম,
‘ভালোবাসো আমায়?’

দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ফেলেছিলে।

অতঃপর তোমার অধর কোণে মুচকি একটা হাসি।
অশ্লীলতার আড়ালে শ্লীল কোনো আলিঙ্গনে
ধীর গতির মৃদু স্বরে বলেছিলে,
             ‘অনেক বেশি।’

আমার আধো লাজনত চোখে অশ্রুকণার টলমল
যেনো জানান দিচ্ছিলো, আকাশ ছোঁয়া আনন্দের।
তর্জনি ডগায় ফোঁটা দুয়েক অশ্রুকণা নিয়ে
হাঁটুগেরে তুমি জিজ্ঞেস করেছিলে,
‘বেসে যাবে তো ভালো, এমনি করে?’
উত্তরে বলেছিলাম, ‘রাত্রির বুকে শশাঙ্কের আধিপত্য থাকবে কিনা,
      জিজ্ঞেস না করলেই কি নয়?’

বয়ে যাওয়া বাতাসও নিথর হলো তখন
নীড়ে ঘুমন্ত পাখিরা ডেকে উঠলো
         গোটা দুয়েকবার।

টিমটিম জ্বলে যাওয়া জোনাকিটাও
নিভিয়ে দিলো আলো।

নদীর কলকল ধ্বনি হলো নিস্তব্ধ।

নক্ষত্ররাজী সাঙ্গ করলো খেলা।

আর আমরা দুজন, দুজনাতে হারিয়ে গিয়ে
ঠোঁট বাকিয়ে আবেগী হয়ে,
জিজ্ঞেস করেছিলাম,
                ‘ভালোবাসো আমায়?’

অতঃপর দুজোড়া রক্তবর্ণ চোখ।
  আর এক জোড়া মুচকি হাসি।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সাহিত্য-সংস্কৃতি পাতার আরো খবর

Developed by orangebd