ঢাকা : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট, ২০১৭ ১৬:১৭:০৭
ইনফো-সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতির অভিযোগ
ফেরদৌস হোসেন


 

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বাস্তবায়নাধীন ‘ইনফো-সরকার’ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের আওতায় দুইটি ক্রয় প্রস্তাবে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা না করে দুইটি কোম্পানিকে সরকারি অর্থায়নে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজ দেওয়া হচ্ছে।
২৩ আগস্ট দুপুরে কারওয়ান বাজারের হোটেল লা ভিঞ্চিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ইন্টারনেট সার্ভিসেস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএসবি)।
 এসময়ে সংগঠনটির নেতারা দাবি করেন, যে দুই প্রতিষ্ঠানের সাথে এই চুক্তি করা হচ্ছে; তাদের মাধ্যমে দেশের দুই লাখ সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য গ্রাহককে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা হবে। ন্যাশনাল টেলিকমউনিকেশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) এর আওতায় কোম্পানি ২টি হচ্ছে সামিট করপোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সামিট কমিউনিকেশন এবং অন্যটি হলো ফাইবার অ্যাট হোম। অভিযোগ হচ্ছে, অনিয়ম করে এই দুই প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি খরচে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপন করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
 দেশে আরও সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে এই কাজ করার অনুমতি থাকলেও অনিয়মের কারণে দরপত্রে প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির সভাপতি এমএ হাকিম অভিযোগ করে বলেন, সরকার আটটি প্যাকেজে দেশের ৪৮৮টি উপজেলার দুই হাজার ৬০০ ইউনিয়নে ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত থাকলেও স্টিয়ারিং কমিটির সভায় মাত্র ২টি প্যাকেজে সীমিত পরিসরে দরপত্র আহ্বানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
 এতে শুধু ওই দুই প্রতিষ্ঠান ১৩০৭টি এবং ১২৯৩টি ইউনিয়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের শুপারিশ প্রাপ্ত হয়। তিনি বলেন, প্রকল্পটির কার্যাদেশের শুপারিশে এনটিটিএনের প্রতিষ্ঠান দুটিকে উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক স্থাপন, রক্ষনাবেক্ষণ, আপগ্রেডেশন এবং প্রতিস্থাপনের পাশাপাশি নিজস্ব জনবল নিয়োগের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদানের কাজ দেওয়া হচ্ছে। যেটা সরাসরি আইনের পরিপন্থী।
তিনি বলেন, এই কাজের অনুমোদন পেলে সংশ্লিষ্ট এলাকা বা প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ব্যাপক ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হবে। একই সঙ্গে বেশি টাকা বিল পরিশোধ, অন্য আইএসপি নেওয়া থেকে বঞ্চিতকরণসহ নানা ধরণের সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে দেশের আইএসপি শিল্প ক্ষতির মুখে পড়বে। এই খাতের সংশ্লিষ্ট ২০ লাখ পরিবার এবং ৬২৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
তিনি দাবি করেন, এর মাধ্যমে আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সুবিধা প্রদানের সুযোগ দেওয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
 তাই আইন অনুযায়ী সব পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা প্রদানে আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করা হোক।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদুল হক, সহ সভাপতি এফএম রাশেদ আমিন বিদ্যুৎ, মইন উদ্দিন আহমেদ, সুব্রত সরকার শুভ, মো. কামাল হোসেন, খন্দকার মোহাম্মদ আরিফ প্রমুখ।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
তথ্য-প্রযুক্তি পাতার আরো খবর

Developed by orangebd