ঢাকা : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট, ২০১৭ ২৩:১৬:৩৩
ঈদ উপলক্ষে মান্দায় কামারদের ব্যস্ততা বেড়েছে
নওগাঁ সংবাদদাতা


 


এক সপ্তাহ পরেই পবিত্র ঈদুল আয্হা। এই কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে নওগাঁর মান্দায় ব্যস্ততা বেড়েছে কামার পাড়ার কামারদের। কেউ ভারি হাতুড়ি দিয়ে পেটাচ্ছেন দগদগে লাল লোহার খন্ড। কেউ শান দিচ্ছেন, কেউবা আবার কয়লার আগুনে বাতাস দিচ্ছেন। এক রকম পাল্লা দিয়ে কাজে নেমেছেন তারা।
এ কুরবানীর ঈদে গরু, ছাগল ও উট কুরবানীর পশু হিসেবে জবাই করা হবে। আর এসব পশুর গোস্ত কাটতে দা, বটি, চুরি, ও চাপাতি ইত্যাদি ধাতব হাতিয়ার অপরিহার্য। এজন্য গৃহস্থালি ব্যতিব্যস্ত দা, বটি, চুরি, ও চাপাতি শান দিতে। এদিকে ধাতব সরঞ্জামাদী শান দিতে কামার পাড়াগুলোতে ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষের। ভ্রাম্যমান কামাররা চষে বেড়াচ্ছে ছোট-বড় বিভিন্ন হাট-বাজারে।
আগামী ২ সেপ্টেম্বর শনিবার কুরবানীর ঈদের তারিখ নির্ধারণ হওয়ায় দা-ছুরি সংস্কারের জন্য জেলা-উপজেলা বাসী ইতোমধ্যে ভিড় করছেন কামারের কাছে। কেউ দাম-দর করছেন বাজার বোঝার জন্য কেউবা কিনে নিচ্ছেন পছন্দের দা-ছুরি।
রবিবার মান্দার সতীহাট বাজার এলাকার কামারশালা ঘুরে দেখা যায় এক ধরনের ফুরফুরে মেজাজেই ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা।
কেউ তৈরি করছেন দা, কেউ বা তৈরি করছেন চাপাতি আবার কেউ কেউ তৈরি করছেন ছুরি। আর এসব জিনিস সারিবদ্ধভাবে দোকানের সামনে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে চাপাতি ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা, দা ৩০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা, কুড়াল প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, চাকু ৫০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, খুন্তি ২৫ টাকা, হাতা ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে কামারশালায়।
নয়ন কর্মকার জানান,  আমি প্রায় ২০ বছর ধরে এ পেশায় নিয়োজিত। ঈদকে কেন্দ্র করে আমরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছি। আগে প্রতিদিন আমার ৪০০ টাকা বিক্রি হতো, এখন ১৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ও জিনিস বিক্রি হচ্ছে। এবার ঈদে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা বিক্রি হবে বলে তিনি আশা করছেন। আমাদের এখানে বিক্রি সব সময়ই ভালো হয়। তবে সামনে কোরবানি উপলক্ষে বিক্রি বেশি হয়।
সুলতান আহমেদ (লিটন) ও জোবায়ের হোসেন রুম্মান নামের ক্রেতারা বলেন, কয়েক দিন পরেই তো ঈদ। আগে থেকে সব কিনে রাখছি। যাতে পরে অসুবিধা না হয়। এসময় ভালো মানের দা-ছুরির প্রয়োজন হয়। এখানে ভালো মানের দা-ছুরি পাওয়া যায়। তাই কিনতে এসেছি।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
বিশেষ প্রতিবেদন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd