ঢাকা : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট, ২০১৭ ১০:৫৪:৪৯
হাকরনদী দখলমুক্ত করে লেগ সিটি নির্মাণের দাবী
এম এ রহিম, বেনাপোল


 


ভারতের ইছামতি ও গঙ্গা নদীর সাথে সংযুক্ত সীমান্ত শহর বেনাপোলের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা ঐতিহ্যবাহি হাকর ও বেতনা নদী অপদখল করে ভেড়ীবাধ ও অট্টালিকা ভবন গড়ে তোলা হয়েছে। যে হাকরর নদী দিয়ে চলতো লঞ্চ ষ্টিমার। মাছ ধরে জীবন জিবিকিা নির্বাহ সহ সংসার চলাতো কয়েক হাজার মানুষ। মিটতো আমিষের চাহিদা। এসব নদীর অনেকাংশই মরা খালে পরিনত হয়েছে। ভেড়ী বাধ দিয়ে পুকুর তৈরী করেছেন অপদখলকারিরা। নামে-বেনামে ভুয়া দলিল তৈরী করে এসব হাকর নদীর উপর বহুতল অট্টালিকা ভবন তৈরী করা হয়েছে। ফলে বর্ষাকালে তলিয়ে যাচ্ছে এলাকার খাল বিল মাঠ ঘের ও অনেক বসতবাড়ী। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক। ভারসম্য হারাচ্্েছ পরিবেশ-এসব নদী ও খাল দখল মুক্ত করে জীব বৈচিত্র ও পরিবেশ রক্ষায়-পানি প্রবাহ সুষ্টির দাবী জানান স্থানীয়রা। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা-দেশের বিভিন্ন হাকর নদী উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঘোষনা দিয়েছেন তার সফল বাস্তবায়ন দেখতে চান শার্শা বেনাপোলের মানুষ।
স্থানীয় বেনাপোল সাদিপুর গ্রামের-ফকির মো: তাহাজ্জত হোসেন-ও আলীকদর সাগর-বলেন, এলাকার মানুষের প্রানের দাবী হাকর নদীটি দখলমৃুক্ত করে লেগ সিটি নির্মান করা হোক। এর ফলে বেনাপোলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিপাবে।পরিবেশ সমাজ সাংস্কৃতি ও কৃষি,স্বাস্থ্য যোগাযোগ এবং অর্থনীতিতে ব্যাপক ভুমিকা রাখবে। মরুভমির ন্যায় বেনাপোল ফিরে পাবে নতুন দ্বিগন্তের। এলাকাটি দেশ বিদেশের নাগরিকদের কাছে দৃষ্টি নন্দন পর্যটন নগরীতে রুপ নেবে। সরকারের রাজ্স্ব ্আহরন বাড়বে। বেনাপোল বাসি পাবে নিরাপদ পানি। বেনাপোলকে বাঁচাতে হাকর নদীটি দখলমুক্ত করে পানিপ্রবাহ সৃষ্টি করার উপর জোর দেন এলাকার মানুষ।
 যশোরের শার্শা উপজেলাধীন স্থলবন্দর বেনাপোলের হাকর নদীর সাথে সংযুক্ত ছিল ভারতের বনগাঁ ইছামতি ও গঙ্গা নদীর। এপারে কুদলা ও বেতনা নদী মিশেছে যশোরের কপতাক্ষ নদীর সাথে। যে হাকর ও বেতনা নদী দিয়ে চলতো লঞ্চ ষ্টিমার। আজ অবৈধ ভেড়ীবাধ বা অপদখলে নদী ২টির শাখা প্রশাখা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে কৃষি ও পরিবেশে পড়ছে বিরুপ প্রভাব-উপজেলা প্রশাসন কয়েক দফায় বেতনা নদীতে উচ্ছেদ অভিযান চালালেও হাকর নদী দখল মুক্ত করা হয়নি আজও। অগ্রাধিকার ভিত্তিকে হাকর নদীটি উচ্ছেদ অভিযান চালানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন অভিঙ্গ মহল।
 বানিজ্য নগরী বেনাপোলে নেই কোন পার্ক-হাকর নদীটি দখলমুক্ত করে ঢাকার হাতির ঝিলের মতো পার্ক বা পর্যটন এলাকা নির্মানের দাবী করেন সাবেক মেম্বর সুলতান আহম্মেদ বাবু ও জাহাঙ্গীর আলম লাল। তারা বলেন জনস্বার্থে হাকর নদীটি দখলমুক্ত করা হোক। নির্মান করা হোক পার্ক ও লেগ সিটি। তাহলে জীব বৈচিত্র রক্ষা হবে। বেনাপোল ফিরে পাবে ইতিহাস ঔতিহ্য। বাড়বে বেনাপোলের সৌন্দর্য।   
শার্শা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম শোনাচ্ছেন আশার বানী তিনি বলেন,উপজেলা প্রশাসন-হাকর নদীটি দখলমুক্ত করে হাতির ঝিলের ন্যায় একটি দৃষ্টি নন্দন পার্ক নির্মানে সরকারের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। শার্শার বেতনা নদী উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দখল মুক্ত করা হয়েছে। জলমহল দখলমুক্ত করার জন্যে প্রধান ম›ন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে তারা কাজ করছেন বলে দাবী করেন। তিনি আরো বলেন পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন হাকর নদী দখলমুক্ত করে লেগ সিটি নির্মান করতে বিভিন্ন কার্য্যক্রম শুরু করেছেন। সংশ্লিষ্ট দফতরের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
কৃষক বাকের আলী বলেন,তারা শুষ্ক মৌসুমে ধান চাষে পানি পান-না। লেয়ার কমে যাওয়ায় বেগ পেতে হয় তাদের। ক্ষতিগ্রস্ত হন চাষিরা। ধান উৎপাদনন ব্যাহত হয়। কৃষ্ িবান্ধব সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
 পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেন-পৌর নাগরিকের উন্নত সেবার লক্ষে কাজ করছেন তিনি। বিভিন্ন অবৈধ ভবন উচ্ছেদ করে সড়ক নির্মান করা হচ্চে। হাকর নদী সহ সব অপদখল দারদের কাছ থেকে এসব সম্পদ দখলমুক্ত কর্রা পরিকল্পনা গ্রহন করা হচ্ছে। স্থানীয় সর্বসাধারনের সহযোগিতা চান মেয়র লিটন।
শার্শার বেতনা নদী উচ্ছেদ অভিযান শুরু করায় খৃুশি এলাকার কৃষকেরা বেনাপোলের হাকর ও বেতনা নদীর শেষ সীমানা পর্যন্ত উচ্ছেদ করে দখল মুক্ত করা হোক দাবী এলাকাবাসির।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
বিশেষ প্রতিবেদন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd