ঢাকা : বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা           কারও মুখের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী          ২২তম অধিবেশন চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          দেশের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট, ২০১৭ ১২:২২:০৬
উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ ওজন কত হবে
টাইমওয়াচ ডেস্ক


 

উচ্চতার অনুযায়ী প্রতিটি মানুষের আছে একটি আদর্শ ওজন। ওজন যদি এই আদর্শ মাত্রায় থাকে, অর্থাৎ এর চাইতে বেশি বা কম না হয়ে থাকে, তাহলে মানুষটি সুস্থ দেহের অধিকারী এবং তার রোগ বালাই হবার সম্ভাবনা কম।আদর্শ ওজন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির ওজন কিলোগ্রামে মাপা হয় এবং উচ্চতা মিটারে মাপা হয়। এরপর ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ করা হয়। এই ভাগফলকে বলা হয় বিএমআই। বিএমআই ১৮ থেকে ২৪-এর মধ্যে হলে স্বাভাবিক। ২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্যবান বা অল্প মোটা, ৩০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে হলে বেশি মোটা। আর ৩৫-এর ওপরে হলে তাদেরকে  অসুস্থ পর্যায়ের মোটা বলা যেতে পারে।
 
অতিরিক্ত ওজন কিংবা অতি কম ওজন কারোই কাম্য নয়। উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন বেশি না কম নিচের ছক থেকে জেনে নিন-
 
উচ্চতা       পুরুষ (কেজি)    নারী (কেজি)
►৪’৭’’        ৩৯-৪৯           ৩৬-৪৬
►৪’৮’’       ৪১-৫০            ৩৮-৪৮
►৪’৯’’        ৪২-৫২            ৩৯-৫০
►৪’১০’’      ৪৪-৫৪            ৪১-৫২
►৪’১১’’      ৪৫-৫৬           ৪২-৫৩
►৫ ফিট      ৪৭-৫৮           ৪৩-৫৫
►৫’১’’        ৪৮-৬০          ৪৫-৫৭
►৫’২’’        ৫০-৬২           ৪৬-৫৯
►৫’৩’’       ৫১-৬৪           ৪৮-৬১
►৫’৪’’        ৫৩-৬৬          ৪৯-৬৩
►৫’৫’’        ৫৫-৬৮          ৫১-৬৫
►৫’৬’’       ৫৬-৭০            ৫৩-৬৭
►৫’৭’’        ৫৮-৭২            ৫৪-৬৯
► ৫’৮’’      ৬০-৭৪            ৫৬-৭১
► ৫’৯’’       ৬২-৭৬           ৫৭-৭১
►৫’১০’’      ৬৪-৭৯            ৫৯-৭৫
►৫’১১’’      ৬৫-৮১           ৬১-৭৭
►৬ ফিট     ৬৭-৮৩           ৬৩-৮০
►৬’১’’       ৬৯-৮৬          ৬৫-৮২
►৬’২’’       ৭১-৮৮           ৬৭-৮৪
 
শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলে মানুষ মোটা হয় বা ভুঁড়ি হয়। ফ্যাট সেল বা চর্বিকোষ আয়তনে বাড়লে শরীরে চর্বি জমে। পেটে, নিতম্বে, কোমরে ফ্যাট সেল বেশি থাকে। অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য দেহে চর্বি জমে, আবার যে পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে বা দেহ যে পরিমাণ ক্যালরি পাচ্ছে সে পরিমাণ ক্ষয় বা ক্যালরি খরচ হচ্ছে না-এ কারণেও দেহে মেদ জমতে পারে। অনেকের সঠিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণের পরও ওজন বেশি হয়। এর কারন বংশগত কারণেও মানুষ মোটা হতে পারে।
 
মদ্যপান, অতিরিক্ত ঘুম, মানসিক চাপ, স্টেরয়েড এবং অন্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলেও ওজন বাড়তে পারে। বাড়তি ওজন কিংবা ভুঁড়ি নিয়ে অনেক সমস্যা। বাড়তি ওজনের জন্য  হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া রক্তনালিতে চর্বি জমে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। বাড়তি ওজন রক্তচাপেরও কারণ।ডায়াবেটিস টাইপ-২ দেখা দিতে পারে মেদ বৃদ্ধির জন্য। মেদবহুল ব্যক্তির জরায়ু, প্রস্টেট ও কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা শতকরা ৫ ভাগ বেশি।
 
ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে হাঁটাচলা করতে সমস্যা হয়। হাঁটুর সন্ধিস্থল, কার্টিলেজ, লিগামেন্ট ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। আর্থ্রাইটিস, গেঁটে বাত এবং গাউট হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত চর্বি থেকে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
 
অতিরিক্ত কম ওজন বা অতিরিক্ত বেশি ওজন- দুটোই সুস্থতার বিপরীত। নিজের আদর্শ ওজন নির্ণয় করুন, এবং আপনার অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ওজনকে আদর্শ অবস্থানে আনবার জন্য চেষ্টা করুন।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্য ও জীবন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd