ঢাকা : রোববার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • মেক্সিকোতে ভূমিকম্প : নিহত ২৪৮          রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ঐক্য হয়ে গেছে, নতুন ঐক্যের দরকার নেই : নাসিম          ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল মধ্যম আয়ের দেশ হবে বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ব্যাপার ঐক্যবদ্ধ হতে ওআইসি’র প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান          দু-এক দিনের মধ্যে চালের দাম কমবে : বাণিজ্যমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের প্রতি আন্তরিকতার কমতি নেই : ওবায়দুল কাদের          রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ত্যাগ করলে অবৈধ বলে গণ্য হবেন : আইজিপি          রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ নৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে : রুশনারা আলী
printer
প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২৩:৩৮:২৩
সাপমারা ঝিরি জিরো পয়েন্টে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ


 


মায়ানমার সরকার কর্তৃক গণহত্যা, খুন, ধর্ষণ, নির্যাতন থেকে প্রাণে বেঁচে আসা কক্সবাজার জেলা ও পাশ্ববর্তী উপজেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের প্রতি সরকারের মানবিক দৃষ্টিকোণের পাশাপাশি এলাকার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও বিভিন্ন পেশার লোকজন তাদের ত্রাণ সহায়তা দিয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার রামুর পাশ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা বৃহত্তর আশারতলি সাপমারা ঝিড়ি জিরো পয়েন্টে বিজিবির কড়া পাহারায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদেরকে খিচুড়ী বিরিয়াণীর প্যাকেট বিতরণ করা হয়। এসময় উদ্যোক্তা ছিলেন বাঁশখালীর বাসিন্দা, বাঁশখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ ছানুবী। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন রামু ফতেখাঁরকুল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংবাদিক খালেদ হোসেন টাপু ও বিশিষ্ট সমাজকর্মী আলহাজ্ব গফুর মিয়া। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন রামু উপজেলা সৈনিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফরহাদ, রেফারি ওমর ফারুক মাসুম, ব্যবসায়ী সালেহ আহমদ, মেধাবী ছাত্র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার নাদেম হাসান, আনোয়ার, বাবর ও রমজান আলী।

সকাল ৯টায় রামু চৌমুহনী স্টেশন থেকে ২টি জীপযোগে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বৃহত্তর আশারতলি জামছড়ি এলাকায় পৌঁছায়। এরপর আনুমানিক ৩ কিলোমিটার পাহাড়ের সরু পথ দিয়ে পায়ে হেটে ৪টি উঁচু পাহাড় পার হয়ে সাপমারা জিরো পয়েন্টে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের কাছে পৌঁছে যায়। অস্থায়ী রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখা যায় মায়ানমারের অত্যাচার সইতে না পেরে প্রতিদিন নতুন নতুন রোহিঙ্গারা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ঢুকে অবস্থান নিয়েছে। আশারতলি সাপমারা ঝিড়ি জিরো পয়েন্টে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের আর্তনাদ, বুকফাটা কান্নায় আকাশ ভারী হয়ে উঠেছে। সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মঞ্চের বাঁশখালী প্রতিনিধি সাংবাদিক মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ ছানুবী বলেন একজন মানুষ হিসেবে অসহায় নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। সেই জন্য লেখালেখির পাশাপাশি বাঁশখালী থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াতে ছুটে এসেছি। সরকারের পাশাপাশি এলাকার বিত্তশালীদের রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানাচ্ছি।
ফরিদুল আলম চেয়ারম্যান বলেন, সরকার রোহিঙ্গাদের মানবিক দৃষ্টিতে দেখছে। খাবার, পানি, স্যানিটেশনের অভাবসহ তারা অভুক্ত অবস্থায় রয়েছে। সরকারের পাশাপাশি গণ্যমান্যদেরও তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসা উচিত।
রামুর সাংবাদিক খালেদ হোসেন টাপু বলেন, মায়ানমার সরকারে গনহত্যা, খুন, গুম, ধর্ষণ ইত্যাদি সইতে না পেরে যেসব রোহিঙ্গারা সীমান্তে অবস্থান করছে তাদের প্রতি সরকার মানবিক আচরণ করে যাচ্ছে। আমাদেরও সেই সাথে এগিয়ে আসা উচিত। বিজ্ঞপ্তি

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd