ঢাকা : শনিবার, ২০ জানুয়ারি ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • আঞ্চলিক দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশে নারীরা এগিয়ে : চুমকি          তিন হাজার বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে          সরকারের কাজ সম্পর্কে জনগণকে ধারণা দিতেই উন্নয়ন মেলা          পাবলিক পরীক্ষায় অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী           সালেই বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে : মেনন          বিশ্ব ইজতেমায় বিভিন্ন দেশ থেকে আসছে শতশত মুসুল্লি
printer
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৩:০৫:৩৮
পাবনার খাল বিলে ধরা হচ্ছে ডিমওয়ালা ও পোনা মাছ
পাবনা সংবাদদাতা


 


বর্ষার পানিতে টইটম্বুর পাবনার খাল-বিল, নদী-নালা। আর এই সব খাল-বিল, নদী-নালায় চড়ে বেড়াচ্ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ডিমওয়ালা ও পোনা মাছ। এক শ্রেণীর মৎস্য শিকারি বেড়, সুতি ও খড়া জাল দিয়ে অবাধে ডিমওয়ালা  ও পোনা মাছ নিধন করছেন। বেশির ভাগ মৎস্যজীবী দরিদ্র হওয়ায় বিকল্প কাজ না পেয়ে নিষেধ জেনেও এসব পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ ধরতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানান মৎস্য শিকারিরা।
চলনবিল বিস্তুত পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গাড়া, ফরিদপুর ও সুজানগর উপজেলার গাজনার বিল এলাকার বাসিন্দাদের সথে কথা বলে জানা যায়, খাল-বিলে বর্ষার পানি প্রবেশের পর থেকেই মাছ শিকারের ধুম পড়ে গেছে। নদী থেকে খাল-বিলে পানি প্রবেশের পথেই বেড়, সুতি ও খড়া জাল দিয়ে ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা মাছ নিধন। প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে এ মাছ শিকার।
চলনবিল ও গাজনা বিলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিলের বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে সুতি জাল, ভেসাল ও খড়া জাল। অন্যদিকে দুই নৌকা একসঙ্গে করে বেড় জাল দিয়ে পানি ছেঁকে তুলে আনা হচ্ছে ছোট-বড় সব মাছ। ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনীষা গ্রামের আলী হাসান বলেন, বিলে মাছ ধরার কোনো বিধিনিষেধ নেই। যতদিন পানি আছে, তত দিন মাছ ধরা চলবে। মৎস্য শিকারিদের কাছে বড় বা ছোট মাছ বলে কিছু নেই। পাবনা শহরের মাছুম বাজার এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাই বলেন, বর্ষার শুরু থেকেই স্থানীয় বাজারগুলোতে প্রকাশ্যে ডিমওয়ালা মা ও পোনা মাছ বিক্রি হয়। কিন্তু কোনো দিনও এসব মাছ বিক্রির বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা মৎস্য অধিদফতরের কোনো অভিযান চোখে পড়েনি।
গাজনার বিলে মৎস শিকারি আব্দুল ওহাব বলেন, মাছ ধরাই আমাদের কাজ, মাছ না ধরলে খাব কি। এই সময় সরকার আমাদের বিকল্প কোনো কাজের ব্যবস্থা করলে এই সময়টা মাছ ধরা বাদ দিতাম।
পাবনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী বলেন, মৎস্য শিকারিদের দাবি যৌক্তিক। সব দিক বিবেচনা করেই মৎস্য সংরক্ষণ আইন করা হয়েছে। প্রচারপত্র বিলি ও শিকারিদের সঙ্গে বৈঠক করে ডিমওয়ালা ও পোনামাছ নিধন বন্ধের চেষ্টা চলছে। আগের চেয়ে মা ও পোনামাছ নিধন কমেছে। এরপরও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত আছে।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd