ঢাকা : বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০৯:৩৪:২১
ক্ষতি পোষাতে ৬৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, ২০১৭-১৮ আখ মাড়াই মওসুমে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) ৬৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
তিনি বলেন, আগামী রমজানে বাজারে নিরবচ্ছিন্ন চিনি সরবরাহ এবং সাম্প্রতিক বন্যায় আখ উৎপাদনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকার বিএসএফআইসি’র মাধ্যমে ১ লাখ মেট্রিক টন চিনি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আমু সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সাথে চিনি আমদানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিএসএফআইসির কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।
শিল্পমন্ত্রী ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর দিলকুশায় চিনি শিল্পভবনে ২০১৭-১৮ আখ মাড়াই মওসুমে চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বিএসএফআইসি এর আওতাধীন চিনিকলগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সম্মেলন উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ.কে.এম. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুষেণ চন্দ্র দাস, মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ২০১৭-১৮ আখ মাড়াই মওসুমে চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য আখ চাষিদের পাশাপাশি চিনিকল এলাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারি, শ্রমিকসহ সবাইকে আখ চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এর ফলে চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সম্ভব হবে বলে চিনিকলগুলোর ব্যবস্থাপকরা জানিয়েছেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, চিনিশিল্পের সাথে ৩০ হাজার শ্রমিক পরিবারসহ অনেক আখ চাষি জড়িত। তারা চিনিকলগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এসব বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুকূল্যে অলাভজনক চিনি শিল্পকে এখনও বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি অলাভজনক চিনিশিল্পে অপ্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, অতিরিক্ত ভাতা (ওভারটাইম) প্রদান ইত্যাদি বন্ধ রেখে ব্যয়ের ক্ষেত্রে কৃচ্ছ্রতা সাধনের পরামর্শ দেন।
আমির হোসেন আমু বলেন, সরকার চিনিশিল্প লাভজনক করতে কেরু এন্ড কোম্পানি চিনিকলের মত অন্য কারখানাগুলোতেও পণ্য বৈচিত্রকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে সকল চিনিকলে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন করে বিএমআরই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছ।
তিনি চিনিকলকে নিজেদের প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে উৎপাদন বাড়াতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান।
এর আগে মন্ত্রী ১০টি চিনিকলের ব্যবস্থাপকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন গাড়ির চাবি হস্তান্তর করেন।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
অর্থ-বাণিজ্য পাতার আরো খবর

Developed by orangebd