ঢাকা : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১১:৫৩:৫৬
নানা সমস্যায় জর্জরিত বেলোয়া উচ্চ বিদ্যালয়
নাটোর সংবাদদাতা


 


নাটোরের সিংড়া উপজেলার বেলোয়া উচ্চ বিদ্যালয় নানা সমস্যায় শিক্ষার পরিবেশ ব্যহত হচ্ছে। গাদাগাদি করে জরাজীর্ণ ভবনে ক্লাস করছে প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী। দুটি এক তলাবিশিষ্ট ভবনে ফাটল ধরেছে। প্রধান শিক্ষকের আলাদা অফিস নাই, আটসাট একটি কক্ষে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক এবং অফিসিয়াল কার্যক্রম চলছে। বিগতদিন থেকে স্কুলের ফলাফল শতভাগ পাশ করে আসছে। কিন্তু শ্রেণী কক্ষ সংকটে বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যহত হচ্ছে।
জানা যায়, বিদ্যালয়টি ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্টিত হয়। সুকাশ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত। এখানে অধ্যয়নরত রয়েছে শতাধিক আদিবাসি শিক্ষার্থী। দুটি একতলাবিশিষ্ট ভবন রয়েছে দুটিই চলাচলের অনুপযোগি। বিদ্যালয়ের ৪টি শ্রেণী কক্ষ রয়েছে ৪টিতে ফাটল ধরেছে। একটি কক্ষে কম্পিউটার ল্যাব, অফিস কক্ষ, প্রধান শিক্ষক কক্ষ এবং শিক্ষকবৃন্দ বসার স্থান রয়েছে। মেয়েদের কমন রুম নাই, পরিত্যক্ত মাটির ঘরে কমন রুম করা হয়েছে, যেখানে ২ শতাধিক ছাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাদের জন্য আলাদা কোন কমন রুম কিংবা টয়লেট নাই। একটি টয়লেট রয়েছে যা ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে হয়। এখানে শেখ রাসেল কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে। যেখানে ছাত্র-ছাত্রীরা আটসাটভাবে কম্পিউটার পরিচালনা করে থাকে।
বেলোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠানের সুনাম রয়েছে, শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় শতভাগ পাশ করছে। কিন্তু শ্রেণী কক্ষ সংকট আছে। যার কারণে কোন কোন ক্লাস ২০ মিনিট নিতে হয়। এছাড়া সরকারীভাবে ভবন দুটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।  তারপরে ও ঝুকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান করা হচ্ছে। ছাত্রীদের কমন রুম না থাকায় মাটির ঘরে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইসমাইল মল্লিক বলেন, সুকাশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান এটি। নতুন ভবন খুবই জরুরী। মাননীরূপ্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপিকে বিষয়টি বলা হয়েছে, তিনি আমাদের প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন। আশাকরি দ্রুত আমরা তার প্রতিফলন দেখতে পারবো।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
শিক্ষা পাতার আরো খবর

Developed by orangebd