ঢাকা : বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর, ২০১৭ ১৪:৫৭:৩৭
রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 

চলতি বছরের আগস্ট মাসে রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে। এ মাসে ১৪১৮.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স দেশে এসেছে। ২০১৬ সালের জুন মাসের পর এটি সর্বোচ্চ রেমিটেন্স প্রবাহ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিরা যে কোনো উৎসবের আগে দেশে বেশি পরিমাণ রেমিটেন্স পাঠায়। পবিত্র ঈদুল আজহার আগে সাধারণত রেমিটেন্স একটু বেশিই আসে। এ বছরও সেটি ঘটেছে। তবে রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক বৈধ চ্যানেলে দেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উৎসাহীত করতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
তিনি আরো জানান, কিছু অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলে টাকা পাঠানোর অংশ হিসাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর নজরদারিতে মোবাইল ব্যাংকিং এর অনুমোদন দেয়। একই সঙ্গে অবৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স পাঠানোর কিছু মোবাইল নম্বর জব্দ করা হয়। অবৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স পাঠানোর কারণে ২০১৪-১৫ সালে দেশে রেমিটেন্স প্রবাহ হ্রাস পেয়েছিল। তবে পরবর্তীতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়। আগস্ট মাসে ১,৪১৮.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স দেশে এসেছে। এর আগের বছরে এ সময়ে দেশে রেমিটেন্স এসেছিল ২৩৪.৯৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
গত জুলাই মাসে দেশে রেমিটেন্স এসেছে ১,১১৫,৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এর আগের বছরে এ সময়ে এসেছিল ১১০.০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে দেশে রেমিটেন্স এসেছিল ১৫,৩১৬.৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১৬ সালে এসেছিল ১৪,৯৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০১৭ সালে এ পর্যন্ত এসেছে ১২,৭৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স।
রাজী হাসান আরও জানান, অবৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেশে টাকা পাঠানো বন্ধ করতে অবৈধ বিকাশ অথবা রকেট এজেন্ট বন্ধ করে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোকে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
এর আগে রেমিটেন্স প্রবাহ কমে যাবার কারণ উদঘাটনে মালয়েশিয়ায় দুইটি তদন্ত দল পাঠানো হয়। তদন্তে দেখা গেছে, প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে অবৈধ চ্যানেল ব্যবহার করছে।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
অর্থ-বাণিজ্য পাতার আরো খবর

Developed by orangebd