ঢাকা : বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ১১ অক্টোবর, ২০১৭ ১৭:৩৫:১৩
নিম্নচাপ-ভারী বৃষ্টিতে বেনাপোলে ধানক্ষেতসহ সবজির ক্ষতি
এম এ রহিম, বেনাপোল


 


টানা তিনদিনের নিম্নচাপ, ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে যশোরের বেনাপোল সহ শার্শা উপজেলার নিন্মঞ্চলের পেপে কলা ও আউশ ফসলের ধান ক্ষেত সহ সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপড়ে গেছে কয়েক শত বিঘা জমির কলা ও পেপে গাছ। কৃষকরা পড়েছেন দু:চিন্তায়। অনেক চাষী ক্ষতি পোষাতে পেপে খেতে বাস দিয়ে গাছ রক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছেন। রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হওয়া নিন্মচাপ ও ভারী বর্ষনে সবজি ও কৃষি খেতের ক্ষতি হয়েছে বলে জানান স্থানীয় চাষীরা লাভের আশা ম্লান হয়ে গেছে বলে জানান তারা।
উলাশি গ্রামের আমিনুর রহমান আতাউর ও আরসাদ আলী বলেন, ১৯০ শতক জমিতে কপি ও ৪০শতক জমিতে পেপে ও কলা গাছ সহ বিভিন্ন ধরনের সবজি লাগিয়ে লাভের আশা করছিলেন তারা। বৃষ্টিতে সব ম্লান হয়ে গেছে। ১০থেকে ২০হাজার টাকা সবজি বিক্রি করেছেন তারা। আসল উঠানোর চেষ্টায় জমিতে পরিচর্যা করছেন।
লক্ষরপুর গ্রামের লোকমান হোসেন,ইসমাইল ও সলেমান হোসেন জানান,বৃষ্টিতে আগাম জাতে আউশ ধান ও পেপে কলা কপি মুলার ক্ষতি হয়েছে। কিছু উঁচু জমিতে লাগানো সবজি রক্ষা  পেয়েছে বলে জানান তারা।  
উলাশি ইউপি-উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা-মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শার্শা উপজেলার কৃষি পল্লি হিসাবে ক্ষ্যাত ঊলাশি ইউনিয়নের ২শ বিঘা জমির সবজি ও ধান ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষকদের খোজখবর নিচ্ছেন কৃষি বিভাগ।  
শার্শা উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা পলাশ কিশোর ঘোষ-জানান, নিন্মচাপ ও বৃষ্টিপাতে আউশ আবাদের পাকা ধান ও আগাম রবি শষ্য পেপে ফুল কপি পাতা কপির ক্ষতি হলেও আমন ধানের উপকার হয়েছে। প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরপনে চেষ্টা করছেন উপজেল্ াকৃষি অধিদপ্তর।
 
শার্শা উপজেলায় ১১টি ইউনিয়নেই টানা তিনদিনের  নিন্মচাপে প্রায় ৪শহেক্টর জমির অধিকাংশ সবজি ও ধান ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  হীরক কুমার সরকার। তিনি বলেন রোদ উঠার পরও আরো কিছু জমিতে সবজি ক্ষতি হতে পারে। তবে পানি নিষ্কাশনে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির নিরপনে ব্লক সুপারভাইজারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
অর্থ-বাণিজ্য পাতার আরো খবর

Developed by orangebd