ঢাকা : বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে          জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়নি : সিইসি          আ.লীগ সরকার ছাড়া কোনো দলই এত পুরস্কার পায়নি : প্রধানমন্ত্রী          মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে : অর্থমন্ত্রী          রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চিকে জাতিসংঘের অনুরোধ
printer
প্রকাশ : ২২ অক্টোবর, ২০১৭ ১৭:৫৮:৩৬
আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 

আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।এই লক্ষ্যে ঢাকা শহরের ৪৭টি খাল পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ২২ অক্টোবর রোববার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।
 
মন্ত্রী বলেন, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, অপরিকল্পিত নগরায়নসহ ঢাকা শহরের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসাসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধানে সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
 
জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশন ও ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা বিষয়ক অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরের সমস্যাগুলো এক দিনের নয়, এইগুলো দীর্ঘদিনে সৃষ্টি হয়েছে। সমাধানেও একটু সময় লাগছে, তা নিরসন করা সম্ভব, তবে আমরা আন্তরিকতার সাথে কাজ করছি। আশা করি আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই জলাবদ্ধতা সমস্যার অনেকটা সমাধান হবে।
 
তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহরের খালগুলো ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এগুলো পরিষ্কার করতে হবে। সবকয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে।
 
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ওসমান গনির সভাপতিত্বে ‘মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এই সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক। উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিসবাহুল ইসলাম সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এ সময় দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলালসহ দুই সিটি কর্পোরেশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
মন্ত্রী বলেন, দেশে মেট্রোপলিটন এলাকায় ১ হাজার ৭শ’ বিশেষায়িত, সাধারণ হাসপাতাল ও ক্লিনিক, মেডিকেল কলেজ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এছাড়া ১৯৯টি অ্যালোপ্যাথিক, ১৭২টি আয়ুর্বেদিক, ২৬৯টি ইউনানী, ২৯টি হার্বাল ও ২৮টি হোমিওপ্যাথিকসহ মোট ৭শ’টির অধিক কোম্পানী নিয়মিত ওষুধ উৎপাদন করে থাকে। হাসপাতাল ও ওষুধ কোম্পানীগুলো থেকে বিপুল পরিমান বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এসব ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো এ ব্যাপারে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
 
সেমিনার শেষে মেয়র সাঈদ খোকন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ঢাকায় দুই দিনে ২৩০ মিলি মিটার বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরেসনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
 
বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিরাজমান সমন্বয়হীনতার বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরেসনে ৬টি সংস্থা কাজ করে। তবে অতিবর্ষণজনিত জলাবদ্ধতা নিরসনের মূল দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসার। সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ কিছু ড্রেনেজের কাজ করে থাকে।
 
তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন ওয়াসার সঙ্গে সমন্বয় করে জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে।
 
সাঈদ খোকন বলেন, সিটি কর্পোরেশনের অন্য যে কোনো কাজের চেয়ে সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। বর্তমানে উচ্চ আদালতের নির্দেশে সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে কোনো বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম আর পরিচালনা হয় না।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় পাতার আরো খবর

Developed by orangebd