ঢাকা : রোববার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • মেক্সিকোতে শক্তিশালী ভূমিকম্প          এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ এপ্রিল          শিক্ষকদের হাতেই রয়েছে জাতির ভবিষ্যত : প্রধানমন্ত্রী          তিন হাজার বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে          পাবলিক পরীক্ষায় অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী           সালেই বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে : মেনন
printer
প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর, ২০১৭ ১৭:৫৫:৪৪
মিয়ানমার সরকার তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মিয়ানমার সরকার প্রাথমিকভাবে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে। বিশ্বজনমতও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আরও জোরদার হয়েছে।
 
২৫ অক্টোবর বুধবার ওবায়দুল কাদেরের সাথে বনানীস্থ সেতুভবনে ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
 
ভারতের হাইকমিশনারের সাথে সাক্ষাৎ এর বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, হাইকমিশনারে সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও কথা হয়েছে। ভারত রোহিঙ্গা বিষয়ে তাদের সুর আগের চেয়ে অনেক জোরদার করেছে। আমরা মনে করি, আগে তারা সহযোগিতার কথায় ছিলেন। এবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী (সুষমা স্বরাজ) ঢাকা সফরে এসে প্রকাশ্যে বলে গেছেন, রোহিঙ্গা নাগরিকদের স্বদেশে ফিরিয়ে নিতেই হবে। ভারতও মিয়ানমারের ওপর চাপ দেওয়া শুরু করেছে।
আমেরিকা মিয়ানমারের ওপর আরও কঠিন অবরোধ আরোপের কথা ভাবছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এভাবে চাপ অব্যাহত থাকলে অবশ্যই মিয়ানমার তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবে।
 
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমারের ওপর আরও কঠিন চাপ অব্যাহত রাখবে। প্রয়োজনে অবরোধ আরোপ করা যেতে পারে। যেন তারা বাধ্য হয়ে নিজেদের নাগরিকদের বোঝা বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
 
ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নভেম্বর মাসের শেষ দিকে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল ভারতে যাবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া ভারতের বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধবের আমন্ত্রণে এ সফরে যাবে প্রতিনিধি দলটি।
 
সাক্ষাতে আলাপের বিষয়ে হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ যেভাবে সহযোগিতা করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের এই প্রচেষ্টার প্রতি ভারতের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ভারত বিশ্বাস করে, রাখাইনে শুধু সহিংসতা বন্ধ করলেই চলবে না। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। আর রোহিঙ্গা সংকটের ইতি টানার জন্য কফি আনান কমিশন সুপারিশ হতে পারে সঠিক সমাধান।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় পাতার আরো খবর

Developed by orangebd