ঢাকা : শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • আ.লীগকে হারানোর মতো দল বাংলাদেশে নেই : জয়          ইরানে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প          সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে
printer
প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর, ২০১৭ ১১:৪৬:৫০
‘পৃথিবীর কাছে নোটিশ’
একটি প্রতিবাদী কবিতাপত্রের কথা
নজরুল আলম

 

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট কালরাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডকে পরবর্তীকালে কেউ কেউ নিছক বিপথগামী কতিপয় সেনা অফিসারের ঘটানো আকস্মিক দুর্ঘটনা হিসাবে দেখাতে চেয়েছে। আসলে এটি মোটেই তা নয়। এটি ছিল সুদূরপ্রসারী একটি পরিকল্পিত চক্রান্তের বহিঃপ্রকাশ। এটি ছিল একটি আদর্শের মৃত্যু ঘটানোর অপচেষ্টা। যে আদর্শের বীজমন্ত্র পাঠ করে বাঙালি ২৩ বছর গণতন্ত্রের জন্যে লড়াই করে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছিল- এই হত্যাকাণ্ড ছিল তার মৃত্যু ঘটানোর অপপ্রয়াস। একটি অসাম্প্রদায়িক শোষণমুক্ত রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলা বাঙালি জাতির হাজার বছরের স্বপ্ন ছিল। এ হত্যাকাণ্ড সেই স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করতে চেয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের অনেক প্রভাবশালী নেতা সদলবলে খুনী মোশতাকের মন্ত্রিসভায় যোগদান করে। ফলে সাধারণ মানুষ প্রচণ্ড বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যায়।
সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডকে একটি আদর্শের মৃত্যু হিসেবে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয় এদেশের কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী মহল। বিশেষত একুশের বই মেলায় নির্মলেন্দু গুণের সেই ঐতিহাসিক কবিতার উচ্চারণ ‘স্বাধীনতা এ শব্দটি আমাদের কি করে হল’ কবিতাটি। ১৯৭৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের ক’জন শিক্ষার্থীর উদ্যোগে প্রথম প্রকাশিত ‘এ লাশ আমরা রাখবো কোথায়’ শিরোনামে গোপন কবিতার সংকলনটি তৎকালীন ছাত্রসমাজ, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। গোপন ইশতেহারের মতো তখন এই সংকলন অনেকের হাতে হাতে ঘুরেছে।
এ রকম প্রেক্ষাপটে রাজধানীর কাছের শহর নারায়ণগঞ্জের ক’জন তরুণ কবি গোপনে একত্রিত হন একটি প্রতিবাদী কবিতা সংকলন প্রকাশের প্রচেষ্টার সাথে। এখানে ১৯৭৮ সাল থেকে ‘ড্যাফোডিল’ নামে একটি কবিতা পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছিল। ‘ড্যাফোডিল এফিউসন গ্রুপ’ নামে তরুণ কবিদের একটি দল নিয়মিত এই কবিতানির্ভর পত্রিকাটি প্রকাশ করছিলেন।
১৯৭৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে রচিত এদেশের দ্বিতীয় কাব্য সংকলন ‘পৃথিবীর কাছে নোটিশ’। এ কাব্য সংকলনের চতুর্থ প্রচ্ছদে প্রকাশনার ভূমিকা সম্পর্কে এক ঐতিহাসিক সত্য উচ্চারণ করা হয়-
‘মুজিব বাঙালী জাতিসত্ত্বার গভীর স্পন্দন। স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরন্তন গৌরবগাঁথা। তাঁর রেখে যাওয়া প্রেম, আমাদের সমুদ্র সাহস। এই সাহস দিয়েই আমরা ‘পৃথিবীর কাছে নোটিশ’
প্রত্যাঘাত হানি। প্রতিরোধে প্রতিরোধে হই উজ্জ্বল সূর্য। স্বদেশের মাটিতে আমরা মহান পিতার শেকড় প্রোথিত সন্তান। আমরাই মায়ের বুকের শান্ত সুবোধ ছেলে, আবার আমরাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে শাণিত অস্ত্রের লৌহ কঠিন মুখ। মহান পিতার নিধনে আমরা প্রতিবাদী, প্রতিরোধী, বজ্ররূপী সংঘাত। আমরা পিতার জন্যে বুকের রক্তে প্লাবন বইয়ে দিতে প্রস্তুত। খুনী শাসকের কাছে আমরা মাথা নত হতে জানি না। গোটা পৃথিবীর কাছে স্বত্ব জয় করার আমরা আবহমান লড়াই। চাইÑ আমরা মুজিব হত্যার বিচার চাই।’
মোট সাতাশ জন কবি এই সংকলনে অগ্নিসম কবিতা সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছেন। সংকলনটির শুরুতে ছাপা হয়েছে বাংলা ভাষার মহানতম লেখক অন্নদাশঙ্কর রায়ের একটি কবিতা। তাঁর কবিতায় তিনি এই নিকৃষ্টতম হত্যাকে ধিক্কার জানিয়েছেন।
কবি অন্নদাশঙ্কর রায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মরণে’ কবিতায় লিখেছেনÑ ‘নরহত্যা মহাপাপ, তার চেয়ে পাপ আরো বড়ো/ করে যদি যারা তাঁর পুত্রসম বিশ্বাসভাজন/ জাতির জনক যিনি অতর্কিতে তাঁরেই নিধন/ নিধন সবংশে হলে সেই পাপ আরো গুরুতর।.../ বাংলাদেশ! বাংলাদেশ! থেকো নাকো নীরব দর্শক, /ধিক্কারে মুখর হও। হাত ধুয়ে এড়াও নরক।’
কবি নির্মলেন্দু গুণ ‘সিন্দাবাদ’ কবিতায় লিখেছেনÑ ‘অভ্যন্তরে জাগিছে পিতৃভূমি/ আমিও জেগেছি যমুনার জলে/ অতল গর্ভ থেকে।/ আমাকেই যদি জাগালে হে নাথ/এবার তুমিও জাগো,/ সত্য শুভ্র কান্তিতে তব/ অগ্নিভস্ম মেখে/ উঠে এসো ফের তুমি/ বজ্রকণ্ঠে জাগিছে পিতৃভূমি/তোমার গর্ব পথের ধূলায় আর/ হেলায় হারাব নাগো।/... এখনও ফেরার সময় হয়নি পিতা?’
কবি মহাদেব সাহা ‘কফিন কাহিনী’ কবিতায় লিখেছেনÑ ‘চারজন দেবদূত এসে ঘিরে আছে একটি কফিন/ একজন বললো দেখো ভিতরে রঙিন/ রক্তমাখা জামা ছিলো হয়ে গেছে ফুল/ চোখ দুটি মেঘে মেঘে ব্যথিত বকুল!’
কথাশিল্পী রাহাত খান ‘আমার সৌভাগ্য’ শিরোনামে কবিতায় লিখেছেনÑ ... ‘বন্ধু, সজ্জন সবাইকে ভালবাসি। ভালবেসে/ বলে যেতে ইচ্ছে হয়, হয়তো কিছুই/পাইনি ঠাঁই সময়ের ইতিহাসে,/... আমি/ পুত্রকে কন্যাকে বলে যাবো, বলে যাবো/শেখ মুজিবের সময়ের মানুষ আমি, আমি/ এই সৌভাগ্য পেয়েছি’।
কবি ওয়াহিদ রেজা ছিয়াশি লাইনের একটি দীর্ঘ কবিতা লিখেছেন ‘পৃথিবীর কাছে নোটিশ’ শিরোনামে।
‘আমি হারিয়ে ফেলেছি আমার/ রঙিন পুরোনো ঘুড়ি/ স্বপ্নের সুষমা মুখ/ সবুজ জলাশয়/ ফুলের সংসার;/ জীবন্ত স্মৃতির জ্বলন্ত উপকূল ভূমি!/ .... পৃথিবী; রক্তের সন্ধানে যারা লাল করেছে মুজিবের বুক/ কালো রাত্তিরে যারা রক্ত পা’য়ে হেঁটে অপবিত্র করেছে ছবি;/তুমি তাদের চিতা দ্যাখাও/ চিতার অনলে জ্বালো নারকীয় কীট;/ নইলে আমি কবিতার পাণ্ডুলিপি জ্বেলে টকটকে চিতায়/ মুজিব হত্যার প্রতিশোধ নেবো.../ আজো বাঙলায় নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের গন্ধে/ মুজিবের শূন্যতার ব্যথা!’
কবি ইউসুফ পাশা ‘কাঠের নৌকা’ শিরোনামে কবিতায় লিখেছেনÑ
‘নিস্তব্ধ শুয়ে আছে ৩২ নম্বর রোড/ ধানমন্ডি লেক, পরিমিত জ্বলের দু’একটি মাছ/ সেই আশ্চর্য মুখের ছবি খোঁজে ফিরে।/ যাঁর মুখ বহুদিন দেখেছে শহীদ মিনার/ রেসকোর্স পল্টন ময়দান/ পায়ের স্পর্শ পেলেই সশ্রদ্ধ ছেড়ে দিতো/ নির্দিষ্ট মঞ্চের আসন/....অথৈ গাঙের জলে তাঁর সবটা শরীর/ এই বাংলাদেশ/ স্থির বিশ্বাসে নোঙর গেড়েছে দেখো/ মুজিবের কাঠের নৌকা।’
কবি মোহাম্মদ রফিক ‘ব্যাঘ্র বিষয়ক’ কবিতায় লিখেছেনÑ ‘আগষ্টের পনের তারিখ ঊনিশ শ’ পঁচাত্তোর;/ অতর্কিত শিকারীর পদশব্দে অরণ্য শংকিত/ বাদুড়ের ডানার ঝাপ্টায় গজারীর মৃত পাতা/ খ’সে পড়ে/...প্রমত্ত গর্জনে সাড়া তুলবে অকস্মাৎ;/ বাঙালীর শুদ্ধ নাম শেখ মুজিবুর রহমান।’
কবি হালিম আজাদ ‘মুজিব একটি বিশুদ্ধ বাংলাদেশ’ কবিতায় লিখেছেনÑ ‘কার জন্যে মাদুর বিছিয়ে রাখবো! /স্বদেশের বুক শূন্যতায় নিবিড় হ’য়ে আছে/ জাতির মাটিতে প্রিয়জন নেই, বাতাসে প্রচণ্ড/ বিক্ষোভ! ভূমির কর্ষণে অপূর্ণ শোকধ্বনি;/ হায় মুজিব! হায় মুজিব! হায় মুজিব!’
কবি বজলুর রায়হান ‘শব্দ উঠেছে কার?’ শিরোনামে কবিতায় লিখেছেনÑ ‘স্বদেশের এই সরস মাটিতে শব্দ উঠেছে কার/ আলো হাতে বলে মুগ্ধ প্রেমিক ‘জাতির পিতা’র/...স্বদেশের এই ক্ষুব্ধ মাটিতে শব্দ উঠেছে কার/বলে দুখী জনতার প্রত্যয়ী মিছিল ‘জাতির পিতা’র।’‘পৃথিবীর কাছে নোটিশ’
কবি বাকী বিল্লাহ ‘বিবৃতি/’৭৯’ কবিতায় লিখেছেনÑ ‘আর যদি একটা গুলি চলে.../তাহলে আমিও জাগাবো স্বদেশ।/ আমিও বিক্ষোভ হবো.../প্রিয় দেশবাসী;/ঐ যে ঘাতক/ বসে আছে দর্পিত মুখে; ওকে প্রত্যেকে ঘৃণাস্পর্শ করো/ওকে প্রত্যেকে অভিশাপ দাও/....ভাসাবো শেখের নাও; য্যানো/মুজিবের বাঁশী বাজাতে রাখাল ফিরে আসে/ প্রতিদিন এই বাংলায়, এই শান্ত শীতল ঘরে।’
কবি নজরুল ইসলাম মিন্টু ‘স্বগত উক্তি’ কবিতায় লিখেছেন- ‘অতঃপর একদিন দেখো মোশতাক বলতে/ বিশ্বাসঘাতকদেরই বোঝাবে। য্যামন বোঝায়/ মীর জাফর আলী খাঁ’...
কবি মণীন্দ্র ঘটক ‘ভায়েরা আমার’ কবিতায় লিখেছেনÑ ‘একজন মানুষের কথা কি ভাবে বলা যায়/ আমি জানি না/ ...আমরা সব ভুলতে পারি/ কেবল ভুলতে পারি না-/ পৃথিবীতে শেখ মুজিব আছেন!/তিনি বলতেন, ‘ভায়েরা আমার...’বাঙলার সেই/ বজ্রকণ্ঠ আমরা ভুলি নাই, ভুলবো না।’
ছড়াশিল্পী ইউসুফ আলী এটম লিখেছেন ‘বদলা নেবো খুনের’Ñ ‘কোথায় মুজিব, শেখ মুজিবর নেই কেনো আজ তার দেশে/ নেই কেনো আজ দেশের পিতা, বলরে খুনী কার দেশ এ?/ কার দেশে তুই ঘুরিস-ফিরিস বুকের সিনা টান করে/ কার হুকুমে লাফাস-দাফাস, পিতার খুনে স্নান করে?/...মুজিব আমার বাংলাদেশের সাগর সেচা রতœ/ সেই রতœ বুকের ঘরে করছি সদা যতœ।’
কবি রফিউর রাব্বি তার ‘সাম্প্রতিক ছড়া’য় লিখেছেনÑ ‘লেটেং পেটেং নেংটা হ’য়ে/ ছিঃ ছিঃ কতো লজ্জা;/ নতুন করে আজকে আবার/ পাল্টালো সাজ-সজ্জা!/ ...‘জয় বাংলা’ উল্টে দিয়ে/ ধরলো গাজীর গীত;/ সিওর সিওর হবেই এবার/ জিন্দাবাদের জিত!’
কবি নাহিদ আজাদ ‘ব্ল্যাক-ডে’ কবিতায় লিখেছেন-‘.... আমাকে তোমরা যদি আরেকবার স্বাধীনতা দিতে/ তাহলে সারা পৃথিবীকে চিৎকার করে জানিয়ে দিতাম:/ ভাইসব- ১৫ই আগষ্ট কালো নিশান/ ১৫ই আগষ্ট ব্লাক-ডে।’
এতে আরো লিখেছেনÑ মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, শিখা চৌধুরী, আনিছুর রহমান, শামিমা বেগম, সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, গৌতম সরকার, মেহেদী ইকবাল, অশোক গুহ, ফজলুল বারী, মোঃ আসাদুজ্জামান, নিরঞ্জন রায় নীরু এবং স্বপন দেব।
এ কথা আজ প্রণিধান করতে হবে যে, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই বঙ্গবন্ধুর যথাযথ মূল্যায়ন করতে সক্ষম ছিলেন না। আসলে আওয়ামী লীগ’ত মুসলিম লীগেরই উত্তরসূরি। এক সময় যারা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্যে লড়াই করেছে তাদের পক্ষে পাকিস্তান ভাঙার কাজ অত সহজ ছিল না। বঙ্গবন্ধু তাঁর সময়ে তাঁর সংগঠন থেকে ছিলেন একধাপ অগ্রসর মানুষ। তিনি ছিলেন অনন্য মর্যাদাসম্পন্ন। সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর মতো অকুতোভয় চারজন সেনাপতি, পাশে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুকে যোগ্যস্থানে নিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন। বঙ্গবন্ধু মুজিব হয়ে ওঠেন বাঙালি জাতির আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক।
‘পৃথিবীর কাছে নোটিশ‘ সংকলনটিতে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রেক্ষাপটে তোলা ফটোগ্রাফ থেকে প্রচ্ছদ করা হয়। এতে কোনো প্রকাশকের ঠিকানা দেওয়া হয়নি। শুধু উল্লেখ করা হয়- ‘ড্যাফোডিল এফিউসন গ্রুপ’ কর্তৃক নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রকাশিত ও মুদ্রিত। মুদ্রাকরের নামও লেখা হয়নি। এটি ছিল অনেক গোপনে অথচ লেখকদের মধ্যে হাতে হাতে ঘোরা বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে একটি অসাধারণ সাহসী প্রকাশনা।
লেখক : কবি ও প্রাবন্ধিক

printer
সর্বশেষ সংবাদ
মুক্ত কলম পাতার আরো খবর

Developed by orangebd