ঢাকা : শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম :

  • আ.লীগকে হারানোর মতো দল বাংলাদেশে নেই : জয়          ইরানে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প          সরকার নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী          দক্ষতা-জ্ঞান-প্রযুক্তির মাধ্যমেই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী           বাংলাদেশে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে
printer
প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০১:৪৩:০৯
বন্ধ হলো আদর্শ নগর পিতা আনিসুল হকের দেহঘড়ি
টাইমওয়াচ রিপোর্ট



ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাংলাদেশ সময় ৩০ নভেম্বর রাতে চিকিৎসকেরা তাঁর কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসযন্ত্র (ভেনটিলেশন যন্ত্র) খুলে নেন। এরপর তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। ওই দিন রাতে মেয়রের পারিবারিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। পারিবারিক সূত্র জানা যায়, আনিসুল হক লন্ডনের স্থানীয় সময় ৪টা ২৩ মিনিটে এবং বাংলাদেশের স্থানীয় সময় ৩০ নভেম্বর রাত ১০টা ২৩ মিনিটে পরলোক গমন করেছেন। তাঁর পাশে সেই সময় উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী, পুত্র ও কন্যারা। আগামী শনিবার বেলা ১১টা ৪০মিনিটে আনিসুল হকের মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। বিমানবন্দর থেকে মরদেহ তাঁর বাসায় নেওয়া হবে। ওই দিন বাদ আসর তাঁকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালে মেয়র আনিসুল হক চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবার যুক্তরাজ্যে যান মেয়র আনিসুল হক। অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১৩ আগস্ট তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর শরীরে মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকেরা। এরপর তাঁকে দীর্ঘদিন আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
এফবিসিসিআই ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি, ব্যবসায়ী ও একসময়কার টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব আনিসুল হক ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৫২ সালে চট্টগ্রামের নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাঁর শৈশবের একটি বড় সময় কাটে ফেনীর সোনাগাজীর নানার বাড়িতে।
আশি ও নব্বইয়ের দশকে টিভি উপস্থাপক হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন আনিসুল হক। তার উপস্থাপনায় ‘আনন্দমেলা’ ও ‘অন্তরালে’ অনুষ্ঠান দুটি জনপ্রিয়তা পায়। তবে পরে টেলিভিশনের পর্দায় মানুষ তাকে বেশি দেখেছিল ব্যবসায়ী নেতা হিসেবেই। ২০০৫-০৬ সালে বিজিএমইএর সভাপতির দায়িত্ব পালনের পর ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি হন তিনি। ২০১০ থেকে ২০১২ সাল মেয়াদে সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন আনিসুল হক।
মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ; শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় পাতার আরো খবর

Developed by orangebd