ঢাকা : শনিবার, ২০ জানুয়ারি ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • আঞ্চলিক দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশে নারীরা এগিয়ে : চুমকি          তিন হাজার বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে          সরকারের কাজ সম্পর্কে জনগণকে ধারণা দিতেই উন্নয়ন মেলা          পাবলিক পরীক্ষায় অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী           সালেই বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে : মেনন          বিশ্ব ইজতেমায় বিভিন্ন দেশ থেকে আসছে শতশত মুসুল্লি
printer
প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৪:৫৬:৫৭
ঝিনাইগাতীর বধ্যভূমিগুলো আজো সংরক্ষণ করা হয়নি
ঝিনাইগাতী (শেরপুর) সংবাদদাতা


 


শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বধ্যভূমি গুলো ৪৬ বছরেও সংরক্ষণ করা হয়নি। ফলে অযত্মে আর অবহেলায় বধ্যভূমি গুলো গো-চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। এ উপজেলার বধ্যভূমি গুলো হচ্ছে, আহমদনগর, জগতপুর, বগাডুবি, কাটাখালি, ঘাগড়া কোনাপাড়া, রাঙ্গামাটি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকহানাদার বাহিনী ও স্থানীয় রাজাকার, আলবদর’রা শতশত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বিচারে হত্যা করে এসব বধ্যভূমি গুলোতে গণকবর দেয়। স্বাধীনতার ৪৬ বছরেও এসব বধ্যভূমি গুলো অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। সরকার বা স্থানীয়ভাবে বধ্যভূমিগুলো আজো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। বধ্যভূমি গুলোর পাশে আজো নির্মিত হয়নি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ। ঘাগড়া কোনাপাড়া বধ্যভূমির পাশে এলজিইডি’র অর্থায়নে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হলেও তা অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা এখন গো-চারণ ভূমি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ভবিষৎ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অবহিত করতে হলে এসব বধ্যভূমি গুলো সংরক্ষণ করা প্রয়োজন বলে দাবী করেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd