ঢাকা : সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পাস          বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর          মুম্বাইয়ে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৫          প্রস্তাবিত বাজেট সর্বোচ্চ জনকল্যাণমুখী : পরিকল্পনামন্ত্রী          গণতন্ত্র এখন সুরক্ষিত : প্রধানমন্ত্রী          নারীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সকলকে সহযোগিতার আহবান স্পিকারের
printer
প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৭:১৫:৫৪
৮ স্তরের নিরাপত্তা চাদরে ঢাকা ইজতেমা ময়দান
টঙ্গী সংবাদদাতা


 


ঢাকার অদূরে টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে আগামীকাল থেকে তাবলীগ জামাতের সর্ববৃহৎ মহাসমাবেশ বিশ্ব ইজতেমা শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্নস্থান থেকে বাস-ট্রাক, ট্রেন ও লঞ্চযোগে ও পায়ে হেঁটে মুসল্ল¬ীরা ইজতেমাকে লক্ষ্য করে টঙ্গী আসতে শুরু করেছেন এবং জেলাওয়ারিশ খিত্তা দেখে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। সারাদেশের মতো টঙ্গীতেও বইছে হিমেল হাওয়া। কাপছে মানুষ। কিন্তু ইজতেমা মাঠে শীত হাড় মেনেছে। উপস্থিত সববয়সী মুসল্লীরা এ শীতকে তুচ্ছ জ্ঞান করে ইজতেমার বিশাল সামিয়ানাসহ লাখো লাখো মুসল্লীর জন্য তৈরি করেছেন। ১২ জানুয়ারী শুরু হওয়া প্রথম পর্বের ইজতেমার জন্য ১৬৫ একরে পুরো ময়দানকে ২৮টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি খিত্তায় রয়েছে খিত্তা ও খুঁটি নম্বর। এ খিত্তা ও খুঁটি নাম্বার অনুযায়ী বাংলাদেশের ৩২ জেলার মুসল্লীরা অবস্থান নিয়ে বয়ান শুনবেন এবং ১৪ জানুয়ারী আখেরী মোনাজাতে অংশ নিবেন।  গতকালও ময়দানে গিয়ে দেখা গেছে খিত্তায় খিত্তায় ও খুঁটি নাম্বার লাগানো হচ্ছে। কোন কোন জায়গায় অসম্পূর্ণ থাকলে তা সম্পূর্ণ করা হচ্ছে। ইট, সুঁড়কি এবং অন্যান্য ময়লা আবর্জ্যনা সরিয়ে সবুজ ময়দানকে আরো সুন্দর করা হচ্ছে। শীতের কুয়াশা মাড়িয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে সবকাজ সম্পন্ন করে চলেছেন শত শত মুসল্লী। হিমেল হাওয়া আর তীব্র শীত যেন তাদের কাছে কিছুই নয়। ইজতেমার পুরো মাঠের জেলাওয়ারী খিত্তায় তাবলীগ জামাতের মুসল্লীরা গতকাল বুধবার থেকে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার থেকে দেশের বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ আখেরী মোনাজত পর্যন্ত এ আশা অব্যাহত থাকবে। হাড় কাপানো শীত উপেক্ষা করে সারা দেশ থেকে মানুষের স্রোত এখন টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ অভিমুখে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেও মুসল্লীরা আসতে শুরু করেছেন। মানুষের এ স্রোত আগামী ১২ জানুয়ারী প্রথম পর্বের শেষ দিন অথাৎ আখেরী মোনাজাতের আগ মূহুর্ত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

এদিকে মুসল্লীদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় ৮স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে। নিরাপত্তার চাদরে ডাকা রয়েছে ইজতেমা ময়দান। যাতে ইজতেমা ময়দানে কোন ধরনের জঙ্গী কার্যক্রম চালিয়ে নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১০হাজার পোশাকী-সাদাপোশাকী সদস্য প্রস্তুত রয়েছে।

আগামী ১৪ জানুয়ারি রোববার আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমার এ মহা ইসলামী সমাবেশ। মাঝে ৪ দিন বিরতি দিয়ে ১৯জানুয়ারী থেকে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। ২১ জানুয়ারী আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দু’পর্বের বিশ্ব ইজতেমা। এ সমাবেশে আগত মুসল্লীদের জন্য টঙ্গীর তুরাগ তীরে ১৬৫ একর খোলা সবুজ ও সমতল জমিনের উপর পাটের চট দিয়ে শত শত মুসল্লী দীর্ঘ দুই মাস স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে সুবিশাল প্যান্ডেল তৈরী করেছেন। তাবলীগ জামাতের এ মিলন মেলায় বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের শতাধিক দেশ থেকে ৩০/৩৫ হাজার বিদেশী মেহমানসহ প্রায় ২০/২৫ লাখ মুসল্ল¬¬¬ীর সমাবেশ ঘটবে বলে আয়োজক কমিটির মুরব্বিরা আশা করছেন। লাখো মুসল্লীর অংশগ্রহণে শুক্রবার প্রথম পর্বের প্রথম দিন দেশের বৃহত্তম জুম্মার জামাত অনুষ্ঠিত হবে এ ইজতেমা ময়দানে। উপস্থিত মুসল্লীরা ছাড়াও ঢাকা, টঙ্গী, গাজীপুর, নরসিংদী, সাভার ইত্যাদি এলাকা থেকে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লীও এই জুম্মার নামাজে অংশ নিয়ে থাকেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৯৬৭ সাল থেকে টঙ্গীর এই তুরাগ নদের তীরে নিয়মিত ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তাবলীগ অনুসারী মুসল্লীর সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকায় মুসল্লীদের চাপ কমাতে ২০১১ সাল থেকে বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ইজতেমা মাঠে জায়গা সংকুলান না হয়ায় এ বছর থেকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে মুল ইজতেমার কার্যক্রম।

গতকাল স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ জাহিদ আহসান রাসেলকে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ইজতেমা মাঠে ইট, সুরকিসহ বিভিন্ন আবর্জ্যনা  সরাতে দেখা গেছে। তিনি ইজতেমা মুরুব্বীদের সাথে কথা বলে বিভিন্ন বিষয়ে খোজখবর নেন।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লীদের ২৪ঘন্টা সেবাদানে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। গাজীপুর সিটি মেয়র এম এ মান্নান জানান, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রশাসনের নজরদারির জন্য ৫টি কন্ট্রোল রুম নির্মাণ করা হয়েছে। ইজতেমায় আগত দেশী-বিদেশী মুসল্লীদের স্বাগত জানিয়ে ৮টি তোরণ, ইজতেমার নিরাপত্তার জন্য র‌্যাবের ৯টি ও পুলিশের ৫টিসহ মোট ৪১টি ওয়াচ টাওয়ার ও সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ইজতেমায় নিয়োজিত নিরাপত্তা সদস্যদের জন্য ১৫০টি অস্থায়ী টয়লেট নিমাণ, ২০টি ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম গ্রহণ, ইজতেমা কর্তৃপক্ষের চাহিদা মোতাবেক ৭০ ড্রাম ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করা, ইজতেমা চলাকালীন সময় ২০টি গার্বেজ ট্রাকের মাধ্যমে দিন-রাত বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম নিশ্চিত করণ, কন্ট্রোল রুম সমূহ ও অন্যান্য অস্থায়ী ভাবে খুটি স্থাপনের মাধ্যমে ৪০০টি বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা করণ, তুরাগ নদীতে নিরাপত্তার জন্য টঙ্গী ব্রীজ ও কামারপাড়া ব্রীজের নীচে দুই পার্শ্বে বাঁশ দ্বারা ২টি বেষ্টনী নির্মাণ, ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের আব্দুল্লাহপুর থেকে ভোগড়া চৌরাস্তা পর্যন্ত দুই পার্শ্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও রাস্তায় পার্কিং করা গাড়ী সমূহ অপসারণ, ধূলাবালি নিয়ন্ত্রণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের পানি ছিটানোর ব্যবস্থাসহ দুর্ঘটনা ও অগ্নিনির্বাপকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে দেয়ালের অশ্লীল পোষ্টার অপসারণ ও সিনেমা হলসমূহ ইজতেমা চলাকালীন সময়ে সম্পূর্ণ বন্ধের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে ৬টি টেলিফোন লাইন ও ২টি হট লাইন স্থাপন, বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য কন্ট্রোল রুমের সামনে ৫৪টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র স্থাপন, বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে আগত বিদেশী মেহমানদের রান্নার কাজের জন্য ১২৫টি গ্যাসের চুলা স্থাপনসহ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক মনিটর করা হচ্ছে। ১২টি উৎপাদক নলকূপ দ্বারা ১১ কিঃমিঃ পাইপ লাইন স্থাপনের মাধ্যমে প্রতিদিন ঘন্টায় ৩ কোটি ৫০ লক্ষ গ্যালন সুপেয় পানি মুসল্লীদের মাঝে সরবরাহ করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানান, ইজতেমাস্থলে তাদের একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে সার্বক্ষণিক কর্মকর্তাসহ ফায়ারম্যানরা অবস্থান করবেন। ময়দানের প্রতি খিত্তায় ফায়ার এক্সস্টিংগুইসারসহ ফায়ারম্যান, গুদাম ঘর ও বিদেশি মেহমান খানা এলাকায় ৩টি পানিবাহী গাড়ি, ৩ সদস্যের ডুবুরী ইউনিট, ১টি স্ট্যান্ডবাই লাইটিং ইউনিট এবং ৯টি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। সূত্র আরো জানায়, ইজতেমা মাঠের ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে ইজতেমা মাঠের আশেপাশের এলাকায় পানি ছিটানো হচ্ছে।

ডেসকো’ কর্তৃপক্ষ জানান, ইজতেমা এলাকায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। উত্তরা, টঙ্গী সুপার গ্রীড ও টঙ্গী নিউ গ্রীডকে মূল ১৩২ কেভি সোর্স হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। যে কোন একটি গ্রীড নষ্ট হলেও সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘিœত হবে না বলে জানায় ডেসকো কর্তৃপক্ষ।  ইজতেমা এলাকায় ৪টি ষ্ট্যান্ডবাই জেনারেটর এবং ৫টি ট্রলি-মাউন্টেড ট্রান্সফরমারও সংরক্ষণ করা হয়েছে মুসল্লীদের সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করার লক্ষ্যে।
মুসল্লীদের জন্য ফ্রি চিকিৎসা কার্যক্রম ঃ গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ইজতেমা ময়দানের উত্তর পাশে মন্নু টেক্্রটাইল মিলের মাঠে হামদর্দ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন করেন। এছাড়াও ফ্রি-মেডিক্যাল ক্যাম্প এলাকায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামী ফাউন্ডেশন, ইবনেসিনা এবং টঙ্গী ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতিসহ অর্ধশতাধিক সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইজতেমায় আগত মুসল্লীদের ফ্রি চিকিৎসা কার্যক্রম চালু করেছে। এছাড়া ইজতেমায় আগত মুসল্লীদের চিকিৎসা কার্যক্রমে সকল প্রস্তুতি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের রয়েছে। টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়মিত শয্যা ছাড়াও অতিরিক্ত শয্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। হাসপাতালে একটি নিজস্ব কন্ট্রোল রুম, কার্ডিয়াক, বার্ণ, অ্যাজমা, ট্রমাসহ বিভিন্ন ইউনিট খোলা হয়েছে। এছাড়াও টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের উদ্যোগে টঙ্গীর মন্নুগেট, বাটা গেট ও হোন্ডা রোডে মুসল্লীদের তাৎক্ষণিক সেবা দেওয়ার জন্য ৪টি ফ্রি মেডিকেল সেন্টার খোলা হয়েছে। মুসল্লী-দের সেবা প্রদানের জন্য টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল সেন্টারগুলোতে ১২টি এ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। হোটেলে খাবারের মান ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ম্যাজিষ্ট্রেটসহ  ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভেজাল খাদ্যদ্রব বিক্রিতে তদারকি করা হচ্ছে।

ইজতেমায় বিদেশী মেহমান ঃ  প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে প্রায় শতাধিক দেশের বিদেশী মুসল্লী আসবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এব্যাপারে টঙ্গীর ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরুব্বীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইজতেমায় আগত বিদেশী মুসল্লী¬দের সঠিক সংখ্যা জানাতে না পারলেও বিশ্বের অন্তত শতাধিক দেশের প্রায় ৩০/৩৫ হাজার বিদেশী মেহমান এবারের ইজতেমায় অংশগ্রহণ করবেন বলে জানান। ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশের প্রায় কয়েক হাজার বিদেশী মুসল্লী ঢাকার কাকরাইল মসজিদ, উত্তরা, টঙ্গী ও আশপাশের এলাকার মসজিদে মসজিদে অবস্থান করছেন। তারা বৃহস্পতিবারই ইজতেমা ময়দানে প্রবেশ করে খিত্তা অনুযায়ী বিছানা পেতে অবস্থান নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রায় ৫/৬ হাজার বিদেশী মুসল্লী¬ ইতিমধ্যে ইজতেমা ময়দানের নির্ধারিত তাঁবুতে অবস্থান নিয়েছেন।

ইজতেমায় বিশেষ ট্রেন ও বাস সার্ভিসঃ ইজতেমা ময়দানে মুসল্ল¬ীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ইজতেমা শুরুর আগের দিন থেকে বিআরটিসির ২২৮টি স্পেশাল বাস সার্ভিস আগামী ২১ জানুয়ারী পর্যন্ত চলাচল করবে। বিআরটিসির একটি সূত্র জানায়, আজ থেকে ২১ জানুয়ারী পর্যন্ত চলাচলকারী স্পেশাল বাসের মধ্যে ৩টি বাস বিদেশী মুসল্ল¬ীদের জন্য রিজার্ভ থাকবে।

অপরদিকে বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লী¬দের যাতায়াতে সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে ২৮টি বিশেষ ট্রেন সার্ভিস পরিচালনা করবে। এ ছাড়াও সকল আন্তঃনগর, মেইল এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেনে অতিরিক্ত ২০টি কোচ সংযোজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, দুই ধাপের ইজতেমাতেই স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় পাতার আরো খবর

Developed by orangebd