ঢাকা : বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা           কারও মুখের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী          ২২তম অধিবেশন চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          দেশের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ১০:০০:৪৮
তিন হাজার বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 

শিক্ষার্থীদের বর্ধিত চাহিদা পূরণ এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার তিন হাজার বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মার্ণ ও আসবাবপত্র সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১০ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ৩’শ সংসদীয় এলাকায় বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে।
১৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার ‘নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পসহ ১৮ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ১৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৬ হাজার ৩৭০ কোটি ৮১ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব ব্যয় ৯৫ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য হিসেবে ২ হাজার ১৭ কোটি ১১ লাখ টাকা পাওয়া যাবে।
রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, সার্বজনীন বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে মাধ্যমিক স্তরে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা গত কয়েক দশকে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশে ৩২৭টি সরকারি ও ১৯ হাজার ৩৫৭টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক সংসদীয় এলাকায় ১০টি করে তিন হাজার বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবনসহ অন্যান্য ভবন নির্মাণ করা হবে। একইসাথে ওইসব বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র সরবরাহ করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বর্ধিত শিক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণ এবং শিক্ষার ভাল পরিবেশ সৃষ্টি হবে হলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়, ২০১৪ সালের ব্যানবেইসের রিপোর্ট অনুযায়ী মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৯১ লাখ ৬০ হাজার ৩৬৫ জন। প্রাথমিক পর্যায়ে বাধ্যতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিপুলহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বর্ধিত শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার সংস্থানের জন্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নতি পর্যাপ্তভাবে হয়নি। এ সকল শিক্ষার্থীদের একটি বিরাট অংশ মাধ্যমিক শিক্ষার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এদের সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণী কক্ষের সংখ্যা বৃদ্ধি করা আবশ্যক।
সরকারের সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর জুন, ২০১৭ হতে জুন, ২০২০ মেয়াদকালে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
শিক্ষা পাতার আরো খবর

Developed by orangebd