ঢাকা : বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • মেক্সিকোতে শক্তিশালী ভূমিকম্প          এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ এপ্রিল          শিক্ষকদের হাতেই রয়েছে জাতির ভবিষ্যত : প্রধানমন্ত্রী          তিন হাজার বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে          পাবলিক পরীক্ষায় অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী           সালেই বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে : মেনন
printer
প্রকাশ : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৭:৪০:৩০আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৭:৪৩:২৮
শিক্ষকদের হাতেই রয়েছে জাতির ভবিষ্যত : প্রধানমন্ত্রী
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 

ক্ষমতায় থাকার জন্যই কেবল রাজনীতি করেন না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষকতাকে একটি মহত পেশা, আপনাদের হাতেই রয়েছে জাতির ভবিষ্যত। একজন শিক্ষকের কাছে আমি এটুকুই চাই আপনারা কতটুকু দিতে পারলেন, করতে পারলেন। কি ধরনের শিক্ষাটা আপনারা দিয়ে যেতে পারলেন যাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে, দেশকে আরো উন্নত করতে পারবে- সেটাই হচ্ছে বড় কথা।
দাবি আদায়ে রাজপথে আন্দোলনরত শিক্ষকদের একটি অংশের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিক্ষোভ করলেই সরকারের পক্ষে দাবি পূরণ সম্ভব নয়, কারণ সরকার পরিকল্পনা এবং বাজেট ছাড়া দাবি পূরণ করতে পারে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের শেষ বছরে এসে কেউ যদি মনে করেন সরকারের এটা শেষ বছর কাজেই দাবি করলেই আমরা সব শুনে ফেলবো, সেটা সম্ভব নয়। কারণ আমাদের একটা বাজেট দিয়ে পরিকল্পিতভাবে চলতে হয়।
তিনি বলেন, কোথায় কোথায় সরকারীকরণ করতে হবে, কোন নীতিমালার ভিত্তিতে করতে হবে, সেটাওতো একটা নীতিমালার ভিত্তিতেই হতে হবে। যখন-তখন যে কেউ দাবি করলে সেটাতো পূরণ করা সম্ভব নয়। সেটা সবাইকে অনুধাবন করতে হবে।
শেখ হাসিনা সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহস্রাধিক কলেজ অধ্যক্ষের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘শিক্ষা সমাবেশে’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের সম্পদের সীমাবন্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দিলেই আরো দাও আরো দাও করলে আমরা দিতে অপারগ হবো, কারণ আমাদের একটা বাজেট দিয়ে পরিকল্পিতভাবে চলতে হয়।
শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসেইন অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিথির বক্তৃতা করেন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.হারুন-অর-রশীদ অন্ষ্ঠুানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি ভবন, প্রকল্প ও স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্থও স্থপান করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কলেজ র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান অর্জনকারি কলেজের অধ্যক্ষদের হাতে সন্মাননা স্মারক, পুরস্করের চেক এবং বঙ্গবন্ধুর লেখা দুটি বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং কারাগারের রোজ নামচা তুলে দেন।

রাজশাহী কলেজ, জাতীয় পর্যায়ে প্রথম এবং সরকারী কলেজ সমূহের মধ্যেও প্রথম স্থান, জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয়-সরকারী এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা, জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় কারমাইকেল কলেজ, রংপুর, জাতীয় পর্যায়ে ৪র্থ সরকারী ব্রজমোহন কলেজ বরিশাল এবং জাতীয় পর্যায়ে ৫ম স্থান অধিকার করে- সরকারী আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া।
সিদ্ধেশ্বরী মহিলা কলেজ, ঢাকা, জাতীয় পর্যায়ে সেরা মহিলা কলেজ এবং ঢাকা কমার্স কলেজ জাতীয় পর্যায়ে সেরা বেসরকারী কলেজের পুরস্কার লাভ করে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বর্তমান সরকার দেশের বাজেট ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকায় উন্নীত করে দেশকে সাধ্যমত এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, সকলের বেতন-ভাতা অনুদান তাঁর সরকার বাড়িয়ে দিয়েছে, সরকারী-বেসরকারী সব জায়গায় সহযোগিতা করে যাচ্ছে, কাউকে বঞ্চিত করা হচ্ছে না।
জাতির জনকের স্বপ্ন অনুয়ায়ী দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে নিজের বা দলের সম্পদ গড়ে তোলা বা নিজেরা সম্পদশালী হওয়া তাঁর নীতি নয়।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় পাতার আরো খবর

Developed by orangebd