ঢাকা : শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা           কারও মুখের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী          ২২তম অধিবেশন চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          দেশের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ১৩ আগস্ট, ২০১৮ ০৯:৪৪:৩৫আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০১৮ ১০:০৭:০০
ষাঁড়ের নাম লক্ষ্মীবাবু
কালীগঞ্জ (গাজীপুর) সংবাদদাতা


 


ষাঁড়ের নাম লক্ষ্মীবাবু। ষাঁড়টির দেখা মিলবে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের ভাটিরা গ্রামে গেলে। ষাঁড়টির মালিক ওই গ্রামেরই মাঝিবাড়ির সৌদি প্রবাসী আবুবকর মাঝির স্ত্রী রেবেকা বেগম। তার যতœ-আত্তিতে ষাড়টি এখন দর্শনীয় বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

ষাঁড়টি যখন বাছুর অর্থাৎ ৮ মাস বয়সে রেবেকা বেগম স্বামীর সহযোগিতায় ৫০ হাজার টাকায় কিনে বাড়িতে আনেন। ফ্রিজাম জাতের এই গরুটিকে বাড়িতে এনে সবাই মিলে নাম দেন লক্ষ্মীবাবু। পাক্কা দুই বছর লালন-পালনের পর সেই ছোট্ট লক্ষ্মীবাবু এখন দেখার মতোই এক মস্ত ষাঁড়ে পরিণত হয়েছে। আশপাশে দু-চার দশ গ্রামেও এমন বিশাল আকৃতির গরুর দেখা মেলে না। সঙ্গত কারণে এ অঞ্চলে বেশ ছড়িয়েছে ষাঁড়টির খবর। যে শুনছেন এক নজর দেখে যাচ্ছেন। প্রতিদিনই কেউ না কেউ লক্ষ্মীবাবুকে দেখে যাচ্ছেন। শহর থেকে গাড়ি হাঁকিয়ে আসছেন। কেউ কেউ কেনার প্রস্তাবও করছেন। কোনো প্রস্তাবই এখনো রেবেকা বেগমের মনঃপূত হয়নি। তার এক কথাÑ ‘সঠিক মূল্য পেলে তবেই লক্ষ্মীবাবুর রশি উঠবে অন্যের হাতে।’

রেবেকা দুই মেয়ে, এক ছেলের জননী। এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে। ছেলেটি স্থানীয় হাইস্কুলে ৮ম শ্রেণীতে পড়ছে আর মেয়েটা পড়ছে বাড়ির পাশের প্রাইমারিতে। লক্ষ্মী বাবুর যত্ন-আত্তি সন্তানদের চেয়েও কম করেন না তিনি। নিয়ম করে গোসল করানো, খাওয়ানো, অসুস্থ হলে ডাক্তার দেখানো, ওষুধ খাওয়ানো, একটু গরম পড়লে বাতাসের ব্যবস্থা- এসবের কোনো কিছুতেই ত্রুটি নেই তার। সহযোগিতা করছেন বাড়ির অন্যরাও। আর এ খবরটিও স্থানীয়ভাবে সর্বজনবিদিত।

স্থানীয়রা জানান, এত বিশালাকৃতির ষাঁড় আশপাশের কোনো উপজেলায়ও নেই। প্রায় ৩৫ মণ ওজনের ষাঁড়টি এবারে এখানকার কোনো না কোনো কোরবানি পশুর হাটের প্রধান আকর্ষণ হতে পারে। তবে ক্রেতারা যেভাবে বাড়িতে আসছে তাতে মনে হচ্ছে কোন গরুর হাটের দেখা লক্ষ্মীবাবু নাও পেতে পারে।
রেবেকা জানান, স্বামী প্রবাসে থাকেন। শখের বশেই তিনি লক্ষ্মী বাবুকে লালন-পালন শুরু করেন। প্রতিদিন খাবার তালিকায় ভুষি, সবজি, ফল ছাড়াও আছে সবুজ ঘাস। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকজনেরও আসা-যাওয়া রয়েছে বাড়িতে। তারাও ষাঁড়টির ব্যাপারে খোঁজখবর রাখেন।

তিনি জানান, প্রতিদিনই দূর-দূরান্তের লোকজন আসছে লক্ষ্মী বাবুকে দেখতে। এতে তিনি মোটেই বিরক্ত হচ্ছেন না। তবে এখন লক্ষ্মীবাবুকে ঘরের বাইর করছেন না। ঘরেই নিয়ম করে সব পরিচর্যা চলছে। এই ঈদে বিক্রি করবেন বলে তিনি মনস্থির করেছেন। রেবেকার প্রত্যাশা ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd