ঢাকা : শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা           কারও মুখের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী          ২২তম অধিবেশন চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          দেশের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট, ২০১৮ ১৭:৫৮:৩৮আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ১৮:২৭:৪৪
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী
শোকাবহ ১৫ আগস্ট
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 


‘দিকে দিকে আজ অশ্রুগঙ্গা, রক্তগঙ্গা বহমান
নাহি নাহি ভয় তবু হবে জয়, জয় শেখ মুজিবুর রহমান।’

 

আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে কলঙ্কময় ও বেদনার দিন। ১৯৭৫ সালের এদিনে বাঙালি হারায় স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এদিন কাকডাকা ভোরে বিপথগামী কিছু সেনাসদস্য ধানম-ির ৩২ নম্বর বাড়িতে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। বাঙালি জাতির ললাটে এঁকে দেয় কলঙ্কের তিলক। এ কলঙ্ক থেকে দেশ-জাতি আজও পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি। কারণ বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের রায় আংশিক কার্যকর হয়েছে। এখনো ফাঁসির দ-প্রাপ্ত কয়েকজন খুনি বিদেশে পালিয়ে রয়েছে। দিনটি সরকারি ছুটির দিন। রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালিত হয়। সারাদেশসহ বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা রাখা হয় অর্ধনমিত।

 

রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ আগস্ট ভোরে ধানম-ির বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এ কর্মসূচিতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও তিন বাহিনীর প্রধানরাও অংশ নেন। তারা বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করিন। এতে বিদেশি কূটনীতিকসহ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

বাংলার সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ছিল অটুট বন্ধন, আত্মার আত্মীয় সম্পর্ক। প্রত্যেকটি বাঙালির হৃদয়ে ছিল তার প্রতিচ্ছবি, যা এখনো জ্বল জ্বল করছে সবার মনে। তিনি ছিলেন এমন এক নেতা যার ব্যক্তিগত সম্পদ বলে কিছুই ছিল না। জনগণের জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন। জনগণের ভালোবাসাই ছিল তার একমাত্র সম্পদ। যে সম্পদ কেউ কোনোদিন কেড়ে নিতে পারে না। আর পারেনি বলেই ১৫ আগস্ট আসলেই তা গভীরভাবে উপলব্ধি করা যায়। তাকে কোনো বাঙালি হত্যা করতে পারে এমন বিশ্বাস কারো মনে কোনোদিন ছিল না। যা ছিল না বঙ্গবন্ধুর মনেও। আর তাই বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ঘনিষ্ঠজনদের শত অনুরোধ উপেক্ষা করে রাষ্ট্রপতি হয়েও বঙ্গভবনের মতো সুরক্ষিত স্থানে না থেকে সাধারণ মানুষের মতো থেকেছেন ধানম-িতে অরক্ষিত নিজ বাড়িতে। প্রতিটি মুহূর্ত থেকেছেন গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে। আর এতেই তার কাল হয়েছে। স্বাধীনতাবিরোধী ওই ঘাতকচক্র হত্যা করে বঙ্গবন্ধুকে। যা ছিল পৃথিবীতেও বিরল মর্মান্তিক ঘটনা। মহাত্মা গান্ধী, লুথার কিং, লিংকন, লুমুম্বা, কেনেডি, ইন্দিরা গান্ধী পর্যন্ত রাজনৈতিক হত্যাকা-ের শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু কাউকেই বঙ্গবন্ধুর মতো সপরিবারে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়নি। এদিন ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুনন্নেছা মুজিব, ছেলে শেখ কামাল, জামালসহ ২২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এমনকি বঙ্গবন্ধুর শিশুপুত্র শেখ রাসেলও এই নির্মম হত্যাকা-ের শিকার হন। যে কাজটি বর্বর হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীও করার সাহস করেনি, সেটিই করল এ দেশের কিছু কুলাঙ্গার। স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি চক্রের ষড়যন্ত্রের শিকার হলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গঠন করতে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছিলেন তখনই ঘটানো হয় এ নৃশংস ঘটনা। পরিসমাপ্তি ঘটে একটি ইতিহাসের। সেই থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম বাংলার আকাশ-বাতাস-মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছে ষড়যন্ত্রকারী ঘাতকরা। যা কোনোদিন হয়নি, হবেও না। পৃথিবীতে বাঙালি জাতি যতদিন থাকবে ততদিনই থাকবে বঙ্গবন্ধুর নাম, তার কর্ম।

 

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে দীর্ঘদিন পর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শুরু হয়। এতে ১৫ জন আসামির মৃত্যুদ- দেন জজ আদালত। এর বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করলে ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমের একক বেঞ্চ ১৫ জনের মধ্যে ১২ জনের মৃত্যুদ-াদেশ বহাল রাখেন। অপর ৩ জনকে বেকসুর খালাস দেন। পরবর্তীকালে মৃত্যুদ-াদেশপ্রাপ্তরা ২০০৭ সালের ৭ আগস্ট লিভ টু আপিল করলে ওই বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ তা মঞ্জুর করেন। আপিলে খুনিদের ফাঁসির রায় বহাল রাখেন আপিলাত ডিভিশন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক ৫ খুনির ফাঁসি কার্যকর হয় ২০১০ সালে। এর ফলে দীর্ঘদিন পর কলঙ্কমুক্ত হয় বাঙালি জাতি। বুক থেকে নামে শোকের পাথর। বিগত ড. ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী ২০০৮ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালনের জন্য পুনঃসিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে ওইদিন সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর দিবসটি আবারও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। ওই বছর ১০ আগস্ট উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

 

দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছেন, আসুন আমরা বঙ্গবন্ধুকে হারানোর শোককে শক্তিতে রূপান্তর করি এবং দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করি।

 

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেয়া বাণীতে বলেছেন, ঘাতক চক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও জনগণের কাছ থেকে তার স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। পনের কোটি বাঙালির অন্তরে গ্রোথিত রয়েছে তার ত্যাগ ও তিতিক্ষার সংগ্রামী জীবনাদর্শ। তিনি বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু যখন সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত তখনই তাকে হত্যা করা হয়। তিনি বলেন, আসুন জাতির জনককে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে তার স্বপ্ন সোনার বাংলা বাস্তবায়নের সংগ্রামে এগিয়ে যাই।

 

এদিন সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ধানমণ্ডি ৩২নং রোডে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সশস্ত্র বাহিনীর গার্ড অব অনার প্রদান শেষে অনুষ্ঠিত হয় মোনাজাত ও কোরআন তেলাওয়াত।

 

এ ছাড়া ১৫ আগস্টে শাহাদাতবরণকারী জাতির জনকের পরিবারের সদস্য ও অন্যান্য শহীদের বনানী কবরস্থানে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

এদিন সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফাতেহা পাঠ, প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সশস্ত্র বাহিনীর গার্ড অব অনার প্রদানসহ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

সরকারি কর্মসূচির মধ্যে ছিল- সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসমূহে অর্ধনমিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন। এ ছাড়া বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার এবং সংবাপত্রসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে।

 

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি : সূর্যোদয় ক্ষণে- বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সংগঠনের সকলস্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল সাড়ে ৬টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত ধানম-িস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। এছাড়া ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং ঢাকা নগরীর প্রতিটি শাখা থেকে শোক মিছিলসহ বঙ্গবন্ধু ভবনে শ্রদ্ধা নিবেদন।
সকাল সাড়ে ৭টায় : বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল (সরকারি কর্মসূচির সাথে সমন্বয় করতে হবে)।

 

টুঙ্গিপাড়ার কর্মসূচি : সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।  টুঙ্গিপাড়ার কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, কাজী জাফর উল্লাহ, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, আব্দুর রহমান এমপি, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্ল¬াহ, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক এমপি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী (নওফেল), কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম এমপি, অ্যাডভোকেট মো. আমিরুল আলম মিলন উপস্থিত ছিলেন।

 

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ ও শ্রী মুকুল বোস। টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে আয়োজিত সকল কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

বাদ জোহর : দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে দেশব্যাপী বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৯টায় ওয়াইএমসিএ চ্যাপেল, ১৯ সেনপাড়া পর্বতা, মিরপুর-১০-এ খ্রিস্টান সম্প্রদায়, সকাল ১০টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডাস্থ আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ সম্প্রদায় এবং সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় প্রার্থনা সভার আয়োজন করে।

 

দুপুর : অসচ্ছল, এতিম ও দুস্থ মানুষদের মাঝে খাদ্য বিতরণ।

 

বাদ আসর : মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।

 

১৬ আগস্ট  বুধবার : বিকাল ৪টায় আলোচনা সভা। স্থান : বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা। আলোচনায় অংশ নেবেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও বরেণ্য বুদ্ধিজীবীগণ।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় পাতার আরো খবর

Developed by orangebd