ঢাকা : সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • জাতীয় নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর          নির্বাচনের তারিখ পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : সিইসি          আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার বুধবার থেকে নেবেন প্রধানমন্ত্রী          দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট, ২০১৮ ১১:৫৯:৪৮
মহাদেবপুরে পাটের দাম ভালো
নওগাঁ সংবাদদাতা


 


নওগাঁর মহাদেবপুরের পাট চাষীরা এখন পাট ধোঁয়া এবং শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। পাট শুকানোর পর বাজারে বিক্রি করে ভালো দাম পাওয়ায় চাষীদের মুখে হাসি দেখা দিয়েছে।  মহাদেবপুর উপজেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয় পাট চাষীদের সূত্রে জানা গেছে, চৈত্র মাসের প্রথম দিকে এ এলাকার চাষীরা পাট চাষ করে থাকেন। বিশেষ করে পাটের জমিতে পরবর্তীতে যেকোনো ফসল চাষ করলে ভালো ফলন পাওয়ার জন্য চাষীরা অধিক হারে পাট চাষ করে থাকেন। তবে মৌসুম শুরুতে বীজের চড়া দাম ও খড়ার কারণে চাষীদের ফসলটিতে ধাক্কা খেতে হয়। তবে অনেকেই সেচ দিয়ে পাটের ফসল বাঁচিয়ে রাখেন। চলতি  মৌসুমে বৃষ্টির পানি পেয়ে সংগে সংগে অবস্থা বুঝে চাষীরা পাট কর্তনের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এরই মধ্য পাট চাষের অধিকাংশ জমি থেকে পাট কর্তন করে জাগ দেয়ার পর কৃষকরা তা ধোঁয়া ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। পাট চাষীরা  ঘরের চালায়,রাস্তার ধারে কিংবা বাঁশের লম্বা আড় তৈরি করে দিন রাত তা শুকানোর কাজ করছেন। পাট শুকানোর সময় আকাশে মেঘ দেখলেই ভেজার হাত থেকে রক্ষা করতে দৌড় ঝাঁপ  দিয়ে অন্যদিকে শুকনা পাট ঘরে তুলতে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন যে, যেনো  দম ফেলার সময় নেই তাদের। ভালো ভাবে পাট শুকানোর পর বিক্রির জন্য তা হাটে তুলছেন চাষীরা। তবে দাম ভালো থাকায় চাষীরা দারুণ খুশিতে রয়েছেন। খরচ বাদে প্রতি বিঘায় তাদের কমপক্ষে লাভ থাকছে ৫/৭ হাজার টাকা।  সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,মহাদেবপুর  উপজেলার ৭ নং সফাপুর  ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গোপালকৃষ্ণ পুর গ্রামের  শিতলী হাসনা গ্রামের হাবিবুর,সাইদুর, অা: সালাম এবং অাব্দুর রশিদ জানান, আমাদের  পাট এবার খুব ভাল হয়েছে দামও পাচ্ছি ভালো। ওই একই গ্রামের সোহেল রানা জানান, পাট ধোঁয়ার পর শুকনো পাট বাজারে ১৮'শ থেকে ২'হাজার টাকা মন দরে বিক্রি করা যাচ্ছে। অর্থাৎ বাজারে এবার পাটের দাম খুবই ভালো। প্রতি বিঘায় পাট চাষে সবমিলিয়ে খরচ পড়ে ৭/৮ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয় প্রতি বিঘায় কমপক্ষে ৮/১০ মন করে। বর্তমানে বাজার দর হিসেবে বিক্রি করে ভালো লাভ থাকছে। এছাড়াও প্রতি বিঘায় যেপরিমান পাট খড়ি হয় তা দিয়ে জালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এ ব্যাপারে মহাদেবপুর  উপজেলা কৃষি অফিসার একেএম মফিদুল ইসলাম বলেন, উপজেলার চাষীরা বিভিন্ন কারণে পাট চাষ করে থাকেন। এবার প্রতিকুল আবহাওয়া ভালো থাকায় পাট অনেকাংশ ভালো তাই বর্তমান বাজারে পাট চাষীরা মূল্য ভালো পাওয়ায় খুশিতে রয়েছেন।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd