ঢাকা : শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা           কারও মুখের দিকে তাকিয়ে মনোনয়ন দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী          ২২তম অধিবেশন চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          দেশের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৮:০৪:০৭
দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা
টাইমওয়াচ ডেস্ক


 


বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হবে বলে আশা করছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বলেছেন, বাংলাদেশ ভালো থাকলে তারা ভালো থাকেন।
১০ সেপ্টেম্বর সোমবার ভারত থেকে পাঁচশ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করতে ভেড়ামারায় দ্বিতীয় ব্লক স্টেশনের উদ্বোধন এবং আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েল গেজ রেললাইনের বাংলাদেশ অংশের নির্মাণ কাজ এবং মৌলবীবাজার জেলার কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেল সংযোগ পুনর্বাসন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন মমতাও।
অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাদেশকে আরও এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিতে চান।  তিনি বলেন, গতবার শেখ হাসিনা জি আমাদের এখানে এসেছিলেন। তখন একটা বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল যে তাঁরা যদি আমাদের কাছে বিদ্যুৎ চান তাহলে বাংলা আরও বিদ্যুৎ দেয়ার জন্য রাজি আছে। যদি ভারত সরকার অনুমতি দেন তাহলে পশ্চিমবঙ্গ এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিতে রাজি আছি।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও বাড়াতে চান জানিয়ে মমতা বলেন, আমরা একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা করতে চাই। কারণ বাংলাদেশ ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকি। আমরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। সুতরাং দুইদেশের সম্পর্ক আরও  এগিয়ে যাক।
‘ছিটমহল চুক্তি, ইন্দো-বাংলাদেশ বাস, ট্রেন সার্ভিস; আমরা যে ইন্দো-বাংলাদেশ-নেপাল-ভুটানের মধ্যে রোড সার্ভিস চালু করতেছি তা যুগান্তকারী প্রকল্প। এতে আমাদের সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাবে।’
বক্তব্যের শেখ পর্যায়ে গানের কয়েকটি লাইন গেয়েও শোনান মমতা। গানটি ছিল, ‘আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি/তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী/ ওগো মা, তোমায় দেখে দেখে আঁখি না ফিরে/তোমার দুয়ার আজি খুলে গেছে সোনার মন্দিরে।’
অনুষ্ঠানে ছিলেন ত্রিপুরার নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও। তিনি বলেন, ‘ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সামাজিক, সাংস্কৃতি ও আর্থিক যোগসূত্র রয়েছে। যা বহুকাল ধরে চলছে। এ প্রকেল্পের মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদির স্বপ্ন নর্থইস্টকে অষ্টলক্ষ্মীতে তৈরির প্রকল্পে বল পাবে। এতে নর্থ ইস্টরের জনগণের উন্নয়নের নতুন দিশা পাবে।’
‘ত্রিপুরা- আখাউড়া সীমান্তে লোড আনলোডিং এ যে বাড়তি খরচ দিতে হয়, তাতে দুই দেশই আর্থিকভাবে লাভবান হবে।’

printer
সর্বশেষ সংবাদ
আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর

Developed by orangebd