ঢাকা : শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • জাতীয় নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর          নির্বাচনের তারিখ পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : সিইসি          আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার বুধবার থেকে নেবেন প্রধানমন্ত্রী          দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১২:০৪:৪৬
আরো ৯ নতুন পণ্যে ভর্তুকি দেবে সরকার
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 


প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আরো নয়টি নতুন পণ্যে ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা দেবে সরকার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানির বিপরীতে এ সুবিধা পাবেন রপ্তানিকারকরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ ১০-০৯-২০১৮ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১০ সেপ্টেম্বর থেকেই নতুন ৯ ধরনের পণ্য রপ্তানির বিপরীতে ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা দেয়া হবে। পণ্যগুলো হলোÑ ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য, ফটোভোলটাইক মডিউল, মোটরসাইকেল, কেমিক্যাল পণ্য (ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, কস্টিক সোডা এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড), রেজার ও রেজার ব্লেডস, সিরামিক দ্রব্য, টুপি, কাঁকড়া ও কুঁচে (হিমায়িত ও সফটসেল, পরিবেশ ও বন বিভাগের ছাড়পত্র গ্রহণ সাপেক্ষে) ও গলিত শিট।
প্রসঙ্গত, গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৬ ধরনের পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা পেয়েছেন রপ্তানিকারকরা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও এসব পণ্য রপ্তানি মূল্যের বিপরীতে সর্বনিম্ন ২ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া হবে।
এর মধ্যে রয়েছে সিনথেটিক ও ফেব্রিকসের মিশ্রণে তৈরি পাদুকা, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালসে ইনগ্রিডিয়েন্টস (এপিআই), অ্যাকুমুলেটের ব্যাটারি ও নারকেল ছোবড়ার আঁশ দ্বারা উৎপাদিত পণ্য।
এছাড়া দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা ৪ শতাংশ, বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা ৪ শতাংশ, নতুন পণ্য বা বাজার সম্প্রসারণ সহায়তা (আমেরিকা, কানাডা ও ইইউ ছাড়া) ৪ শতাংশ, ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতে রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ২ শতাংশ, হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া ইত্যাদি দিয়ে উৎপাদিত হস্তশিল্প রপ্তানিতে নগদ সহায়তা ২০ শতাংশ, কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষি পণ্যে ২০ শতাংশ, গরু-মহিষের নাড়ি, ভুঁড়ি, শিং ও রগ (হাড় ছাড়া) রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ, শতভাগ হালাল মাংস রপ্তানিতে ২০ শতাংশ, বরফ আচ্ছাদনের হারভেদে হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানি থেকে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেয়া হবে।
চামড়াজাত পণ্য ও আসবাব রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য ও পেট বোতল- ফ্লেক্স রপ্তানিতে ১০, শস্য ও শাকসবজির বীজ এবং পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত কার্বন রপ্তানিতে ২০ শতাংশ, পাটজাত দ্রব্যাদি রপ্তানিতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে।
এছাড়া চলতি অর্থবছরে আলু রপ্তানিতে ২০ শতাংশ, সাভারে চামড়া শিল্প নগরীতে স্থানান্তরিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রপ্তানিতে ১০ শতাংশ এবং পাটজাত চূড়ান্ত দ্রব্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে দেশে উৎপাদিত কাগজ ও কাগজ জাতীয় দ্রব্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ এবং আগর ও আতর রপ্তানিতে ২০ শতাংশ ভর্তুকির বিষয়টি অপরিবর্তিত আছে।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
অর্থ-বাণিজ্য পাতার আরো খবর

Developed by orangebd