ঢাকা : শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : সিইসি          নির্বাচনের তারিখ পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : সিইসি          দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ২২ অক্টোবর, ২০১৮ ১০:৩৩:৫৬আপডেট : ২২ অক্টোবর, ২০১৮ ১৮:৪৯:৩৭
যে কোনো আইন সংশোধন করা যায় : তথ্যমন্ত্রী
রুপম আক্তার


 

ডিজিটাল দুনিয়ায় উগ্রবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঠেকাতে সংবাদমাধ্যমকে সরকারের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। প্রয়োজনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন হতে পারে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যে কোনো আইন পরীক্ষা করা যায়, সংশোধন করা যায়।
 
২১ অক্টোবর রবিবার সকালে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।
 
 
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আশ্বস্ত করতে পারি, গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর জন্য এ আইন নয়।
 
 
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, বিকশিত গণমাধ্যম আর সংকুচিত হবে না, সাংবাদিকরা নির্ভয়ে কাজ করুন। একই সঙ্গে ডিজিটাল জগতে উৎপাত ও সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঠেকাতে সংবাদমাধ্যমকে সরকারের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
যে কোনো আইন সংশোধন করা যায় : তথ্যমন্ত্রী
উগ্রবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাকে গণতন্ত্র, গণমাধ্যম এবং সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ সমস্যা মোকবিলার জন্য আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। তিনি বলেন, উগ্রবাদের হুমকি ডিজিটাল সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। এর বিরুদ্ধে লড়তে সরকার ও সংবাদমাধ্যমকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকার বলে আসছে, সম্প্রতি সংসদে পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উগ্রবাদের বিস্তার ঠেকাতেও সহায়ক হবে।
 
 
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী বলেন, অন্যান্য পেশার মতো সাংবাদিকতায় নারীর অংশগ্রহণ ক্রমশ বাড়লেও ব্যবধান যে এখনও অনেক বেশি, তা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন তিনি বলেন, ১৯৮৭ সাল থেকে ৩০ বছরে বাংলাদেশে সংবাদকর্মীদের মধ্যে নারীদের হার ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে মাত্র ১৩ শতাংশ হয়েছে।তিনি বলেন, সংবাদ কক্ষে এবং প্রতিবেদক হিসেবে নারীদের সংখ্যা বাড়াতে হলে দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়ানের কোনো বিকল্প নেই।   এক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন আমরা খুব সহজেই নিজেদের শিক্ষিত বা প্রশিক্ষিত করে তুলতে পারি।
 
 
বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন সেতারা মূসা এ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন হুইল চেয়ারে বসে। আশি বছর বয়স্কা এই নারী নারী সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমি আশা করি, আগামী বছর এই সংখ্যা দ্বিগুণ হবে।
যে কোনো আইন সংশোধন করা যায় : তথ্যমন্ত্রী
১৭ বছরের পুরনো বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের এবারের সম্মেলনটি হলো ১১ বছর পর। সারা দেশ থেকে প্রায় চারশত প্রতিনিধিরা এ সম্মেলনে অংশ নেন।  সম্মেলনের শেষ পর্বে কেন্দ্রের নতুন কমিটি গঠন করা হয়।
 
 
কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের উপদেষ্টা সেতারা মূসা। অন্যদের মধ্যে কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক পারভীন সুলতানা ঝুমা ও কোষাধ্যক্ষ আখতার জাহান মালিক বক্তব্য রাখেন। শোক প্রস্তাব পাঠ করেন কেন্দ্রের সহসভাপতি দিল মনোয়ারা মনু। জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় পাতার আরো খবর

Developed by orangebd