ঢাকা : বুধবার, ২২ মে ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • পণ্য মজুদ আছে, রমজানে পণ্যের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী          বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার          অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব ব্যবস্থা নিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী          বনাঞ্চলের গাছ কাটার ওপর ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা          দেশের সব ইউনিয়নে হাইস্পিড ইন্টারনেট থাকবে
printer
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ১২:৪২:২৬আপডেট : ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ১২:৫২:৩১
বঙ্গবন্ধুর আদর্শে মানিকগঞ্জ-২ আসনকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়তে চাই
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন, সদস্য, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যান, হাটিপাড়া ইউ.পি.

 

আলহাজ গোলাম মনির হোসেন; একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ কর্পোরেট মমো গ্রুপ-এর চেয়ারম্যান। একনিষ্ঠ অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম, ডায়নামিক নেতৃত্ব, সুদূরপ্রসারী কর্ম-পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জনাব গোলাম মনির হোসেন গড়ে তুলেছেন আজকের মমো গ্রুপ। ১৯৯৫ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি ব্যবসায়িক জীবন শুরু করেন। বর্তমানে তার গড়ে তোলা মমো গ্রুপে রয়েছে বেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান; এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- মমো জুট মিলস লিমিটেড, মমো ফ্যাশনস লিমিটেড, সুপার অ্যাসেট টেকনোলজি লিমিটেড, সিডিএএফ হোল্ডিংস লিমিটেড, মমো এন্টারপ্রাইজ, মমো কেমিক্যাল কোম্পানিসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান। ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার পাশাপাশি জনাব গোলাম মনির হোসেন রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। এছাড়াও তিনি কবি নজরুল ইসলাম সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ শাখা’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক। তিনি মানিকগঞ্জ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম-এর সহ-সভাপতি। তবে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি এই দেশের একজন আদর্শ ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি মানিকগঞ্জ জেলা সদরের হাটিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ-এর পর পর দুইবার স্বর্ণপদক প্রাপ্ত চেয়ারম্যান। সততা ও আদর্শের কারণেই তিনি পরপর দু’বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক দায়বদ্ধতায় তিনি মানিকগঞ্জ সদরসহ প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলে বেশ কিছু স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা গড়ে তুলেছেন; পাশাপশি জীবন মান  উন্নয়নে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা করছেন। তিনি গোলাম মনির হোসেন মহিলা কলেজ, গোলাম মনির হোসেন গার্লস হাই স্কুল, গোলাম মনির হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান। তিনি বনপাড়িল হাই স্কুল, হাটিপাড়া এম এল হাই স্কুল, বনপাড়িল দাখিল মাদ্রাসা, গোলাইডাঙ্গা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কলেজ, বাঘিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, গোলাম মহিউদ্দিন কমল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এবং  বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম-এর আজীবন সদস্য। সামাজিক কর্মকান্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন বেশ কিছু অ্যাওয়ার্ড। তার  অর্জিত অ্যাওয়ার্ডসমূহ হলোÑ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক স্বর্ণ পদক-২০১৪, গুড গভর্নেন্স অ্যান্ড মানবাধিকার পর্যালোচনা সোসাইটি পুরস্কার-২০১৫, বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম সম্মাননা স্মারক-২০১৮। গোলাম মনির হোসেন ১৯৭৪ সালের ৩১ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানাধীন সুতালড়ি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আহম্মদ আলী ও মায়ের নাম মমোতাজ বেগম। বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আহম্মদ আলী স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুরের সুতালড়ি ইউনিয়নের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান ছিলেন। গোলাম মনির হোসেন ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত; বঙ্গবন্ধুর আদর্শে মানিকগঞ্জ-২ আসনকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়তে চাই
সহধর্মিনি এবং তিন কন্যাকে নিয়ে রচনা করেছেন সুখি পরিবার। উল্লেখ্য, জনাব গোলাম মনির হোসেনের জন্মভূমি সুতালড়ি গ্রাম ১৯৮১ সালে পদ্মা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এরই প্রেক্ষাপটে গোলাম  মনির হোসেনের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আহম্মদ আলী ১৯৮২ সালে মানিকগঞ্জ জেলা সদরাধীন হাটিপাড়া ইউনিয়নের বনপাড়িল গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। এরই ধারাবহিকতায় তিনি এখন বনপাড়িল গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। আর এই গ্রামকেই তিনি এখন মায়ের মতো ভালোবাসেন; কারণ এই গ্রামেই তার বেড়ে ওঠা। তিনি তার জীবনের স্বপ্নের বীজ এই গ্রাম থেকেই রোপণ করেছেন। তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর অভূতপূর্ব উন্নয়নের মাধ্যমে হাটিপাড়া ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলেছেন। জনাব গোলাম মনির হোসেন পার্শ্ববতী ইউনিয়নসহ সিংগাইর হরিরামপুরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও মন্দিরসহ শিক্ষা-সামাজিক, রাজনৈতিক, ক্রীড়া ও সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিতি এবং সহযোগিতা করে সর্বস্তরের জনগণের নিকট একজন দানবীর সৎ ও আদর্শবান ব্যক্তি হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি এখন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইচ্ছে পোষণ করছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা জনাব গোলাম মনির হোসেনকে যদি দলীয় মনোনয়ন দেন তাহলে তিনি অবশ্যই দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর-হরিরামপুর ও মানিকগঞ্জ সদর আংশিক) আসনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। আর এরই আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন বিষয়ে জনাব গোলাম মনির হোসেন সম্প্রতি টাইমওয়াচ প্রতিনিধিকে নিজস্ব স্বপ্ন ও মতামত ব্যক্ত করেছেন। তার দেওয়া সাক্ষাৎকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখানে উপস্থাপন করা হলো।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন টাইমওয়াচ সম্পাদক এ কে নাহিদ
 
টাইমওয়াচ : শুরুতেই আপনার ব্যক্তিগত জীবন ও বেড়ে ওঠা সম্পর্কে জানতে চাইছি।
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : আমার বাবা আলহাজ আহম্মদ আলী মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানাধীন সুতালড়ি ইউনিয়নের একজন চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়াও তিনি একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমি ব্যক্তিগত জীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি রাজনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতাম। এরই ধারাবাহিকতায় আমি স্নাতক ডিগ্রি লাভের পর  ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক ও আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত হই। আমার বাবা বেঁচে থাকাকালীন সময়ে আমি গ্রামের বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিচার-সালিশিতে অংশগ্রহণ করতাম। বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলোতে আমি হাল ধরি; সামাজিক বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত হয়ে যাই। সেই সুবাদে আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ি। আমি বর্তমানে মানিকগঞ্জ জেলা সদরের হাটিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আমার তেমন কোনো ইচ্ছা ছিল না। গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উৎসাহ-অনুপ্রেরণায় আমি নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছি। আমি ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ি। আমি পরপর দু’বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আমার এলাকায় সরকারি সমস্ত অনুদান গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিলিয়ে দিই। এক্ষেত্রে আমি কোনো স্বজনপ্রীতি করি না। জনগণ আমাকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। এই ভালোবাসার সুবাদে আজকে শুধুমাত্র হাটিপাড়া ইউনিয়নে নয় পুরো মানিকগঞ্জ জেলার ৬৫টি ইউনিয়নে আমার শুভাকাক্সিক্ষ রয়েছেন। একজন মানুষের চলার পথে ভালো মন্দ দু’টোই রয়েছে। এদিক থেকে আমার জীবনে ভুলের সংখ্যা খুব কম। আমি কোনো অন্যায় করি না এবং অন্যায়ের সাথে আপস করি না। বলতে গেলে এভাবেই আমার এগিয়ে চলা। আর ব্যক্তিগত জীবনে আমার সহধর্মিণী ও তিন কন্যার সংসার।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শে মানিকগঞ্জ-২ আসনকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়তে চাই
টাইমওয়াচ : ব্যবসা-বাণিজ্যে নিজেকে কীভাবে সম্পৃক্ত করলেন?
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : ছাত্র জীবন থেকে প্রতিটি মানুষের নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে যে, সে জীবনে কী হতে চায়! আমার ছোট বেলা থেকে কখনোই টার্গেট বা ইচ্ছা ছিল না যে, আমি পড়াশুনা শেষ করে কোনো সরকারি বা বেসরকারি চাকুরি করবো। আমার লক্ষ্য ছিল একটাইÑ পড়াশোনা শেষ করে ব্যবসা করবো। ব্যবসায় আয় উন্নতি করে মানুষকে সহায়তা করবো। আমি ব্যবসা করে এখন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে জনগণের  সেবা করতে পারছি; এটি আমার অনেক বড় পাওয়া।
 
টাইমওয়াচ : আপনি দেশের একজন সফল ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা; রাজনীতিতে কীভাবে প্রবেশ করলেন?
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : আমি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছি। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনিও আওয়ামি লীগের রাজনীতির সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। বাবা মারা যাওয়ার পর আমার এলাকার মানুষ তাঁর বিভিন্ন সামাজিক কর্মাকান্ড চলমান রাখতে বলেন। অর্থাৎ বাবার রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে বলেন। এরপর আমি এলাকার সামাজিক বিভিন্ন কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হই। সেই সুবাদে জনগণের সমর্থনে আমি হাটিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হই এবং দ্বিতীয়বার নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
 
টাইমওয়াচ : হাটিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী হওয়ার পর আপনার এলাকার দৃশ্যমান উন্নয়ন কী কী করেছেন?
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : হাটিপাড়া ইউনিয়ন মানিকগঞ্জ শহরের সবচেয়ে দক্ষিণে অবস্থিত। আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পূর্বে এই ইউনিয়নে কোনো পাকা রাস্তা ছিল না। বৃষ্টিতে এত পরিমাণ কাদা হতো যে, রাস্তায় মানুষ হাঁটা-চলা করতে পারতো না। আমি যখন থেকে চেয়ারম্যান হলাম আমার সৌভাগ্য যে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়। সেই সুবাদে আমি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তরে ঘুরাঘুরি করে এলাকার উন্নয়নের জন্য অনেক কাজ করি। ৪০ কিলোমিটার পাকা রাস্তা হয়েছে। ইউনিয়নের ব্রিজ, কালভার্ট আমার উদ্যোগে হয়েছে। আগে প্রাইমারি স্কুলগুলোতে টিনের ঘর ছিল। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর প্রাইমারি স্কুল পাকা করার বিষয়ে প্রতিটি উপজেলা মিটিংয়ে উপস্থাপন করেছি। এসব স্কুলে পাকা ভবন গড়ার চেষ্টা করেছি এবং পাকা ভবন করতে সক্ষম হয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্কুলবিহীন গ্রামে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য ১ হাজার ৫শ’ স্কুল প্রদান প্রকল্প করেছেন। ওই প্রজেক্ট থেকে আমি আমার ইউনিয়নে ২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেছি। একটি আমার ব্যক্তিগত নামে ‘গোলাম মনির হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ অন্যটি ‘আফছার উদ্দিন মোল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’। এই স্কুল দু’টি সরকারি অনুদানে ৪ তলা বিশিষ্ট ইমারতের ১তলা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও আমি নিজস্ব অর্থায়নে ‘গোলাম মনির হোসেন গার্লস হাই স্কুল’ নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি এবং গোলাম মনির হোসেন মহিলা কলেজ; এটি ৩ তলাবিশিষ্ট ভবন হবে। এর সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান। আমার এলাকায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে কাজ করছি। শিক্ষকগণ আমাকে ডাকার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।
 
টাইমওয়াচ : আপনি আপনার এলাকায় খুবই স্বনামখ্যাত ব্যক্তিত্ব এবং পরপর দু’বার নির্বাচিত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। এই তৃণমূল পর্যায়ের জনগণ রেখে আপনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বপ্ন দেখছেন কেন; বলবেন কী?
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : আমি বৃহৎ তৃণমূল জনগণের সেবা করার লক্ষ্যেই মানিকগঞ্জ-২ আসনে সংসদ নির্বাচনের স্বপ্ন দেখছি। আপনি আমার এলাকা অনুসন্ধান করলে জানতে পারবেন-  আমি শুধু আমার ইউনিয়নেই নই, আশপাশের ইউনিয়নগুলোতেও আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাননীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্যে দলীয় প্রতীক নৌকার মনোনয়ন দেন তাহলে আমি কতটুকু জনপ্রিয় তা ভোটের মাধ্যমে প্রমাণ হবে ইনশাল্লা। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, যে কোনো উন্নয়ন কাজ করতে গেলে কিছু কিছু বাধা সামনে এসে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে একজন সংসদ সদস্য হতে পারলে কোনো বাধা আমাকে প্রতিহত করতে পারবে না। কারণ একজন সংসদ সদস্য হচ্ছেন উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। আমি আমার এলাকায় অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। এরপরও আরও উন্নয়ন করা দরকার। উন্নয়নের শেষ বলে কোনো কথা নেই। মানিকগঞ্জ-২ আসনে অনেক উন্নয়ন চাহিদা জনগণের আছে, জনগণের সেই কাক্সিক্ষত উন্নয়নের মৌলিক চাহিদা মিটানোর লক্ষ্যেই আমি জাতীয় সংসদ সদস্য হতে প্রত্যাশী।
 
টাইমওয়াচ : আপনি আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেলে এলাকার উন্নয়নে কী ধরনের কর্ম-পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাবেন?
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : ছোট বেলা থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল- বড় হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করবো। পাশাপাশি দেশের সেবা করবো। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যদি মনোনয়ন দেন এবং আমি যদি সংসদ সদস্য হতে পারি তাহলে আমার অবহেলিত এলাকা বিশেষ করে হাটিপাড়া, পুটাইল, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে মানিকগঞ্জ-২ আসনকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়তে চাই
ভাড়ারিয়া, জামসা, বলধারা ইউনিয়নসহ সিংগাইর-হরিরামপুরে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার উন্নয়ন করে মানিকগঞ্জ-২ আসনকে মডেল আসন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে। হরিরামপুরে পদ্মার ভাঙন রোধে কাজ করবো। আমাদের সাবেক এমপি যদিও কিছু করেছেন তারপরও এখনো নদী ভাঙে। হরিরামপুরে পদ্মা নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে অনেক বাড়ি-ঘর; কয়েকটি গ্রাম বিলীন হয়ে গেছে। এই নদী ভাঙন রোধ করতে না পারলে আমাদের মানিকগঞ্জ জেলা এক সময় হুমকির মুখে পড়বে। আমাদের এলাকায় আগে যেসব রাস্তা-ঘাট হয়েছে তার বেশির ভাগই অপরিকল্পিতভাবে হয়েছে। আমি পরিকল্পিতভাবে রাস্তা-ঘাট এর  উন্নয়ন নিয়ে কাজ করবো। আমি আপনাকে মুখে যাই বলি,  কী কী কাজ করবো সেটি এমপি হতে পারলেই পরিলক্ষিত হবে। মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের অনেক পরিবারের বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে; তারা চরে বসবাস করছে। চরের মানুষগুলো খুবই অসহায়। সহজ যোগাযোগের অভাবে তারা তাদের উৎপাদিত গাভির দুধ, মাছ, শাক-সবজি, ফল-মূল সর্বোপরি বিভিন্ন পণ্যের ন্যায্য মূল্য পায় না। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, চরের অর্থনীতি এখন সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। তাই চরের অর্থনীতি তথা উন্নয়নমূলক কাজ করার ব্যাপক পরিকল্পনা আমার রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। পদ্মায় একপাড় ভেঙে আরেক পাড়ে চর জাগে। চরে হাজার হাজার একর জমি পতিত পড়ে থাকে। চরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে মানিকগঞ্জ তথা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির চাকা গতিশীল হয়ে উঠবে বলে আমি মনে করি। এজন্য চরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। পর্যটনের জন্যে চর এলাকায় রিসোর্ট, পার্ক গড়ে তোলা সম্ভব। বাংলাদেশে বিভিন্ন অঞ্চলে ইপিজেড হচ্ছে; অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠছে। এসব ইপিজেড কিংবা অর্থনৈতিক জোন চর এলাকাও গড়ে তোলা সম্ভব। আমি জনপ্রতিনিধি হয়ে যদি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে না পারি তাহলে জনপ্রতিনিধি হওয়ার কোনো সার্থকতা নেই। মানুষের উপকার তথা এলাকার উন্নয়ন করতে সংসদ সদস্যর কোনো বিকল্প নেই। আমি সংসদ সদস্য হতে পারলে সংসদে সরাসরি চরের অর্থনীতি নিয়ে কথা বলবো; সিংগাইরে গ্যাসসহ সিংগাইরকে উপশহর করার পরিকল্পনার কথা আমি বলতে পারবো। বিভিন্ন সভা-সমিতিতে কথা বলতে পারবো। সংসদে আমার এলাকার প্রয়োজনীয় কাজের জন্য আবেদন জানাতে পারবো। আর এসব কারণেই আমি সংসদ সদস্য হতে চাইছি।
 
টাইমওয়াচ : আপনার নির্বাচনী এলাকা মানিকগঞ্জ-২; এই আসনটি সিংগাইর-হরিরামপুর ও মানিকগঞ্জ সদরের আংশিক নিয়ে গড়ে উঠেছে। আপনার নির্বাচনী এলাকায় ২৭টি ইউনিয়ন রয়েছে। এই ২৭টি ইউনিয়নের তৃণমূল পর্যায়ের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইছি।
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : আপনি অবশ্যই অবগত আছেন যে, হাটিপাড়া-ভাড়ারিয়া-পুটাইল মানিকগঞ্জ সদরের এই তিনটি ইউনিয়ন ও সিংগাইর, হরিরামপুর উপজেলা নিয়ে মানিকগঞ্জ-২ আাসন গঠিত। এখানকার রাজনীতি অত্যন্ত শান্ত ও সুষ্ঠু। এখানে দলীয় কোন্দল নেই বললেই চলে। এই আসনের জনগণ সৎ শিক্ষিত ও আদর্শবাণ ব্যক্তিকেই পছন্দ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিভিন্ন সভা সমাবেশে বলছেন- সৎ, শিক্ষিত, যোগ্য ও জনপ্রিয় ব্যক্তিদের আগামী জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হবে। সেই সুবাদে আমি আশাবাদীÑ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নের জন্য আমি প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের বাছাই কমিটি ও মাঠ জরিপে প্রথম সারিতে থাকবো ইনশাল্লা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত বিচক্ষণ; তাঁর কাছে সারা বাংলাদেশের প্রত্যেক পার্টির পরিচিতি রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা, অভিজ্ঞতা রয়েছে তাতে আমি অনেক আশাবাদী যে, আমি দলীয় মনোনয়ন পাবো।
 
টাইমওয়াচ : আপনি ব্যবসা করছেন, পাশাপাশি রাজনীতিও করছেন; বর্তমানে মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের একজন সদস্য। নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে আপনার কাছে জানতে চাইবো- রাজনীতি এবং ব্যবসা একই সঙ্গে চলতে পারে কী?
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : রাজনীতি এবং ব্যবসা এক সঙ্গে অবশ্যই চলতে পারে। আমি মনে করি, রাজনীতির সঙ্গে ব্যবসা জড়িত। আমার যদি কোনো ব্যবসা কিংবা আয় না থাকে তাহলে আমি রাজনীতি কীভাবে করবো। রাজনীতিবিদদের নিজস্ব আয় না থাকলে তাদের রাজনীতি করা কঠিন হবে বলে আমি মনে করি। এই কারণে আমার দৃষ্টিতে, যারা সৎভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে তারা রাজনীতিও ভালো করতে পারবে; যেমন- একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীর বঙ্গবন্ধুর আদর্শে মানিকগঞ্জ-২ আসনকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়তে চাই
সপ্তাহে ২ বা ৩ দিন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সময় দিলেই যথেষ্ঠ। তাছাড়া বর্তমান ডিজিটাল যুগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমেও ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব। তাই রাজনীতি করলে ব্যবসায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে আমি মনে করি না। রাজনীতি করতে হলে বিভিন্ন শিক্ষা-সামাজিক, সাাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে হয় এবং নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে হয়। এতে অর্থের প্রয়োজন। ব্যক্তিগত ব্যবসা না থাকলে এসব অনুষ্ঠান ও সভা-সমাবেশ সফল করা সম্ভব হয় না। ফলে জনগণের সেবা ও দেশের উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হয় এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। তাই আমি মনে করি, সুষ্ঠু ও সৎভাবে জনপ্রতিনিধিত্ব তথা জনগণের উন্নয়নে কাজ করতে হলে আর্থিক সমৃদ্ধির জন্য রাজনীতির পাশাপাশি নিজস্ব ব্যবসা থাকা অতীব প্রয়োজন। তবেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আমরা গড়তে পারব।
 
টাইমওয়াচ : তাহলে রাজনীতিতে কাদের অংশগ্রহণ করা উচিত। আগামীর প্রজন্মের উদ্দেশে আপনার অভিমত কী?
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : আমার অভিমত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র মতোইÑ সৎ, মেধাবী, যোগ্য, ভালো লোকদের রাজনীতিতে আসা উচিত। পাশাপাশি তাদের অর্থবিত্তও থাকা উচিত। কারণ অর্থবিত্তহীন যারা রাজনীতি করে তারা বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে যান। কারণ একজন রাজনীতিবিদদের অনেক খরচের খাত তৈরি হয়। এসব ব্যয় মেটাতে তারা দুর্নীতি করতে বাধ্য হয়। এ কারণে রাজনীতিতে আসার জন্য আর্থিক ও শক্তিশালী ব্র্যাকগ্রাউন্ড থাকা দরকার। তাই আগামী প্রজন্মের উদ্দেশে বলতে চাই সৎ চরিত্র গঠন ও আর্থিক সমৃদ্ধির বিকল্প নাই।
 
টাইমওয়াচ : এবার একটু ভিন্ন প্রসঙ্গ, ২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উৎসব উদযাপন করা হবে। ওই সময়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে এখন আমাদের কী করণীয়?
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : ২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উৎসব পালিত হবে। ওই সময়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনা একান্ত প্রয়োজন। আমি আওয়ামী লীগ করি বলে এই কথা বলছি না- দেশের বৃহত্তর স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে, বাঙালি জাতির স্বার্থে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনা প্রয়োজন।  আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারিÑ দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, মধ্যম আয় ও উন্নত দেশ গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ছাড়া সম্ভব নয়। কারণ জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো বিগত কোনো সরকার-প্রধান এতো সাহস নিয়ে দেশের উন্নয়নে এগোতে পারেননি। তিনি সাহস নিয়ে দেশের অর্থায়নে পদ্মাসেতু করছেন। মেট্টোরেলের কাজ চলমান। আগে হাতে গোনা কয়েকটি সরকারি কলেজ ছিল। এখন জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি জেলায় মেডিকেল কলেজ করার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। আগে একটি জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটের জন্য জেলা পর্যায়ে দৌঁড়াতে হতো। এখন স্বস্ব ইউনিয়নে বসে আমরা জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট পাচ্ছি। প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে তথ্য সেবা চালু রয়েছে। দেশ এখন ডিজিটাল। ঘরে বসে আমরা এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ করতে পারছি। তিনি ঘোষণা দিয়েছেনÑ প্রত্যেকটি গ্রামকে শহরে রূপান্তর করা হবে। প্রতিটি গ্রামে এখন বিদ্যুৎ আছে। আমরা  গত ২০ বছর আগে ঢাকায় এসে যেসব ফ্যাসালিটি পেতাম না বর্তমানে গ্রামে বসে তার চেয়ে বেশি ফ্যাসালিটি পাচ্ছি। তাই আমি মনে করি, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য এবং স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উৎসব উদযাপন সমৃদ্ধ করতে আওয়ামী লীগ সরকারকে আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে।
 
টাইমওয়াচ : আমরা পৃথিবী থেকে সবাই একদিন চলে যাব। আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী; যা এই পৃথিবীতে রেখে যেতে চান?বঙ্গবন্ধুর আদর্শে মানিকগঞ্জ-২ আসনকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়তে চাই
আলহাজ গোলাম মনির হোসেন : প্রকৃত রাজনীতিবিদরা মারা যাওয়ার পরও পৃথিবীতে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকার জন্য রাজনীতি করেন। আমি কয়েকটি স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছি। আমি পৃথিবীতে থাকবো না; আমার গড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকবে। ভবিষ্যতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম এখান থেকে শিক্ষা নেবে, উপকৃত হবে। আমি এই ধরনের আরো কিছু উন্নয়নমূলক কাজ মানিকগঞ্জে করে যেতে চাই যাতে আমি আমার কাজের মাধ্যমে সারা জীবন পৃথিবীতে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবো। আমি ব্যবসা-বাণিজ্য করছি নিজের স্বার্থে। আমি যদি সংসদ সদস্য হই তখন দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে কাজ করবো। সরকারি অনুমোদন ছাড়া কোনো জাতীয় প্রতিষ্ঠান করা যায় না। মানিকগঞ্জে কোনো জাতীয় প্রতিষ্ঠান করতে হলে সাংসদ হয়ে সংসদে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করতে হবে। এরপর তিনি অনুমোদন দিলেই কাজ করা যাবে। আমার এলাকার সমস্যাগুলো সংসদে তুলে ধরে অনুমোদন নিয়ে কাজ করার জন্য আমি জাতীয় নির্বাচন করতে চাই। আর জয়ী হলে আমার স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করার মধ্য দিয়ে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সাক্ষাৎকার পাতার আরো খবর

Developed by orangebd