ঢাকা : বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • ডেঙ্গু এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে : কাদের          ঈদে হাসপাতালের হেল্প ডেস্ক খোলা রাখার নির্দেশ          নবম ওয়েজ বোর্ডের ওপর হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা           বন্দরসমূহের জন্য ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত          দেশের সব ইউনিয়নে হাইস্পিড ইন্টারনেট থাকবে
printer
প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২৩:৪৮:৩২আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৩:০০:১৯
নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কলামিস্টদের সহযোগিতা কামনা
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 


নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমাজ-মানস গঠনে কলামিস্টদের বিশেষ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

১২ ডিসেম্বর বুধবার গণমাধ্যমের কলামিস্টদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এ সম্পর্কিত মতবিনিময় সভা থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। মহিলা পরিষদের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আয়শা খানম। বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম, প্রচার ও গণমাধ্যম সম্পাদক দিল মনোয়ারা মনু। বিভিন্ন গণমাধ্যমের ২০ জন কলাম লেখকের অংশগ্রহণে সভা পরিচালনা করেন ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর বিশেষ প্রতিনিধি মুনিমা সুলতানা।

আয়শা খানম বলেন, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের সমাজে তরুণ প্রজন্ম ও তাদের আগের প্রজন্মের ভাবনার বিকাশ হচ্ছে। সেটা নিয়েই সমাজ অগ্রসর হয়। তিনি বলেন, সমাজকে পরিবর্তন করতে কলম ব্যবহার করতে হবে। আজ বৈশ্বিকভাবে ‘জেন্ডার বেইজ ভায়লেন্স’ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তিনি নারীমুক্তির আন্দোলনে বেগম রোকেয়ার দর্শন আজও সময়ের দাবি বলে মনে করেন। তিনি বলেন, আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে দর্শনের সাথে কী পরিবর্তন হচ্ছে, আমরা কতটুকু এগিয়ে যাচ্ছি, সমাজ নারীবাদের ক্ষেত্রে কতটা মানবিক হয়েছে, তাই আসল কথা।

সীমা মোসলেম বলেন, আমাদের আজকের আলোচনার উদ্দেশ্য হচ্ছে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে নারীকে মানুষ হিসেবে দেখা। নারী নির্যাতন ও সহিংসতার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখা। কলাম লেখকরা তাদের লেখার মাধ্যমে গণমাধ্যমে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে কাজ করতে পারেন।

দিল মনোয়ারা মনু বলেন, গণমাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়ায় রিপোর্ট যেমন গুরুত্বপূর্ণ, জনগণকে সচেতন, সতর্ক ও উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে কলাম লেখকদের ভূমিকা পালন সম্ভব।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদা রওনক খান বলেন, নারীবাদ সামগ্রিকভাবে দেখার বিষয়। কলামিস্টদের কাজ হবে সকলের কথা ভাবা। বাসস প্রতিনিধি মাহফুজা জেসমিন বলেন, আমাদের লেখা ও শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে কলাম লেখকদের আরও সচেতন হতে হবে। প্রথম আলো প্রতিনিধি তৌহিদা শিরোপা বলেন, নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পুরুষদের ভূমিকা রয়েছে। নারী একা একা অনেকখানি এগুলেও পুরোপুরি এগুতে পারবে না।

বিডিনিউজ ২৪ডটকম-এর ফারহানা মিলি বলেন, এখন নারীর প্রতি গণমাধ্যমের দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে। ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে আমাদের আরও কাজ করে যেতে হবে।

পাক্ষিক অনন্যা প্রতিনিধি মোজাফফর হোসেন বলেন, একটি দৈনিকে মূল জায়গা কলাম। কলাম দিয়ে আমরা দৈনিকের মূলভাব বুঝতে পারি। কলামের লেখায় আমরা এমন ভাষা নির্মাণ করব যা জেন্ডার সংবেদনশীল হবে। বাসস প্রতিনিধি ইহিতা জলিল মন্তব্য করেন, সমাজটা তখনই বদলাবে, যখন আমার পরিবার বদলাবে। শিশুর ব্যক্তিত্ব তৈরিতে ভূমিকা রাখে পরিবার। উন্নয়ন কর্মী সেগুফতা শারমীন বলেন, কলামিস্টদের ভূমিকা অনেক বড়। আমাদের লেখার সময় বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে।
আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক ডেসটিনির বজলুর রায়হান, বাংলাদেশ জার্নাল-এর মাহমুদা আক্তার, সেলিমা জাহান, তপন মাহমুদ, রশিদ আল আমীন প্রমুখ।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd