ঢাকা : বুধবার, ২২ মে ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • পণ্য মজুদ আছে, রমজানে পণ্যের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী          বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার          অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব ব্যবস্থা নিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী          বনাঞ্চলের গাছ কাটার ওপর ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা          দেশের সব ইউনিয়নে হাইস্পিড ইন্টারনেট থাকবে
printer
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৭:০৬:২৩
মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ বেড়ে ২০৫ ডলার
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 


গত অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু বিদেশি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৪ দশমিক ৮৫ ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৭ হাজার ২০৭ টাকা। এর আগে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মাথাপিছু বিদেশি ঋণ ছিল ১৭৫ ডলার। ১৬৩ ডলার ছিল ২০১৫-১৬ অর্থবছরে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের ছিল ১৪৯ ডলার। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এর এক কর্মশালায় উপস্থাপিত প্রবন্ধে জানানো হয়, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দাতা দেশগুলোর কাছে বর্তমানে সরকারের ঋণের পরিমাণ তিন হাজার ৩৫২ কোটি ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ হচ্ছে দুই লাখ ৮১ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। বতর্মানে সরকারের সবচেয়ে বেশি ঋণ রয়েছে বিশ্বব্যাংকের কাছে, যার পরিমাণ এক হাজার ৪২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঋণ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকে (এডিবি), যার পরিমাণ ৮৮৪ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। এ ছাড়া জাপানি ঋণের পরিমাণ ৪৭০ কোটি ৫১ লাখ ডলার। চীনের কাছে ঋণ ১৯৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। সাধারণ মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) অনুপাতে ঋণের হার ৪০ শতাংশের মধ্যে থাকা যে কোনো দেশের অর্থনীতির জন্যই ভালো। সে হিসেবে বাংলাদেশের ঋণ অনেক কম। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপির অনুপাতে ঋণের পরিমাণ মাত্র ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০১৬-১৭ এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ হার ছিল যথাক্রমে ১২ দশমিক ৮ শতাংশ ও ১৩ দশমিক ২ শতাংশ। ফলে ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
কর্মশালায় জানানো হয়, বতর্মানে পাইপলাইনে আটকে আছে চার হাজার ৪৩০ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, পাইপলাইনের ৬৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ সহায়তার জন্য বিভিন্ন দাতা সংস্থার সঙ্গে সরকার ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ অর্থবছর সময়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমদ জানান, পাইপলাইনের অর্থ ব্যবহারের নতুন প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। ইআরডির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রকল্পে ক্রয় এবং নিয়োগ-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে অর্থ ব্যয় করা যায় না। বিদেশি ব্যবহার নিশ্চিত করতে এসব সমস্যা দূর করতে হবে। এতে প্রকল্পের মেয়াদ বেড়ে যায়। আর মেয়াদ বাড়লে প্রকল্প ব্যয় বাড়ে। সময় মতো বিদেশি ঋণ ব্যবহার করতে না পারলে ঋণের ওপর আরোপিত কমিটমেন্ট চার্জও বেড়ে যায়।
 

printer
সর্বশেষ সংবাদ
বিশেষ প্রতিবেদন পাতার আরো খবর

Developed by orangebd