ঢাকা : শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • বনাঞ্চলের গাছ কাটার ওপর ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা          দেশের সব ইউনিয়নে হাইস্পিড ইন্টারনেট থাকবে          বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ফিলিপাইনের আরসিবিসির মামলা          দুর্নীতি করলেই যথাযথ ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রী          মিয়ানমার সংকট : শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় জাতিসংঘ
printer
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৯:৩০:২৬আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১১:৫১:১০
৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্য দলিল
এ কে এম শাহনাওয়াজ


 


একটি ছোট্ট ভাষণ কী বিশাল দিকনির্দেশনা দিতে পারে, এর উজ্জ্বল নিদর্শন বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। এ কারণেই এর তাৎপর্য ও গুরুত্ব বিশ্লেষণ করে ইউনেস্কো ২০১৭ সালে বন্ধবন্ধুর এই ভাষণটিকে তাদের ‘ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’-এ অন্তর্ভুক্ত করেছে। চিহ্নিত করেছে ‘বিশ্ব ঐতিহ্য দলিল’ হিসেবে। এই স্বীকৃতি সম্মানিত করেছে গোটা বাঙালি জাতিকে।
১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনে নিরষ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও পাকিস্তানি শাসকচক্র বাঙালির হাতে শাসনক্ষমতা না দিয়ে অত্যাচার নির্যাতন চালাতে থাকে তাদের ওপর। এ অবস্থায় ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ঢাকার রমনায় রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। মাত্র ১৯ মিনিটের মোহাবিষ্ট করে ফেলা ভাষণে তাঁর প্রাজ্ঞ মেধাবী চিন্তার প্রকাশ ঘটালেন। পাকিস্তানি শাসকরা কোনো সুযোগ পেল না বঙ্গবন্ধুকে দোষী বানাতে। কোটি কোটি বাঙালি পেয়ে গেল তাদের আরাধ্য নির্দেশ। শব্দচয়নের কৌশলে স্বাধীনতার ঘোষণাটি ঠিক পড়ে নিতে পারল। এই ঘোষণার শক্তিই মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিকে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রাণিত করেছে। তাই এই ভাষণের প্রেক্ষাপট, গুরুত্ব ও তাৎপর্য জাতি হিসেবে বাঙালি ও পরবর্তী প্রজন্মের অনুভবে থাকা জরুরি। এই বিবেচনা সামনে রেখেই রচিত হয়েছে বর্তমান গ্রন্থটি।
এ কে এম শাহনাওয়াজ রচিত ‘৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্য দলিল’ প্রকাশ করেছে প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা। প্রচ্ছদ : ধ্রুব এষ। প্রচ্ছদের আলোকচিত্র : কামরুল হাসান মিথুন। মূল্য : ২০০ টাকা।
-করীম রেজা

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সাহিত্য-সংস্কৃতি পাতার আরো খবর

Developed by orangebd