ঢাকা : সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • পবিত্র আশুরা ১০ সেপ্টেম্বর          ডিএসসিসির ৩,৬৩১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা          রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর          সংলাপের জন্য ভারতকে ৫ শর্ত দিল পাকিস্তান          এরশাদের শূন্য আসনে ভোট ৫ অক্টোবর          বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই : হাছান মাহমুদ
printer
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল, ২০১৯ ১৮:৪৩:২২
তিস্তা চুক্তিসই সময়ের ব্যাপার : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
টাইমওয়াচ রিপোর্ট


 


ভারতের সঙ্গে বহুল আলোচিত তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি সই হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।
২৭ এপ্রিল শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধায় ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে পানি কূটনীতি বিষয়ক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি। এছাড়া গঙ্গার পানি চুক্তির নবায়নের সময় আসছে বলেও উল্লেখ করেন ড. মোমেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিস্তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এমন চূড়ান্ত পর্যায়ে গেছে যে সই হবেই হবে। তারপরও একজনের কারণে এটা একটু দেরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই চুক্তির বিষয়ে নয়াদিল্লি ও ঢাকা একমত থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে সেটি আটকে রয়েছে।
ড. এ কে মোমেন বলেন, বর্তমানে যে অবস্থায় আছে সেটি চলমান থাকলে ভালো। আমি যখন ভারতে গিয়েছিলাম তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। এ সময় তারা বলেছেন, তারা বাকি নদীগুলোর সমস্যার বিষয়েও নীতিগতভাবে সম্মত এবং এটি এই অববাহিকার উপকারের জন্য হবে।
গঙ্গার পানি চুক্তির নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়ন নিয়ে আবার আলোচনার সময় আসছে এবং এটি একটি ক্রিটিক্যাল টাইম।
সত্তরের দশকে বাংলাদেশে যখন সামরিক সরকার ছিল তখন গঙ্গা পানি চুক্তি নিয়ে বেশ সমস্যা হয় বলে মন্ত্রী জানান।
তিনি বলেন, তখন একটি সামরিক সরকার ছিল দেশে। আমার মনে হয় সেটি ১৯৭৭ সাল। তখন সেই সরকার ঠিক করলো তারা গঙ্গা পানি চুক্তি বিষয়টি জাতিসংঘে উত্থাপন করবে। সে সময় আমরা যারা শিক্ষকতা করতাম তারা বলেছিলাম এই বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘে গেলে এটি খুব ভালো কাজ করবে না। যখন বাংলাদেশ সরকার এটি জাতিসংঘে নিয়ে গেল, এটি একটি বিপর্যয়কর অবস্থার সৃষ্টি হলো।
আবদুল  মোমেন বলেন, ভারতের অনেক প্রভাব আছে, অনেক বন্ধু আছে। তারা ১৯৭৮ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘে কোনো অধিবেশন করতে দেয়নি। আমাদের গঙ্গার বিষয়টি জাতিসংঘে নিয়ে গিয়ে কোনো লাভ হয়নি বরং ক্ষতি হয়েছে। পরবর্তী সময়ে আমরা বিষয়টি জাতিসংঘ থেকে প্রত্যাহার করি এবং দ্বিপক্ষীয়ভাবে বিষয়টি সমাধান করি।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় পাতার আরো খবর

Developed by orangebd