ঢাকা : সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ প্রকৌশলীর বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি          রাজধানীর ৬৪ স্থানে বাস স্টপেজ নির্মাণ হবে : কাদের          ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৩ কোটি যুবকের কর্মসংস্থানের হবে : অর্থমন্ত্রী          দ্বীপ ও চরাঞ্চলে পৌঁছাচ্ছে ইন্টারনেট           সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : স্পিকার          রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর          বাংলাদেশে আইএস বলে কিছু নেই : হাছান মাহমুদ
printer
প্রকাশ : ১১ জুন, ২০১৯ ১৫:৪৮:৪১
বেনাপোলে ক্ষিরার কেজি ৩ টাকা
এম এ রহিম, বেনাপোল


 


বেনাপোল ঈদের পরেই ক্ষিরার বাজারে ধস নেমেছে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৫ টাকায়। দাম না পেয়ে চাষীরা ক্ষিরা খাওয়াচ্ছেন গুরু দিয়ে ও বহনের খরচ না উঠায় দিচ্ছেন ফেলে, ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। শার্শা বেনাপোল বাগআচড়া ও নাভারন সবজির বাজারে এমনাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকেরা দায় দেনা করে বেশী লাভের আশায় ক্ষিরা চাষ করেচরম লোকসানের মুখে পড়েছেন। তবে খুচরা বাজারে দাম চলছে  থেকে ১০টাকা। বিক্রেতারা লাভ করলেও চাষীরা পাচ্ছেন দাম। বেনাপোল বাজার কয়েকমন ক্ষিরা ফেলে দিয়েছেন চাষীরা। অনেকে পশুর জন্য নিয়ে যাচ্ছেন এসব ক্ষিরা।
রমজান মাসে যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে স্থানীয় বাজারে ক্ষিরার দাম ছিল প্রতি কেজি ৩০থেকে ৫০টাকা। দাম ভাল পেয়ে লাভবান হয়েছে চাষী ও বিক্রেতারা। ঈদের পরেই কমে গেছে ক্ষিরার দাম। চাষীরা বাজারে ক্ষিরা বিক্রি করছে ৩ থেকে ৫টাকা। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬ থেকে ১০টাকা। উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় কমেছে দাম। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষীরা।ব্যাবসায়িরা বলেন যখণ যেমন কেনেন সেভাবে বিক্রি করেন তারা। তবে বর্তমানে দাম কম বলে জানান তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল বলেন, এবার চাষ হয়েছে বেশী ফলন হয়েছে ভাল। বাহিরে থেকেও আসছে ক্ষিরা। ঈদের পরে দাম কমে গেলেও রমজান মাসে চাষীরা ভাল দাম পেয়েছেন। এতে করে তারা ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd